ঢাকা, বুধবার 19 September 2018, ৪ আশ্বিন ১৪২৫, ৮ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

রাঙ্গামাটি ও কক্সবাজারে পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

অবিরাম প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসে রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে। রাঙ্গামাটি উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কোয়ালিটি চাকমা এ খবর নিশ্চিত করেছেন। এদিকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে পাহাড় ধসে দু’জনের মৃত্যু ঘটেছে।

তিনি জানান, সোমবার দিবাগত রাতে প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসের ঘটনায় এ প্রাণহানি ঘটে। গ্রামগুলো পাহাড়ি দুর্গম এলাকা হওয়ায় স্থানীয় গ্রামবাসী নিহতদের লাশ উদ্ধার করেছে।

জানা গেছে, এ ঘটনায় বুড়িঘাট ইউনিয়নের হাতিমারা গ্রামে পাহাড় ধসের ঘটনায় আরও ১ জন নিখোঁজ রয়েছে।

কোয়ালিটি চাকমা বলেন, “উপজেলার বড়পুল পাড়ায় দুই পরিবারের চারজন, ধর্মচরন কার্বারি পাড়ায় একই পরিবারের চারজন, হাতিমারা এলাকায় দুইজন এবং গিলাছড়ি ইউনিয়নের মনতলা এলাকায় একজন মারা গেছেন।”

নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লা আল মামুন ও নানিয়ারচর থানার ওসি আব্দুল লতিফ পাহাড় ধসের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও কতজন মারা গেছেন তা জানাতে পারেননি।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, তারা আটজনের মৃত্যুর খবর শুনেছেন।

তিনি বলেন, “পাহাড় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক না থাকায় ইউএনও ওই এলাকাগুলোতে এখনও পৌঁছাতে পারেনি। ফলে নিহত বা নিখোঁজের সঠিক তথ্য পেতে কিছুটা সময় লাগছে।”

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ও নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ত্রিদিব কান্তি দাশ পাহাড় ধসে দুটি গ্রামে ৮ জনের মৃত্যুও কথা স্বীকার করেছেন।

এদিকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভারী বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধসে মাটি চাপায় এবং উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গাছ চাপায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালের দিকে মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়া এলাকা এবং উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের তেলিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এতে নিহত হয়েছেন মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়া মতিবর পাড়ার এলাকার বাসিন্দা আলী চাদেঁর ছেলে কৃষক মো. আবুল কালাম প্রকাশ বাদশা মিয়া (৪৮) এবং উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জামতলী এলাকার হোসেন আহমদের ছেলে মোহাম্মদ আলী (২০)।

 

বর্ষা মওসুমে পাহাড় ধ্বস একটি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।গত বছর এই সময় রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে এবং গাছ চাপায় সেনা সদস্য সহ ১৫৭ জন নিহত হয়েছিলেন।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ