ঢাকা, বুধবার 6 June 2018, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২০ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

১১ মাসে রফতানি আয় ৩ হাজার ৩৭২ কোটি ডলার

স্টাফ রিপোর্টার: চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ৩ হাজার ৩৭২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার সমমূল্যের পণ্য রফতানি হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। এ আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ৩ হাজার ১৬২ কোটি ২৮ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়। সব মিলিয়ে গত অর্থবছরে ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছিল।
গতকাল মঙ্গলবার রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) রফতানি আয়ের হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, পোশাক খাতের ওপর ভর করে দেশের সামগ্রিক পণ্য রফতানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) ২ হাজার ৮১২ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলারের পোশাক রফতানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি। ১০ মাস শেষে পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দশমিক ৪৪ শতাংশ কম রফতানি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে পণ্য রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৩৭২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, পোশাক ছাড়াও পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষিজাত পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, প্রকৌশল পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও প্লাস্টিক পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়নি।
একক মাস হিসেবে শুধু মে মাসে রফতানি হয়েছে ৩৩২ কোটি ২৪ লাখ ডলারের পণ্য। গত বছরের মে মাসে রফতানি হয়েছিল ৩০৪ কোটি ডলারের পণ্য। সেই হিসেবে গত মে মাসে ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছর ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে তৈরি পোশাকে ৩ হাজার ১৬ কোটি, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১৩৮ কোটি, পাট ও পাটজাত পণ্যে ১০৫ কোটি ডলারের পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ