ঢাকা, বুধবার 13 June 2018, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৭ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অবহেলিতদের ঈদ আনন্দে অংশীদার করা সবার নৈতিক দায়িত্ব -শিবির সেক্রেটারি জেনারেল

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি  জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, সবার জন্য খুশির আনন্দের বার্তা নিয়ে ঈদ আসে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সমাজের বঞ্চিত অবহেলিতরা ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকে। এক্ষেত্রে অবহেলিতদের ঈদ আনন্দে অংশীদার করা সবার নৈতিক দায়িত্ব।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার উদ্যোগে পথশিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মহানগরী সভাপতি জামিল মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আজিজুল ইসলাম সজিবের পরিচালনায় এসময় কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আব্দুল্লাহ মাহমুদসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু নিজের জন্য নয় বরং তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার মধ্য দিয়েই পূর্ণতা আসে। পথ শিশুরা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে পথ শিশুরা বিভিন্ন ধরনের অবহেলা আর বঞ্চনার শিকার। পর্যাপ্ত সুযোগ থাকার পরও দেশের সরকার ও বিত্তবানদের সুদৃষ্টির অভাবে এরা বরাবরই ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকে। সরকারের সক্ষমতা ও দেশের বিত্তবানদের তুলনায় পথশিশুর সংখ্যা নগন্য। সকলের সামান্য সহযোগীতায় পথ শিশুরা আনন্দ উৎসবের অংশীদার হতে পারে। এর পরও দেশে প্রতিটি উৎসবে পথশিশুদের করুণ চাহনি দেখতে হয়। এ দৃশ্য বড় বেদনাদায়ক ও অমানবিক। আমাদের সকলের উচিৎ এই বেদনাদায়ক দৃশ্যকে আনন্দময় দৃশ্যে পরিণত করা।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি পথশিশু, বঞ্চিত, অবহেলিত, দুস্থদের এড়িয়ে গিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করা মানবিক কাজ নয়। ইসলামের শিক্ষাও এটা নয়। ইতিমধ্যেই সারাদেশে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন শাখা পথশিশুদের মাঝে ইফতার সামগ্রী, ঈদ পোষাক ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে। আমরা জানি এ প্রচেষ্টা পর্যাপ্ত নয়। কিন্তু ছাত্রশিবির সামর্থ অনুযায়ী সামাজিক দায়িত্ব পালনে কখনো পিছপা হয় না। আমরা পথশিশুসহ দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকার ও বিত্তশালীদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ