ঢাকা, সোমবার 4 June 2018, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ১৮ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গাজীপুর সিটি নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের জন্য অগ্নিপরীক্ষা -ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন

টঙ্গী সংবাদদাতা : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেছেন, নগর পিতা হওয়ার মত যোগ্যপ্রার্র্থীকে আমরা মনোনয়ন দিয়েছি। গাজীপুরবাসীকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা নগর পিতা হিসেবে কাকে নির্বাচিত করবেন।
তিনি বলেন, খুলনা নির্বাচনে সরকার ডিজিটাল কায়দায় ভোট ডাকাতি করেছে। আমরা তাদের সেই ডিজিটাল কৌশল জেনে গেছি। সরকার জনগণের কাছে ধরা পড়ে গেছে। আমরা গাজীপুর সিটিতে সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনগণকে সাথে নিয়ে ভোট ডাকাতি প্রতিরোধ করবো। গাজীপুর সিটি নির্বাচন হবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য অগ্নিপরীক্ষা।  আমরা গাজীপুর সিটির নির্বাচন দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিব।
তিনি আরো বলেন, ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে সরকার আদালতের মাধ্যমে নির্বাচন বন্ধ করতে চেয়েছিল। কিন্তু মেয়র প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার আইনীভাবে মোকাবেলা করেন এবং তারা নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। সরকার ভোট কারচুপি করলে গাজীপুর থেকেই সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন বলেন, সরকারি দলের মন্ত্রী-এমপিরা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছেন অথচ নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। গতকাল রোববার স্থানীয় এমপি ও কেন্দ্রীয় নেতারা গোপন মিটিং করেছেন। তিনি বলেন, খুলনায় ছিল নির্বাচন কমিশনের সেমিফাইনাল খেলা আর গাজীপুরে হবে নির্বাচন কমিশনের ফাইনাল খেলা। এই ফাইনাল খেলায় প্রমাণ হবে নির্বাচন কমিশন আওয়ামীলীগর আজ্ঞাবহ নাকি জনগণের ভোটাধিকারের প্রতি সম্মান প্রর্দশন করে।
মেয়রপ্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার বলেছেন, যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। স্বাধীনতার পর থেকে এদেশের মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। এখন একটি বিশেষ সময়ে এসে প্রার্থী হয়েছি। টঙ্গীবাসী আমাকে কখনো অসম্মান করেনি। সিটি নির্বাচনেও আমাকে ফিরিয়ে দিবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সিটির নাগরিকদের সাথে নিয়ে সিটির উন্নয়ন করতে চাই, একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে চাই। বস্তি এলাকার মানুষগুলোও একটি সুন্দর পরিবেশে বসবাস করবে। গতকাল শনিবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে টঙ্গীর ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. মাজহারুল আলম, শহীদুল ইসলাম বাবু, ওমর ফারুক সাফান, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সালাহউদ্দিন সরকার, সহসভাপতি মীর হালিমুজ্জামান ননী, গাজীপুর বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান, জেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ন সম্পাদক মুফতি নাসির উদ্দিন, শিল্পপতি সোহরাব উদ্দিন, সাখাওয়াত হোসেন সেলিম প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ