ঢাকা, বুধবার 13 June 2018, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৭ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাতক্ষীরার কিংবদন্তি জননেতা গোলাম রহমান : জানাযায় হাজারো মানুষের ঢল

জননেতা গোলাম রহমানের জানাযায় হাজারো মানুষের ঢল

সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ হাজারো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাতক্ষীরা জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাকালীন কিংবদন্তি বর্ষীয়ান জননেতা গোলাম রহমান পাঞ্জাতুন । সাতক্ষীরা ইসলামী আন্দোলনের রূপকার এই নেতার নামাযে জানাযায় হাজারো মানুষের ঢল নামে।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। দুই ছেলে দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি। প্রতিষ্ঠা করেছেন অসংখ্য ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
মঙ্গলবার দুপুরে আশাশুনির বুধহাটা ইউনিয়নের পাইখালি গ্রামের তৃতীয় জানাযা শেষে পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হয়। জানাযা পূর্বসমাবেশে স্বতঃস্ফূর্ত জনতার উপস্থিতি ছিল অভূতপূর্ব। প্রিয় মানুষটিকে শেষ বিদায় জানাতে, তার প্রিয়মুখ একটি বারের জন্য দেখাই যেন তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। এসময় মরহুমের স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি মাওলানা রিয়াছাত আলীর ছেলে জনপ্রিয় নেতা নুরুল আফছার।
সকাল ৯টায় তার কর্মস্থল সাতক্ষীরা জামায়াত অফিস সংলগ্ন মোসলেমা কিন্ডারগার্ডেন মাঠে জানাযা নামায অনুষ্ঠিত হয়ে। মরহুমের হাতেগড়া মসজিদ পুরাতন সাতক্ষীরা হাটখোলা মসজিদের ইমাম মাওলানা আয়রুল বাশার তার নামাযের ইমামতি করেন। দুপুরে নামায শেষে নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে এই কিংবদন্তি নেতাকে দাফন করা হয়। জানাযা নামাযে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়।
মরহুমের বাসায় শোকার্ত মানুষের ঢল : সকাল থেকেই মরহুমের বাসায় ছিল শোকার্ত মানুষের ঢল। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মরহুমের লাশ একনজর দেখার জন্য বাসায় ভিড় জমাতে থাকে জনতা। সবার মুখে মুখেই ছিল কালেমা শাহাদাতের শব্দধ্বনি। কালেমা শাহাদাতের উচ্চারণে আলোড়িত করে আগত নেতাকর্মীদের। প্রাণপ্রিয় মানুষটিকে হারিয়ে অনেকে আবেগ- আপ্লুত হয়ে পড়েন। গত সোমবার রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তিকাল করেন। সাতক্ষীরায় যে পাঁচজনের হাতে ইসলামী আন্দোলন প্রতিষ্ঠা হয়ে ছিলেন, গোলাম রহমান ছিলেন তার মধ্যে অন্যতম।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ