ঢাকা, মঙ্গলবার 12 June 2018, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৬ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চীন সফরে পাক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদির করমর্দন

১১ জুন, ডন/আনন্দবাজার : সাংহাই সহযোগিতা সংগঠন বা এসসিও’র সম্মেলনে পাকিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট মামনুন হুসেনের সঙ্গে করমর্দন করেইন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি সৌজন্যমূলক কথাবার্তাসহ হেসে ওঠতেও দেখা গেছে তাদের। শিগগিরই এসসিও’র অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিলে যৌথভাবে একটি সামরিক অনুশীলনে অংশ নিতে যাচ্ছে দেশ দু’টি। ভারত ও পাকিস্তান এসসিও’তে পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগ দেয়ার পর এটাই সংগঠনটির প্রথম সম্মেলন। এই প্রথমবার সদস্যদেশ হিসেবে সম্মেলনে অংশ নিইই পাকিস্তান ও ভারত। এর আগে দেশ দু’টি সম্মেলনে পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে থাকতো।

এইবারের সম্মেলনে অংশ নিই দুই নেতা তাদের মধ্যকার বৈরিভাব কিছুটা দূর করেইন। এর আগে বেশ কইকটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাক রাষ্ট্রপ্রধানদের মুখোমুখি হলেও মুখ ঘুরিই থেকেইন মোদি। কিন্তু এবার তেমনটা করেননি। পাক- প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বেশ নম্র আচরণ করতেই দেখা গেই মোদিকে।

 মোদি ও মামনুন হোসেনকে সৌজন্যমূলক কথা বলতে দেখা গেই। করমর্দন করতেও দেখা গেই তাদের। এছাড়া সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করল ভারত ও পাকিস্তান। তবে পৃথকভাবে কোন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেননি তারা।  

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট মামনুন হুসেনকে সঙ্গে নিই সন্ত্রাস প্রশ্নে সরব হইই চীন-সহ এসসিও’র  অন্য দেশগুলোও। চীনা প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং বলেন, গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক বিষয়গুলি নিই এসসিও’র বৈঠকে গভীর আলোচনা হইই। মত বিনিময় হইই। সমস্ত সদস্য দেশই সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা এবং মাদক চোরাকারবারের বিরুদ্ধে একজোট হই কাজ করার কথা বলেই। 

দুই নতুন সদস্য রাষ্ট্র ভারত এবং পাকিস্তানকে স্বাগত জানিই চীনা প্রেসিডেন্ট বলেইন, শীতল যুদ্ধের সময়কার মানসিকতা আমাদের বর্জন করতে হবে। একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তার যুক্তিতে অন্য রাষ্ট্রগুলিকে বিপদের মুখে ফেলা চলবে না। নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমরা এমন একটা সমই পৌঁইছি যেখানে প্রত্যক্ষভাবে এবং বৈদ্যুতিন মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগ ভূগোলের সংজ্ঞাটাই বদলে দিচ্ছে। ফলে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোটা এখন আমাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে পড়ই। বক্তৃতায় একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধেও সরব হইইন মোদি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ