ঢাকা, মঙ্গলবার 19 June 2018, ৫ আষাঢ় ১৪২৫, ৪ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজর
Online Edition

ঈদের আমেজ কাটেনি ব্যাংক পাড়ায়॥ ফাঁকা সচিবালয়

স্টাফ রিপোর্টার: ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষ হলেও এখনও ঈদের আমেজ কাটেনি ব্যাংকপাড়ায়। লেনদেনও শুরু হয়নি পুরোমাত্রায়। একইভাবে ফাঁকা দেখা গেছে সচিবালয় এলাকাও। অফিস আদালত আর ব্যাংক পাড়ায় চলছে ঈদের শুভেচ্ছা আর কুশল বিনিময়। ঈদের আমেজ কাটছে পুরো সপ্তাহ লেগে যাবে।
গতকাল সোমবার ব্যাংক খুললেও কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতি কম। কাজের চাপ কম থাকায় গল্পগুজব আর কুশল বিনিময় করে সময় পার করছেন তারা। রাজধানীর কাওরানবাজার মতিঝিল ও দিলকুশা ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
জানা গেছে সচিবালয়ের অধিকাংশ দফতর গতকাল ফাঁকা ছিল। তবে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা-কর্মচারিরা গতকাল যথারীতি অফিস করেছেন। নীচের সারির অধিকাংশ কর্মকর্তারাই ছুটিতে রয়েছে। তারা আগামী রোববার থেকে নিয়মিত অফিস করবেন। ঈদের সময় বিয়েসহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠান থাকে। আর এসব কারনেই ছুটিতে থাকেন অনেক কর্মকর্তা। এ বছর বেশি ছুটি নিয়েছেন কর্মকর্তারা। কারন হিসেবে তারা জানান, এবার অতিরিক্ত কোন ছুটি পাওয়া যায়নি। আর এ কারণেই অতিরিক্ত ছুটি নিয়ে হয়েছে।
ঈদের পর প্রথম কার্যদিবসে (সোমবার) মতিঝিলের প্রায় ব্যাংকেই কমকর্তাদের ব্যস্ততা তেমন নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকেরও একই চিত্র। যারা এসেছেন তাদের বেশিরভাগই নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময় আর আলাপ আলোচনায় সময় পার করছেন।
রূপালী ব্যাংকের করপোরেট শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটির পর গতকাল সোমবার ব্যাংক খুলেছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কয়েকজন ব্যবসায়ী টাকা জমা দিয়েছেন। এছাড়া দু’টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কিছু টাকা জমা হয়েছে। এরকম দু’একটি বড় লেনদেন ছাড়া সঞ্চয়কারীদের জমা বেশি হচ্ছে।
মতিঝিল সোনালী ব্যাংকের লোকাল অফিসের জেনারেল ম্যানেজার নিজাম উদ্দীন আহম্মেদ চৌধুরী বলেন, ঈদের পর আজকে প্রথম কার্যদিবস। প্রতিবারের মত এবারও প্রথম দিন গ্রাহকদের ভিড় কম। এবার ঈদে ছুটি কম থাকায় অনেকে গ্রাম থেকে আসেননি। তারপরও আজ প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি রয়েছে। যারা ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে আছেন দুই একদিনের মধ্যে এসে পরবেন।
তিনি বলেন, ঈদের পর যেসব গ্রাহক আসছেন তারা নগদ টাকা তুলছেন। আবার অনেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা তুলতে আসছেন।
সাধারণ লেনদেন সম্পর্কে তিনি বলেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় ১০ ভাগের একভাগ লেনদেন হয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় বড় ধরনের কোনো লেনদেন হচ্ছে না। ছোট ছোট লেনদেন হচ্ছে। এ সপ্তাহে ক্রমান্বয়ে লেনদেন বাড়বে। আগামী সপ্তাহ থেকে স্বাভাবিকভাবে লেনদেন হবে।
এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (এবিবি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ঈদের আগে শুক্রবার বেচাকেনার টাকা ব্যবসায়ীরা জমা দিচ্ছেন। ঈদের পরে গতকাল ব্যাংক খুললেও গ্রাহকের উপস্থিতি সন্তোষজনক হবে আজ মঙ্গলবার থেকে। তেমন কোন লেনদেনের চাপ নেই। তাই অনেকে ছুটিতে থাকলেও কোন অসুবিধা নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ