ঢাকা, মঙ্গলবার 12 June 2018, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৬ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ডুমুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩১ জনের নামে ঘের লুটের মামলা

খুলনা অফিস: খুলনার ডুমুরিয়ার উপজেলার শোভনা ইউনিয়নে দোয়ানের খালে মৎস্য ঘের লুটের ঘটনায় এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩১ জনের রিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঘের মালিক লালন গাজী বুধবার দুপুরে খুলনা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত ‘খ’ অঞ্চলে মামলাটি দায়ের করেন বলে জানা গেছে। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলার সাজিয়াড়া গ্রামের নুর আলী গাজীর ছেলে লালন গাজী উপজেলার শোভনা ইউনিয়নে ১০ একর বদ্ধ জলমহলটি গত বছর স্থানীয় উপজেলা ভূমি অফিস থেকে ইজারা গ্রহণ করে সেখানে চিংড়ি ও কার্ব জাতীয় মাছের পোনা ছেড়ে দেয়া হয়। হঠাৎ চলতি মাসের ৩ জুন উপজেলা শোভনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্যের নেতৃত্বে অর্ধ-শতাধিক লোকজন অস্ত্রের মুখে দোয়ানের খালে মাছ লুট করে এবং ঘেরের কর্মচারীদের মারপিট করা হয়। ঘেরের মাছ, জালদড়ি ও অন্যান্য মালামালসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে বাদীর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য আদালাত ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছে বলে বাদী জানিয়েছে। শোভনা ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য বলেন, জনস্বার্থে গ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে খালটি অবমুক্ত করতে গিয়েছিলাম। তবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটিয়ে দোয়ানের খালে কেউ মাছ লুট করেনি। ডুমুরিয়া থানার ওসি মো. হাবিল হোসেন বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। থানায় অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কেউ থানায় আসেনি। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুল হাসান বলেন, দোয়নের খালটি ১০ একর জমি দেখিয়ে গত ২০১৫-১৬ সালে ডুমুরিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) থেকে ১৬৮০ টাকা রাজস্ব জমা দিয়ে উপজেলা মির্জাপুর পশ্চিমপাড়া যুব ‘মৎস্যজীবী’ সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অরূপ মন্ডলের নামে ইজারা দেয়া হয়েছিলো। সমস্যা দেখা দিয়ে জনস্বার্থে প্রয়োজনে ইজারা বাতিল করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহনাজ বেগম বলেন, দোয়ানের খালটি জল মহল হিসেবে ইজারা দেয়া হয়েছিলো। তবে ওই খালটির ইজারা বাতিল করা হয়নি। তার আগেই কিছু লোকজন জলাবদ্ধতা নিরসনে খালটি অবমুক্ত করতে গিয়েছিলো জেনেছি। আদালতের নির্দেশনা পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ