ঢাকা, রোববার 21 October 2018, ৬ কার্তিক ১৪২৫, ১০ সফর ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে হবে: ড.মাসুদ

 

সংগ্রাম অনলাইন : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ রাজধানীতে গরিব দুঃস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন করতে গিয়ে বলেন, সকল মানুষের মধ্যে মানবতার শক্তি জাগ্রত করার মধ্য দিয়ে একটি সমতা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যেখানে মানুষ দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত হবেনা, যেখানে অন্ন, বস্ত্র, খাদ্য সহ মানুষের মৌলিক অধিকারসমুহ সমুন্নত থাকবে। পরস্পরের ব্যক্তি জীবনের সুখ-দুঃখ ও উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ ও পরিবেশ পাবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের শ্যামপুর থানার উদ্যোগে গরিব দুঃস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শ্যামপুর থানা সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে ঈদ সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকির। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা ও শ্যামপুর থানা কর্মপরিষদ সদস্য কামরুল হাসান, শহীন আহমদ খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

ড. মাসুদ বলেন, ঈদ একটি সামাজিক উৎসব। সমাজের সকলে একসাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার মধ্যে যে সুখ আছে তা অন্য কোথাও নেই। ফলে বিত্তবান শ্রেণীকে সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া উচিত। এছাড়াও আল্লাহ ও রাসুল (সা) সমাজের অসহায়, গরিব ও দুঃস্থদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দিকে সহযোগীতার হাত বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তাই এবারের ঈদুল ফিতরে সকল ভেদাভেদ ভুলে  ধনী-গরিব যেন একসাথে সামাজিক সম্প্রীতি ও বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে সেজন্য তিনি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।

তিনি আরোও বলেন, আমাদের ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় জীবনের সকল স্তরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দেওয়া বিধান তথা ইসলামের নীতি ও আদর্শকে আরোও দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে। এরফলে আমদের ব্যাক্তি, সামাজ ও রাজনৈতিক জীবনের সর্বস্তরে আদ্ল ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে। সমাজের মধ্যে বর্ণ-গোত্র, আমীর-গরীব, মালিক-ভৃত্য, সবল-দুর্বল প্রভৃতি ভেদাভেদ দুর হয়ে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের মজবুত বন্ধন গড়ে উঠবে এবং শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এছাড়াও রাষ্ট্রে ইসলামের অনুশাসন ও যাকাত ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা চালু থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই দারিদ্র বিমোচনের মাধ্যমে ধনী-গরিবের ভেদাভেদ দুর করা সম্ভব। তাই সমৃদ্ধ ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের আন্দোলনে শরিক হওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ