ঢাকা, মঙ্গলবার 12 June 2018, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৬ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রস্তাবিত বাজেট কর্মসংস্থানহীন

স্টাফ রিপোর্টার : ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ। তিনি বলেন, এই বাজেট মেগা প্রকল্প নির্ভর। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান কিছুটা হচ্ছে, কিন্তু যা হচ্ছে এটা আসল না।

গতকাল রোববার ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের (ডিবিএম) উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় বাজেট ২০১৮-১৯ পর্যালোচনা : বাজেটোত্তর মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন আকাশ।

 গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের সভাপ্রধান প্রতীমা পাল মজুমদারের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিল্ড (বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট) এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম, স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলনের সভাপতি রশীদ-ই-মাহবুব, ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সালাউদ্দীন বাবলু, গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের সধারণ সম্পাদক এ আর আমান প্রমুখ।

গত ৭ জুন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গত অর্থবছরের চেয়ে ৯৩ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে এবারের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা।

চলতি মাস জুড়েই সংসদে বাজেটের ওপর আলোচনা চলবে সংসদে। আর ৩০ জুনের মধ্যে পাসের পর তা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

এম এম আকাশ বলেন, আমরা অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে মনযোগ দিচ্ছি। ব্রিজ তৈরি করে যোগাযোগ ব্যবস্থা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ ভৌত অবকাঠামোগুলো তৈরি করব। এগুলো উৎসাহিত করবে উৎপাদন বাড়াতে। উৎপাদন বাড়লে বিনিয়োগ হবে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে। কিন্তু দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি না করলে কাজ হবে না।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের গবেষণা সম্পাদক মনোয়ার মোস্তফা। তিনিও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কর্মসংস্থানের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন কৌশলের উল্লেখ নেই। দাবি করা হয়, বিনিয়োগ স্থবিরতার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কর্মসংস্থানের ওপর।

রশীদ-ই-মাহবুব বলেন, বাজেটে চিকিৎসা ক্ষেত্রে তেমন বরাদ্দ দেয়া হয়নি। চিকিৎসা সেবায় সরকারের যেখানে টাকা দেবার কথা সেখানে না দিয়ে সবই বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় বাজেট নিয়ে কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে, বিদ্যমান কর ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজিয়ে প্রগতিশীল রূপদান। পরোক্ষ করের বোঝা কমিয়ে প্রত্যক্ষ করের ওপর জোর দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। সম্পদের ওপর সরাসরি করারোপের জন্য মূল্যমান নির্ণয়ের আধুনিক ও বাস্তবসম্মত পদ্ধতির প্রচলন করারও সুপারিশ করা হয় মত বিনিময়ে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ