ঢাকা, সোমবার 11 June 2018, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৫ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দুদকে এলেন না বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী ॥ চাইলেন সময়

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তলবে হাজির না হয়ে সময় চেয়েছেন। বিভিন্ন উন্নয়নকাজে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাঁকে তলব করে নোটিশ পাঠিয়েছিল সংস্থাটি।
দুদক সূত্র জানায়, বেবিচকের চেয়ারম্যানের পাঠানো এক চিঠিতে প্রধান প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঈদের পর সময় দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। ওই চিঠিতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠকের কারণে তিনি দুদকে হাজির হতে পারছেন না।
গতকাল রোববার বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলীকে হাজির হতে নোটিশ পাঠিয়েছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক আ. সালাম আলী মোল্লা। তিনি একটি অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন। নোটিশে বলা হয়, বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে বক্তব্য দেওয়ার জন্য তাঁকে দুদকে আসতে বলা হয়েছে।
গত ৪ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো আলাদা দুই নোটিশে সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীকে ১০ ও ১২ জুন সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়।
সূত্র জানায়, দুর্নীতির দুটি অভিযোগ নিয়ে আলাদা আলাদাভাবে অনুসন্ধান করছেন সংস্থার দুই সহকারী পরিচালক মো. খায়রুল হক ও মো. আ. সালাম আলী মোল্লা।
১২ জুন তলব করে মো. খায়রুল হকের দেওয়া নোটিশে অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়, সিভিল অ্যাভিয়েশনের মেইনটেন্যান্স, কনস্ট্রাকশন, কেনাকাটা ও ফান্ড ম্যানেজমেন্টে সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের শত শত কোটি টাকার অনিয়ম, দুর্নীতি, আত্মসাত ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়ি-গাড়িসহ অঢেল অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।
এ বিষয়ে তাঁকে ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বেবিচকে কী কী প্রকল্পের কাজ হয়েছে সেই তালিকা, এই দুই অর্থবছরে কেনাকাটা খাতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণ, একই সময়ে নির্মাণ ও সংস্কার খাতে কত ব্যয় হয়েছে তার বিবরণ, আইটি খাতে কত বরাদ্দ ছিল এবং কী কী কাজ করা হয়েছে তার বিবরণ এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সব ধরনের নিরীক্ষা প্রতিবেদনসহ দুদকে হাজির থাকতে বলা হয়।
এর আগে গত বছরের ১৯ অক্টোবর ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। ওই সময় অভিযোগ ছিল, নয়টি প্রতিষ্ঠান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রকৌশলীকে নির্দিষ্ট হারে ঘুষ দিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ