ঢাকা, বুধবার 6 June 2018, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২০ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

যে ইস্যু প্রাধান্য পেতে পারে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিমের বৈঠকে

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জন উইন

৫ জুন, বিবিসি : যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প আর কিম জং-আনের ১২ জুনের বৈঠকের প্রস্তুতি ঠিকভাবেই চলছে। হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেক জানানো হয়েছে স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দুই নেতা দেখা করবেন।

তবে পারমাণবিক অস্ত্রের কার্যক্রম বন্ধ করার আগ পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে।

সিঙ্গাপুরে হতে যাওয়া বৈঠকের খুব সামান্য খুঁটিনাটিই জনসাধারণকে জানানো হয়েছে। দুই নেতার বৈঠকের স্থানও এখনও নিশ্চিত নয়। ধারণা করা হচ্ছে, বৈঠকের প্রধান আলোচনার বিষয় হবে কোরীয় উপদ্বীপে পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রম বন্ধ করার ইস্যুটি। কয়েকজন বিশ্লেষক ধারণা করছেন দুই কোরিয়ার মধ্যকার দ্বন্দ্বের চূড়ান্ত নিষ্পত্তিও হতে পারে এই বৈঠকের মাধ্যমে।

দুই নেতার বহ প্রতীক্ষিত বৈঠকটি শেষপর্যন্ত হবে কিনা তা নিয়েই সন্দেহ ছিল। গতমাসে একপর্যায়ে মি. ট্রাম্প এই বৈঠকটি বাতিলও ঘোষণা করেছিলেন। সোমবার হোয়াইট হাউজ মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স সাংবাদিকদের জানান যে, "উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে নিজের জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে প্রতিদিন নির্দেশনা নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।"

'নিষেধাজ্ঞা অব্যহত থাকবে'

মিজ স্যান্ডার্স জানান, পিয়ংইয়ং'এর ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের "সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ" এর মনোভাব পরিবর্তিত হয়নি।

"আমাদের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর আছে এবং তারা সম্পূর্ণরূপে পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রম বন্ধ না করা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা অব্যহত থাকবে।"

তবে গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে উত্তর কোরিয়ার একজন উচ্চপর্যায়ের নেতার সাথে বৈঠকের পর মি. ট্রাম্প জানান 'সর্বোচ্চ চাপ' শব্দটি তিনি আর ব্যবহার করতে চাননা।

দুই দেশের আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে বিধায় এধরণের ভাষা ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে চান তিনি। দুই নেতার বৈঠকের আগে উত্তর কোরিয়া বিভিন্ন রকম কূটনীতিক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী সার্গেই লাভরভ হঠাৎই পিয়ংইয়ং পরিদর্শনে যান।

এ বছরের শেষে মি. কিম মস্কো সফর করতে পারেন, এমন পরিকল্পনা চলছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া জানিয়েছে যে সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদও উত্তর কোরিয়া সফরের পরিকল্পনা করছেন। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ