ঢাকা, সোমবার 11 June 2018, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৫ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মাহাথির ও আনোয়ারের মধ্যে কোনো বিবাদ নেই ----আজিজাহ

১০ জুন, মালাই মেইল : মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তুন ড. মাহাথির মোহাম্মদ ও পিকেআর পার্টির নেতা দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যে সম্পর্কের চিড় ধরেছে বলে যে জল্পনা চলছে, তা নাকচ করে দিয়েছেন আনোয়ারের স্ত্রী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল।

এই দুই মিত্রের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে বলে সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘স্ট্রেইট টাইমস’ এর প্রতিবেদনে বলা হয়।

এ বিষয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রী আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল বলেন, তাদের উভয়ের মধ্যেই সবকিছু ভালভাবেই চলছে।

শনিবার সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুরে একটি ইফতার অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের আজিজাহ বলেন, ‘তাদের মধ্যে কোনো ভুল বুঝাবুঝি নেই। এখানে কোনো বিবাদ আছে বলে আমি মনে করি না। আমি আগেই বলেছি, আমরা একই শিবিরে রয়েছি।’

সিঙ্গাপুরের ওই দৈনিকটির রিপোর্টে বলা হয়, পিকেআর পার্টির উপ-প্রধান দাতুক সেরি আজমিন আলীকে অর্থনীতি বিষয় মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি দলের কার্যনির্বাহী নেতা আনোয়ারের সমর্থকদের আতঙ্কিত করেছে।

অজ্ঞাত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দৈনিকটি জানায়, মন্ত্রিপরিষদে আজমিনের অবস্থানকে মাহাথির শক্তি খেলার হিসাবে দেখছে পিকেআর পার্টি। পাকতান হারপানে নিজের আধিপত্য দৃঢ় করার পাশাপাশি পিকেআর পার্টিতে আজমিনের অবস্থান শক্তিশালী করতেই মাহাথির এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে বলা হয়।

বিশিষ্ঠ ব্যক্তিদের কাউন্সিলের মুখপাত্র হিসেবে সাংবাদিক কাদির জেসিনের পদত্যাগের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে আজিজ বলেন, বাক স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও কথা বলার ক্ষেত্রে প্রত্যেকেরই সংবেদনশীল থাকা উচিত।

পিকেআর পার্টিরপ্রধান বলেন, ‘আমি মনে করি কেউ কেউ কাদিরে মন্তব্যে সংবেদনশীলতা পেতে পারেন। যাইহোক, আমাদের সবারই বাক স্বাধীনতা আছে। তা সত্ত্বেও, আপনাকে অন্যদের প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে।’

উল্লেখ্য,সাংবাদিক কাদির জেসিন ও আনোয়ারের মধ্যে কিছু বিষয়ে কথার যুদ্ধ চলছে।

এই ইফতার অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার অতিথির মাঝে একটি শিশুকে কোলে নিয়ে বসে থাকা একজন সিরীয় শরণার্থী মাকে দেখতে পান আজিজা। ইফতারের পর ওয়ান আজিজা ওই নারীর খোঁজ-খবর নেন। এসময় তিনি মা ও শিশুকে মালয়েশিয়ার নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য তার পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

আজিজা বলেন, ‘শিশুটি একজন সিরীয় শরণার্থী এবং তার মা আমাকে তাদের দুঃখজনক কাহিনী বলেছে। সিরিয়া থেকে পালিয়ে আসতে তিনি বাধ্য হয়েছেন। তিনি তার নিজের এবং বাচ্চার নাগরিকত্বের জন্য অনুরোধ করেন। আমি তাদের এই অনুরোধ বিবেচনার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে জানাবো।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ