ঢাকা, সোমবার 11 June 2018, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৫ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নিজেদের আমল আখলাক উন্নত করে দাওয়াতের কাজ অব্যাহত রাখতে হবে

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর’র উদ্যোগে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন নগর জামায়াত আমীর মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান -সংগ্রাম

চট্টগ্রাম ব্যুরো : বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির’র সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন ছাত্রশিবিরই বৃহত্তর ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব তৈরীর সূতিকাগার। ছাত্রশিবির হাজারো প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতি মোকাবেলা করে ছাত্র সমাজের মাঝে দাওয়াতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যারা শিবিরের বিরোধিতা করছে তারা মূলতঃ ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনেরই বিরোধীতা করে যাচ্ছে। তারা ইসলামের বিরুদ্ধে নানা নিত্য নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দ্বীনের অগ্রযাত্রা ব্যহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রের মাত্রা যতই তীব্রতর হোক না কেন দাওয়াতের ভিশন-মিশনের কৌশলের মধ্যে পরিবর্তন এনে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এর জন্য আমাদের আমল আখলাক আরো উন্নত করে ছাত্র-যুব সমাজের কাছে ইসলামের সুমহান দাওয়াত পৌঁছিয়ে দিতে হবে। সেই সাথে জ্ঞানের রাজ্যে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে ক্যারিয়ারের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চাহিদার আলোকে নতুন নতুন কর্মকৌশল ও পরিকল্পনা ঠিক করে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যপানে এগিয়ে যেতে হবে।  ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর’র উদ্যোগে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সম্প্রতি এসব কথা বলেন। নগর উত্তর শিবির সেক্রেটারী আ স ম রায়হান’র পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নগর জামায়াত সেক্রেটারী মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাবেক চসিক কাউন্সিলর ও পাঁচলাইশ থানা আমীর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, চকবাজার থানা আমীর আলহাজ্ব মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, বাকলিয়া থানা আমীর এম এ আলম চৌধুরী, কোতোয়ালী উত্তর থানা আমীর মাস্টার আবুল কাশেম, শিবির নেতা কামাল হোসাইন, আমান উল্লাহ সহ বিভিন্ন সাংগঠনিক থানা জামায়াতের আমীর-সেক্রেটারী ও শিবির সভাপতিবৃন্দ। নগর উত্তর সভাপতি আহমেদ সাদমান সালেহ বলেন পৃথিবীতে কেউ চিরস্থায়ী নয়। আমাদের সবাইকে একদিন সৃষ্টিকর্তার ডাকে সাড়া দিয়ে ইহজগতের মায়া ত্যাগ করতে হবে। শেষ বিচারের দিন নিজেদের কৃতকর্ম নিয়ে প্রভুর সামনে দাঁড়াতে হবে। তাই পরকালীন ভয়াবহতার থেকে মুক্তি পাবার জন্য আমাদের সর্বদা প্রস্তুতি নিতে পবিত্র রমাদানের শিক্ষা বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। পরে নেতৃবৃন্দ দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং ফিলিস্তিন, সিরিয়া, মায়ানমারসহ বিভিন্ন দেশের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য সর্বোচ্চ সাহায্য চেয়ে মহান প্রভুর দরবারে দোয়া-মুনাজাত করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ