ঢাকা, বুধবার 13 June 2018, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৭ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সেতু নির্মাণের দাবি

কেফায়েত উল্লাহ মিয়াজী, লালমাই (কুমিল্লা): স্থানীয় উদ্যোগে নির্মিত স্টিলের পাত আর ১৬টি পিলারের দিয়ে ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত সেতুই ২ উপজেলার মানুষেরপ বন্ধন টিকিয়ে রাখার শেষ ভরসা। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এবং চৌদ্দগ্রাম দু‘উপজেলাবাসীর মধ্যে যাতায়াতের জন্য নতুন ডাকাতিয়া নদীর উপর মরকটা সেতু নির্মাণের দাবী দীর্ঘ দিনের।
নদীটির ২ পাড়ের বর্তমান ২ সংসদ সদস্যই মন্ত্রী। একজন হলেন নাঙ্গলকোট-সদর দক্ষিণ আসনের এমপি পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) অপর জন চৌদ্দগ্রাম আসনের এমপি রেলপথমন্ত্রী মজিবুল হক মুজিব।
আবার এ দুই মন্ত্রী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
তাই তাঁদের উপর এলাকাবসীর আস্থা-বিশ্বাস ও আশা আকাঙ্খা অনেক। কিন্তু এ র্পযন্ত সরকারি ভাবে এ সেতুটি নির্মানের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় হতাশ দুই উপজেলা ওই সেতুতে যাতায়াত কারী প্রায় দুই লাখ মানুষ।
সরকারি ভাবে এখানে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ না নেয়ায় এলাকাবাসীর ব্যক্তিগত সহযোগিতায় নদীর উপর স্টিলের পাত দিয়ে ১৬টি পিলারের উপর জনসাধারণ এবং শিক্ষার্থীদের সাময়িক ভাবে যাতায়াতের জন্য সেতু নির্মাণ করা হয়।
এক যুগ পেরিয়ে বর্তমানে সেতুটি জরাজীর্ণ হওয়ায় দু‘উপজেলাবাসীকে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে জানা যায়, নাঙ্গলকোটের পিপড্ডা, বেকামলিয়া, পুর্ব খাঁঘর, দাসনাইপাড়া, শ্রীরামপুর, বাসন্ডা, কুকিরিখিল এবং চৌদ্দগ্রামের মরকটা, করপাটি, আগুনসাইল, মাসকরা, চন্দ্রপুর এবং তারাসাইলের প্রায় দু‘ লক্ষাধিক জনগণের যাতায়াতের জন্য নতুন ডাকাতিয়া নদীর উপর একসময় এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো এবং কাঠের পুল নির্মাণ করা হয়।
বাঁশের সাঁকো এবং কাঠের পুল দিয়ে নাঙ্গলকোট এবং চৌদ্দগ্রামের লোকজন দু‘উপজেলায় যাতায়াত করতেন।
মরকটা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, রাবেয়া আরশাদ উচ্চ বিদ্যালয় এবং মরকটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নাঙ্গলকোটের ছাত্র-ছাত্রীরা লেখাপড়া করতেন। বাঁশের সাঁকো এবং কাঠের পুল দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে সমস্যায় পড়তে হতো।
অনেক সময় বাঁশের সাঁকো এবং কাঠের পুল দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নদীতে পড়ে গিয়ে আহত হতে হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ