ঢাকা, মঙ্গলবার 12 June 2018, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৬ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিপিজিএমইএ প্রস্তাবিত বাজেটে শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত হবে

স্টাফ রিপোর্টার : প্রস্তাবিত বাজেটে শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুকারক ও রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)।
গতকাল সোমবার সংগঠনের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন প্রস্তাবিত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের উপর এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।
জসিম উদ্দিন বলেন, প্লাস্টিক খাতের বেশকিছু তৈরি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৫ শতাংশ করা হয়েছে, স্থানীয় ঔষধ শিল্পের প্যাকেজিং প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠানের আমদানিকৃত কাঁচামালের শুল্ক তৈরি পণ্যের আমদানির ওপর ধার্য্যকৃত সমহারে ৫ শতাংশে নামিয়ে না এনে ১৫ শতাংশতে বহাল রাখা হয়েছে যা শুল্কনীতির পরিপন্থী। ফিলার ও মাস্টারব্যাচ প্লাস্টিক খাতের মৌলিক কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ ও ১০ শতাংশ হতে বৃদ্ধি করে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়বে। ফলে  শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত হবে। আমরা এগুলো পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ করছি।
সভাপতি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সকল ধরেণের প্লাস্টিক ব্যাগ (ওভেন প্লাস্টিক ব্যাগ সহ) ও মোড়ক সামগ্রীর উপর নতুন ভাবে ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে বিকাশমান প্লাস্টিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই খাতের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কমে যাবে। অন্যদিকে সকল ধরণের শিল্প প্রতিষ্ঠানে মোড়ক সামগ্রী (র‌্যাপিং) অত্যাবশ্যকীয়। ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়বে, ফলে মোড়কীকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সাধারণ ভোক্তাগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির চাপ পড়বে। বিষয়টি বিবেচনায় এনে ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করার অনুরোধ করছি।
তিনি বলেন, শিল্প খাতের ন্যায় রেয়াতি হারে আমদানি শুল্ক, মূসক, সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতির এসআরওতে অন্তর্ভূক্ত না করায় শিল্পায়ন প্রক্রিয়া দারুনভাবে বিঘিœত হচ্ছে। সকল রফতানিখাতে করপোরেট কর হার সমতায়ন না করে বিদ্যমান বৈষম্য বহাল রাখা হয়েছে যা কর নীতির পরিপন্থী। আমরা সকল রপ্তানি খাতের করপোরেট কর হার সমান ১০ শতাংশ হারে ধার্য্য করতে হবে।  একইসাথে চ্যালেঞ্জিং বাজেট বাস্তবায়নে সুদক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ