ঢাকা, মঙ্গলবার 19 June 2018, ৫ আষাঢ় ১৪২৫, ৪ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজর
Online Edition

সাত জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল ২৭ প্রাণ

সংগ্রাম ডেস্ক : গত তিনদিনে সাত জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায়  ২৭ জন নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থনীয় স্বাস্থ্য ক্লিনিক ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করা হয়েছে। বড় দুর্ঘটনাটি ঘটে নীলফামারীর সৈয়দপুরে। একটি পিকআপ ভ্যানকে যাত্রীবাহী কোচ পিছন দিক থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই পিকআপ ভ্যানের ৮ যাত্রী ও পরে আরো এক যাত্রী নিহত এবং ১৫ যাত্রী আহত হন। চট্টগ্রাম তিনজননিহত ও আরো ১৬ যাত্রী আহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম আরো দু’টি দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হন। এছাড়াও মানিকগঞ্জের ঘিওরে ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত এবং একজন আহত এবং চুয়াডাঙ্গায় দু’জন নিহত ও ২ জন আহত হন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শিশু ও নারীসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে আমাদের সংবাদদাতারা জানান।
সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা : নীলফামারীর সৈয়দপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত এবং কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে সৈয়দপুর শহরের বাইপাস মহাসড়কের ধলাগাছ মোড়ের অদূরে আহমেদ প্লাইউড ফ্যাক্টরির সামনে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রমতে, নীলফামারী সদর উপজেলার চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের ২৭ যুবক খোলা পিকআপ ভ্যানে ঈদের আনন্দ করতে দিনাজপুরের স্বপ্নপুরী বিনোদন কেন্দ্রে বেড়াতে যায়। রাতে নিজ বাড়ীতে ফেরার পথে সৈয়দপুর শহরের বাইপাস মহাসড়কের ধলাগাছ মোড়ের অদূরে আহমেদ প্লাইউড ফ্যাক্টরির সামনে পৌঁছলে পেছন দিক থেকে একটি ঢাকা কোচ পিকআপ ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপ ভ্যানে থাকা যুবকেরা রাস্তার দুপাশে ছিটকে পড়লে কোচটির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে ৮ যুবক নিহত হয়। নিহতরা হলেন নীলফামারী সদরের চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের নতিবাড়ী কাঞ্চন পাড়ার রুবেল আহমেদ, রাব্বী হোসেন, সাজেদুল ইসলাম ও খায়রুল ইসলাম, আরজী দলুয়া পাড়ার ময়নুল হক, ডালিম চন্দ্র ও শামীম হোসেন এবং ধোপা ডাঙ্গা পাড়ার বিধান চন্দ্র। এদের লাশ রাতেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেয়ার পথে মিজানুর রহমান (২০) নামে আরো ১ যুবক মারা যায়। এ ঘটনায় আহত হয় ১৫ জন। গুরুতর আহতের মধ্যে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ৪ জন ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন জাবেদুল (১৭), মাজেদুল (২০), একরামুল (১৮), জামিনুল (১৮), এরশাদুল (২০), রকিবুল (১৮), শিপন (১৭), আবু মুসা (১৭), ইব্রাহিম (১৮), শরিফুল (২০) ও গাড়ী চালক মাজেদুল (২৫)। গতকাল সোমবার দুপুরে নিহতদের দাফন সম্পূর্ণ করা হয়েছে।
নীলফামারী পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, পিকআপটিতে ২৭জন যুবক ছিলেন। তারমধ্যে চালকসহ ৯জন নিহত হয়েছেন এছাড়া আহত ১৪জনের মধ্যে ৭জনের অবস্থা গুরুত্বর। তাদের রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রাহীম জানান, নিহতের পরিবারকে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদানের কথা জানালেন নীলফামারী জেলা প্রশাসন।
চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামে পৃথক পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ সূত্রের খবর,গত সোমবার  সকাল নয়টার দিকে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার মিঠাদীঘির পাড় এলাকায় বাসের ধাক্কায় শামীম আহমেদ (৫০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।  চমেক পুলিশ বলছে, সাতকানিয়ায়  বাসের ধাক্কায় এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ সূত্রের খবর, গত শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়ার নিমতলা মাজার এলাকায় দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১৬ বাসযাত্রী। নিহতরা হলেন- কক্সবাজারের চিরিঙ্গা হিন্দুপাড়ার প্রবীণ শিক্ষক হৃদয় রঞ্জন দাশ (৭০), তার স্ত্রী বাসন্তি দাশ (৫৫) এবং জামাতা শিবাকর দাশ (৪০)। এদের মধ্যে হৃদয় রঞ্জন দাশ এবং বাসন্তি দাশ ঘটনাস্থলে প্রাণ হারালেও শিবাকর দাশকে আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাইওয়ে পুলিশের পটিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, দ্রুতগামী দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই বাসযাত্রী নিহত এবং ১৬ বাসযাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চমেক পুলিশ বলছে, পটিয়াতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১৬ বাসযাত্রীকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়। এদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। বাকীদের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে যাত্রী একটি চলন্ত বাস ও গাছের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শুকলাল হাট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- যাত্রী কিরণ বালা দাশ (৬০) ও বাস চালকের সহকারী লুৎফর রহমান (৩০)। পুলিশ বলছে, চট্টগ্রামমুখী বাসটি শুকলাল হাট এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছে সজোরে ধাক্কা দেয়। এসময় বাসের ভেতরে থাকা যাত্রী কিরণ বালা ও হেলপার লুৎফর ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় অপর এক যাত্রী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পুলিশ বাসটি আটক করতে পারলেও চালককে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু, নারীসহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরো চার জন। গত শনিবার উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আড়িয়াবোতে ১ জন, আউখাবোতে ২ জন, বরাবোতে ১ জন ও পুর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কের ভোলানাথপুরে ১ জন নিহত হন।
নিহতরা হলো, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার সালজানা এলাকার সুনিল হালদারের ছেলে সমীর হালদার (২৫), কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার নানশ্রী এলাকার সোহরাব উদ্দিনের মেয়ে গার্মেন্টস কর্মী ফারজানা আক্তার (২০), আমেনা বেগম (২৫), রূপগঞ্জ উপজেলা আড়িয়াবো এলাকার আমির হোসেন ভান্ডারির দুই বছর বয়সের শিশু সারামনি ও (অজ্ঞাত ৩০) এক যুবক।  ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির।
ঘিওর (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা : ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের ঘিওরে যাত্রীবাহী একটি বাসের চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মহাসড়কের ঘিওর উপজেলার জোঁকা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুড়ি ইউনিয়নের কেল্লাই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২১) এবং একই এলাকার মহিদুর রহমানের ছেলে আব্দুল মোমিন (২২)।
বরংগাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়ামিন উদ-দৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিকেলের দিকে মোটরসাইকেল করে জাহিদুল ও মোমিন মানিকগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলো। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা পল্লিসেবা পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই দুই যুবক মারা যায়। এ ঘটনায় ঘাতক বাসটিকে আটক করা হলেও এর চালক পালিয়ে যায়। তবে ওই বাস চালককে আটক করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
অপরদিকে মহাসড়কের শিবালয়ে বাসচাপায় পরাণ শেখ (২৪) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মুশুরিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পরাণ শেখ জেলার দৌলতপুর উপজেলার খলসি গ্রামের বানেজ শেখের ছেলে।
হাইওয়ে পুলিশের বরংগাইল ফাঁড়ির ইনচার্জ সার্জেন্ট ইয়ামীন উদ-দৌলা জানান, পরাণ একজন আরোহী নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে পাটুরিয়া ঘাটের দিকে যাচ্ছিলেন। পেছন থেকে ঈগল পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই পরাণ মারা যান।
চুয়াডাঙ্গা সদর সংবাদদাতা : চুয়াডাঙ্গা শহরের কলেজ রোডে বিগবাজারের সামনে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখী সংঘর্ষে সাগর সৈকত অপু (২০) নামে এক মেডিকেল কলেজছাত্র নিহত এবং ২ জন আহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সাগর সৈকত শহরের কোর্টপাড়ার বাসিন্দা নাজেম উদ্দিনের ছেলে এবং আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। আহতরা হলেন, নিহত সাগর সৈকতের বড় ভাই সালাহউদ্দিন শুভ (২২) ও জ্বীনতলা মল্লিক পাড়ার মরহুম শহিদুল ইসলামের ছেলে হৃদয় হোসেন (২১)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহতদেরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের পরামর্শক (কনসালটেন্ট) ডা.ওয়ালিউর রহমান রাত আটটায় সাগর সৈকতকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলতদিয়ার কোরিয়া পাড়ায় মিনি ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ফয়জুল ইসলাম (৫০) নিহত হয়েছেন।
 প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, ঈদের দিন দুপুরে মোটর সাইকেল নিয়ে মেহেরপুর থেকে চুয়াডাঙ্গা শহরের দিকে আসছিলেন ফয়জুল ইসলাম। এ সময় চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের দৌলাতদিয়াড় কোরিয়া পাড়ায় পৌছিলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মিনি ট্রাক নিয়ন্ত্রন হারিয়ে মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয় ।এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী ফয়জুলের মৃত্যু হয়। জানা গেছে, তিনি ঐ একই পাড়ার বাসিন্দা। চুয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হোসেন খাঁন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাঁথিয়া (পাবনা) সংবাদদাত : পাবনা-ঢাকা সড়কের সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা বাজারে পাবনাগামী সিজান বাসের চাপায় পথচারী মজির উদ্দিন (৮০) নামে একজন নিহত ও একরাম (৪০) নামে একজন আহত হয়েছেন। নিহত মজির উদ্দিন আতাইকুলা গ্রামের আজিমুদ্দিনের ছেলে।গুরুতর আহত একরাম রঘুনাথপুর  গ্রামের খুরজান আলীর ছেলে। রোববার সকাল ৯টায় দুর্ঘটনা ঘটে।
আতাইকুলা থানার ওসি মাসুদ রান স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, পাবনাগামী যাত্রীবাহী সিজান নামের একটি বাস দুই পথচারীকে চাপা দিলে মজির উদ্দিণ ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় একরামকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা পাবনা হাসপাতালে প্রেরন করে।
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কোটচাঁদপুর-কালীগঞ্জ সড়কের নতুন বাজার নামক স্থানে মটর সাইকেল দূর্ঘটনায় রনি নামে এক যুবক নিহত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাগেছে শনিবার ঈদের দিন দুপুর ২ টার সময় কালীগঞ্জ কোটচাঁদপুর সড়কের নতুন বাজার নামক স্থানে মটর সাইকেল ও রিকশার সাথে সংর্ঘষ হয় এতে মটর সাইকেল আরহী ঝিনাইদহ সদরে রনি নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়। তাকে আহত অবস্থা স্থানীয় লোকজন কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যায় সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল  কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয় এবং সেখানে রনি মৃত্যু বরণ করেন। এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ