ঢাকা, শুক্রবার 8 June 2018, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২২ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ফুলবাড়ীতে অতি দরিদ্রদের জন্য  কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে অনিয়ম

 

ফুলবাড়ী দিনাজপুর সংবাদদাতা: ফুলবাড়ীতে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোক পাওয়া গেছে। 

অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির কাজে উপস্থিতি না থাকায় ১ লক্ষ ১০ হাজার ৪’শত টাকা ফেরত গেছে। সরকার গ্রামের অতিদরিদ্রদের জন্য সাময়িক কর্মসূচি শুরু করে এ কাজে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও গ্রামে অতি দরিদ্রদের দ্বারা কোন কাজ হচ্ছে না। ফলে বছরে প্রায় কোটি কোটি টাকা গচ্ছা যাচ্ছে। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে ০৯/১২/২০১৭ ইং তারিখে ৭টি ইউনিয়নে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির কাজ শুরু হয়। এই কাজে ৪৮টি প্রকল্প রয়েছে। মোট উপকারভোগী ১ হাজার ৭৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ৬’শত ৯১ জন, নারী ৩৮৪ জন। ৪০ দিনের এই কর্মসূচিতে প্রতি জন প্রতিদিন কাজে ২’শত টাকা হারে ৪০ দিনে ৮ হাজার টাকা পাবেন। 

অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি কাজের তদারকের দায়িত্বে রয়েছেন ফুলবাড়ী উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শফিউল ইসলাম ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ফজলুল হক। প্রথম কিস্তির কাজ শেষ হওয়ার পর ২য় কিস্তি ঐ ৮৬ লক্ষ টাকার কাজ চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। 

এই কাজটি শুরু হয় ০৭/০৪/২০১৮ ইং তারিখে। এভাবে প্রতিবছর ২ কিস্তিতে ১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে ব্যয় করছে। কিন্তু গ্রাম গঞ্জে গিয়ে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি কাজে অনেক এলাকায় লোকজন দেখা যায় না। এভাবে প্রতি বছর অনিয়মতান্ত্রিকভাবে গ্রামে কাজ-কর্মগুলি করছে। এতে দেখা যায় দলীয় লোকজন, চেয়ারম্যানের নিজস্ব কিছু লোকজন তারা কাজ কর্মের নাগালের বাহিরে থাকেন। এদের অনেকে অতি দরিদ্রদের আওতায় পড়ে না। কিন্তু সময় হলে তারা ব্যাংক থেকে ৪০ দিনের কর্মসূচির পাওনা বুঝিয়ে নিচ্ছেন। 

এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শফিউল ইসলামেরর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি শুনেছি কিছু অনিয়ম রয়েছে। মিটিংয়ে বলাও হয়েছে। 

পরবর্তীতে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির তালিকায় নাম পরিবর্তন করা হবে। 

অপরদিকে ফুলবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ফজলুল হক এর সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান, মাঠ পর্যায়ে তদারক করা হয়। ৪০ দিনের কর্মসূচিতে এলাকায় কাজ চলাকালে কাউকে অনুপস্থিত পেলে তাকে অনুপস্থিত দেখানো হয়। 

এই বার আমরা কাজে অনুপস্থিত পাওয়ায় সরকারের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির বরাদ্দের ১ লক্ষ ১০ হাজার ৪’শত টাকা ফেরত দিয়েছি। তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শফিউল ইসলাম অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির কাজ, কাজ চলাকালীন তদারক না করার কারণে ভেস্তে যাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ