ঢাকা, সোমবার 11 June 2018, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৫ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খালেদা জিয়ার জীবন বিপন্ন হলে রেহাই পাবেন না হাসিনা জনগণকে কষ্টে রাখার কারণে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে

অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবিতে খুলনা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম মঞ্জু

খুলনা অফিস : কারাগারে বন্দী গুরুতর অসুস্থ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বিনা চিকিৎসায় অযতœ অবহেলায় তার জীবনকে বিপন্ন করে তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। খালেদা জিয়ার কিছু হলে অবৈধ দখলদার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেহাই পাবেননা, বরং তাকে কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন  কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা মঞ্জু। বলেন, গত ১০ বছর যাবৎ দেশের মানুষকে যে কষ্টে আপনি রেখেছেন তার প্রতিদান আপনাকে পেতেই হবে। 

 মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপোসহীন নেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকৎসার ব্যবস্থা ও তার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল রোববার সকালে খুলনা মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বেলা সাড়ে ১১ টায় কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয় এ বিক্ষোভ সমাবেশ। 

বক্তব্যের শুরুতেই নজরুল ইসলাম মঞ্জু পবিত্র মাহে রমযানের শেষ পর্যায়ে এসে রাজপথে অবস্থার নিয়ে কর্মসূচি পালন করার কারণে বড় বাজার এলাকায় ব্যবসায়ী এবং ক্রেতা সাধারণের চলাচলে সাময়িক বিঘœ সৃষ্টি হওয়ায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এরা জুলুমবাজ সরকার, জনগণের গণতান্ত্রিক মৌলিক অধিকারসমূহ কেড়ে নেয়ার সরকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়ার সরকার, ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়ার সরকার, জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তা কেড়ে নেয়ার সরকার। এদেরকে রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করতে কষ্ট স্বীকার করে হলেও সকল দেশপ্রেমিক নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং চূড়ান্ত গণঅভ্যূত্থান পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে হবে। 

আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেসিসির মেয়র  মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সাহা-রুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন,জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সিরাজুল ইসলাম, রেহানা আক্তার, শেখ ইকবাল হোসেন, ফখরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহববু কায়সার, মেহেদী হাসান দীপু, মহিবুজ্জামান কচি, শফিকুল আলম তুহিন, শাহিনুল ইসলাম পাখী, আজিজুল হাসান দুলু, অধ্যাপক ডা. সেখ মো. আখতার উজ জামান, ইকবাল হোসেন খোকন, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা, এহতেশামুল হক শাওন, জালু মিয়া, মো. শাহজাহান, সাদিকুর রহমান সবুজ, গিয়াসউদ্দিন বনি, শেখ সাদী, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কে এম হুমায়ুন কবির, একরামুল কবির মিল্টন, একরামুল হক হেলাল, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, মাহবুব হাসান পিয়ারু, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন, ফারুক হিল্টন, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মুজিবর রহমান ফয়েজ, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, হাসান মেহেদী রিজভী, বদরুল আনাম, জামিরুল ইসলাম, আফজাল হোসেন পিয়াস, মাহবুব হোসেন, আফসারউদ্দিন মাস্টার, বেলায়েত হোসেন, মীর কবির হোসেন, আবুল কালাম শিকদার, হাফিজুর রহমান মনি, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহউদ্দিন মিজু, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, নাসির খান, আরমান হোসেন, বাচ্চু মীর, জাহিদ কামাল টিটু, আরিফ খান, শেখ আব্দুল জব্বার, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, ইমতিয়াজ আলম বাবু, মোস্তফা কামাল, আব্দুল আলিম, এইচ এম আসলাম, ওমর ফারুক, আলমগীর হোসেন, মেহেদী হাসান সোহাগ, লিটন খান, শফিকুল ইসলাম শাহিন, কাজী নেহিবুল হাসান নেহিম, জি এম রফিকুল হাসান, জাহাঙ্গীর হোসেন, জাকারিয়া লিটন, জাহিদুর রহমান রিপন, রবিউল ইসলাম রুবেল, খান মইনুল হাসান মিঠু, ওলিয়ার রহমান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, শামসুদ্দিন প্রিন্স, মাজেদা খাতুন, মোহাম্মদ আলী, মুনতাসির আল মামুন, ইউসুফ মোল্লা প্রমুখ।  অপরদিকে এর আগে একই স্থানে সকাল ১১ টায় একই দাবিতে খুলনা জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন আমীর এজাজ খান, খান জুলফিকার আলী জুলু, জি এম কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, খান আলী মুনসুর, সাইফুর রহমান মিন্টু, আব্দুর রকিব মল্লিক,  মোস্তফা উল বারী লাভলু, এডভোকেট  মাসুম আল রশিদ, এডভোকেট  তছলিমা খাতুন ছন্দা, এস এম মুর্শিদুর রহমান লিটন, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, শামীম কবির, উজ্জল কুমার সাহা, ইলিয়াস মল্লিক, আতাউর রহমান রনু, মশিউর রহমান যাদু, খায়রুল ইসলাম খান জনি, মোল্লা সাইফুর রহমান, খন্দকার ফারুক হোসেন, মোজাফ্ফর হোসেন, জি এম আসাদ, কাজী ওয়াইজউদ্দিন সান্টু, অধ্যাপক আইয়ুব আলী, হাফেজ আবুল বাশার, সাইফুল আহসান রবি, আব্দুস সালাম, রফিকুল ইসলাম বাবু, জসিমউদ্দিন লাবু, শাসসুল বারিক পান্না, রাহাত আলী লাচ্চু, তানভিরুল আযম রুম্মান, ডা.  আলমগীর হোসেন, মাসুম মাস্টার, খান ইসমাইল হোসেন, আল মামুন, নজরুল ইসলাম মোড়ল, দুলাল আকন, আব্দুল মালেক, সরদার আব্দুল মালেক, শরিফুল  

ইসলাম বকুল, জাহিদুর রহমান রাজু, সরোয়ার হোসেন, জি এম শফিক, জহুর আকুঞ্জি, হারুনর রশিদ, স ম তৌহিদ হাসান, নাসিমা পলি, সেতারা সুলতানা, মোল্লা মশিউর রহমান, মিকাইল বিশ্বাস, কুদরতে ইলাহী স্পীকার, বেল্লাল মোল্লা, জাকির গাজী, আসলাম হাওরাদার, এসকেন্দার, মইদুল ইসলাম সোহাগ, শেখ বেল্লাল হোসেন, আবু জাফর, কামরুজ্জামান বাপ্পী, আবু জর, গাজী রাশেদ, সাইফুল মোড়ল, বাদশা গাজী, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল জব্বার, বাহাদুর মুন্সি, কামরুজ্জামান বাপ্পী, বোরহান, মো. রাসেল, ইমরান হোসেন, সাহেব আলী প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ