ঢাকা, বৃহস্পতিবার 7 June 2018, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২১ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

তাড়াশে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : তাড়াশ পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী মাধাইনগর ইউনিয়নের ভিকমপুর গ্রামের গ্রাহকদের গয়রাহ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে থাকলে জনরোষে পড়েন। পরে থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। একই সঙ্গে ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জনরোষ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। হয়রানির প্রতিবাদে বুধবার সকালে ভিকমপুর গ্রামের প্রায় ৫ শতাধিক গ্রাহক ভিকমপুর ইদগাহ মাঠে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।   এসময় ওই গ্রামের আব্দুল হান্নান, ছাইদুর রহমান, খবির উদ্দিন, আলতাব আলী, জহির উদ্দিন, আব্দুল বারিক, আফছার সরকার, দিলজান বেওয়াসহ বিক্ষুব্ধ অনেক গ্রাহক বলেন, গত মঙ্গলবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ তাড়াশ জোনাল অফিসের এজিএম শামিমুর রহমান উপস্থিত থেকে মজিবুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, আলম প্রামানিক, শাহালম হোসেন, টুটুল আলীসহ ১০ জন গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এদের মধ্যে আলতাব হোসেন, মজিবর রহমান, কোরবান আলী ও দিলজান বেওয়ার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ থাকার পরও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয় গ্রামের সাধারণ লোকজন। ওই ৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ঘেরাও করে রাখে। পরে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যান। তারা আরো বলেন, এমনিতেই ৬ নং ফিডে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় বিদ্যুৎ থাকে। যে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে তাড়াশ পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস থেকে তাদরে ভূয়াগাঁতি জোনাল অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন। সেখানে গেলে বলেন, তাড়াশ অথবা সলঙ্গায় যোগাযোগ করুন। এভাবে তাদের বিরাম্বনার শেষ থাকেনা। মঙ্গলবার দিন তারা দীর্ঘ ৫ দিন পর বিদ্যুতের দেখা পান। অথচ বিদ্যুৎ পেতে না পেতেই গয়রাহভাবে সংযোগ বিচ্ছন্ন করে দেয়া হয়। সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ তাড়াশ জোনাল অফিসের এজিএম শামিমুর রহমান বলেন, গ্রাহকদের বিল পরিশোধের কাগজ রয়েছে ঠিকই। তবে টেলিটক এজেন্টদের কাছ থেকে বিলের টাকা বিদ্যুৎ অফিসে জমা হয় নাই। যে কারণে ওই সব বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।  এ প্রসঙ্গে ডিজিএম মো. কামরুজ্জামান দৈনিক সংগ্রামকে বলেন, গ্রাহকরা টেলিটক এজেন্টদের বিল দেয়ার পর পরিশোধ এসএমএস বুঝে নিলে এমন হয়রানির শিকার হতেন না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ