ঢাকা, রোববার 19 August 2018, ৪ ভাদ্র ১৪২৫, ৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নিষ্ফল পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাবে ইরান: রুহানি

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, ২০১৫ সালে পাশ্চাত্যের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা তার দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে না পারলে তেহরান ওই সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাবে। মঙ্গলবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরনের সঙ্গে এক টেলিফোনালাপে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে একতরফা ও বেআইনিভাবে বেরিয়ে যাওয়ার একমাস পর এ টেলিফোন সংলাপ অনুষ্ঠিত হলো। এতে রুহানি ম্যাকরনকে বলেন, “ইরান যদি এ সমঝোতার সুবিধাগুলো ভোগ করতে না পারে তাহলে এটি বহাল রাখা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।”

আমেরিকা বেরিয়ে যাওয়ার পর ফ্রান্সসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ ইরানের পরমাণু সমঝোতা রক্ষা করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা কাজে পরিণত করার আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট রুহানি। তিনি বলেন, “অন্যের একরোখা ও চুক্তি ভঙ্গকারী তৎপরতা যাতে এই মহা কূটনৈতিক সাফল্যকে ধ্বংস করতে না পারে সেজন্য আমাদের চেষ্টা চালানো উচিত।”

টেলিফোনালাপে ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের পরমাণু সমঝোতা রক্ষা করার জন্য প্যারিস সম্ভাব্য সব রকম প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমেরিকা বেরিয়ে যাওয়ার কারণে ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে দেয়ার জন্য ইউরোপ যেসব পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে তার একটি ফিরিস্তি তুলে ধরেন প্রেসিডেন্ট ম্যাকরন।

২০১৫ সালে পরমাণু সমঝোতা সই হওয়ার পর ফটোসেশন (ফাইল ছবি)

২০১৫ সালের জুলাই মাসে আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া ও চীনকে নিয়ে গঠিত ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরান পরমাণু সমঝোতা সই করে। ওই সমঝোতায় ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে নিজের পরমাণু তৎপরতায় সীমাবদ্ধতা আনতে সম্মত হয় তেহরান।

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৮ মে এ সমঝোতা থেকে একতরফাভাবে তার দেশকে বের করে নেন। এরপর ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এ সমঝোতা রক্ষা করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইরানকে সমঝোতা থেকে বেরিয়ে না যাওয়ার আহ্বান জানায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে নিজেদের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করতে ব্যর্থ হয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলো।-পার্স টুডে

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ