ঢাকা, বুধবার 6 June 2018, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২০ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দুঃখিত এ বিষয়ে আমি জানি না

স্টাফ রিপোর্টার : তিস্তা নদীর পানি বন্টন চুক্তির অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, দুঃখিত এ বিষয়ে আমি জানি না। এ ব্যাপারে আমার কোনো মন্তব্য নেই।
গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কানাডা সফর নিয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সফর করেন। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তিস্তা নদীর পানি বন্টন চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি তোলা হলেও ভারতের পক্ষ থেকে তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। পররাষ্ট্রমন্ত্রীও এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।
রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গাদের এবং বাংলাদেশের যাতে স্বার্থ রক্ষা করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করছি। যাদের আমরা আশ্রয় দিয়েছি তারা সম্মানের সঙ্গে, নিরাপত্তার সঙ্গে এবং স্বেচ্ছায় ফিরে যাবে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। দেশের জাতীয় স্বার্থকেও সামনে রাখতে হবে। এ দুইটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা কাজ করছি। আগামী ৭ জুন কানাডা যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি জি-৭ এর আউটরিচ সেশনে অংশ নেবেন। পরে ১০ জুন কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটেছে কি-না, তা তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারকদের অনুমতি চেয়ে গত এপ্রিলে আবেদন করেন আদালতেরই একজন আইনজীবী।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তদন্তের অনুমতি দেয়ার আগে গত মে মাসে এই বিষয়ে আইসিসির তিনজন বিচারকের চেম্বার থেকে বাংলাদেশ সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়ে চিঠি দেয়া হয়। মূলত তিনটি বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে আগামী ১১ জুনের মধ্যে লিখিতভাবে চিঠির জবাব দিতে বলে আইসিসি।
আইসিসির চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়, বিশাল জনসংখ্যার মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী কোনো প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ঢুকলো। বাংলাদেশ আইসিসির সদস্য হলেও মিয়ানমার সদস্য নয়। এই প্রেক্ষিতে রাখাইনে সংগঠিত অপরাধ তদন্তে আইসিসির এখতিয়ার নিয়ে বাংলাদেশের মতামত কী। রোহিঙ্গা ইস্যুতে সংগঠিত অপরাধ আমলে নিয়ে আইসিসি তদন্ত করতে পারে, এমন বিষয়ে বাংলাদেশের বক্তব্য কী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ