ঢাকা, বুধবার 20 June 2018, ৬ আষাঢ় ১৪২৫, ৫ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজর
Online Edition

রাজপথের রাজনৈতিক আন্দোলনই হতে পারে জবাব

জিবলু রহমান : বিএনপি এখন এক অনিবার্য ক্রান্তিকালে দাঁড়িয়ে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন বিপর্যয় দলটি অতীতে কখনোই  মোকাবিলা করেনি। সামনে কী আছে তা জানেন না বিএনপির কেউই। এমনকি রাজনৈতিক প-িতরাও। দলটির জন্য এ এক অনিশ্চিত ঘোর অমানিশার সময়। কেন এ বিপর্যয়? বিএনপির শেষ গন্তব্যই বা কোথায়। এমন সব প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গেলে মাথায় কিছুই আসে না। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি বলেছেন, আমাদের দেশনেত্রীকে সরকার মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দী করে রেখেছে। আমরা আজকে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে ঈদ উদযাপন করছি। আমরা আন্দোলনের মধ্যে আছি। আমাদের নেত্রী যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের কথা বলে গেছেন সেই নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে আমরা প্রত্যেকটি স্তরে জোরদার করছি। আমরা মনে করি আন্দোলনের মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমরা মুক্ত করতে পারব ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, বিএনপির কাছে এখন মূল চ্যালেঞ্জ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। আমরা দেশনেত্রীকে মুক্ত করে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারব।
কর্মসূচির ব্যাপারে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন, এই সরকারকে আমরা অনেক সুযোগ দিয়েছি। এবার কোনো ছাড় নয়। রাজপথে তাদেরকে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে পরাজিত করে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। (সূত্র : দৈনিক নয়াদিগন্ত ১৯ জুন ২০১৮)
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই বিএনপি বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেছে। কিছু দলকানা মিডিয়া সরকারের পক্ষ নিয়ে খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন বলে প্রচারও চালিয়েছিল। বলা হয়েছিল, রাজনৈতিক ‘সহনাভূতি’ পাওয়ার জন্য বিএনপি খালেদা জিয়া অসুস্থতার সংবাদ প্রচার করছে। মার্চের শেষ সাপ্তাহ থেকেই বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়েছে, সরকার খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে লুকোচুরি করছে। একই সঙ্গে বিএনপি নেতারা বলছেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক দিয়ে পছন্দের হাসপাতালে হতে হবে।
ভিআইপি বন্দিদের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নিয়ে বাইরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়। খালেদা জিয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে। কিন্তু সরকার ‘আবেদন করলে’ তা আদালতের উপর নির্ভর করছে বলে প্রচার চালাচ্ছে। ঢাকার বিশেষ জজ-৫-এর আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলাও চলছে। এর মধ্যে মামলার শুনানিতে খালেদা জিয়াকে হাজির করার কয়েকটি ধার্য তারিখে তাঁকে হাজির করা হয়নি। কারা কর্তৃপক্ষ আদালতকে জানিয়েছে, খালেদা জিয়াকে অসুস্থতার কারণে আদালতে হাজির করা যায়নি।
অন্যদিকে সরকার কারাবিধি অনুযায়ী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে যথাযথ চিকিৎসা দিচ্ছে বলে জানিয়ে আসছে। ৭ এপ্রিল ২০১৮ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। আপাতত তিনি সুস্থ আছেন বলে মেডিকেল বোর্ড মতামত দিয়েছিল। তবে সেখানে সাবেক আইনমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেছেন, সরকারের এই চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি তাঁদের আস্থা নেই। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ডাক পেলেও তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা মতামত দিতে পারেননি। বিএনপি’র আবেদনের প্রেক্ষিতে মহা কারাপরিদর্শকের কাছে একটি চিঠি দিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ। সেখানে জেল কোড অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা ছিল। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ৭ এপ্রিল ডাক পেয়েছিলেন তার চার ব্যক্তিগত চিকিৎসক। যথাসময়ে তাদের মধ্যে তিনজন প্রফেসর ওয়াহিদুর রহমান, প্রফেসর এফএম সিদ্দিকী ও ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন বিএসএমএমইউতে এসেছিলেন। কিন্তু তারা কেউ খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসায় মতামত দিতে পারেননি। কারাগার থেকে হাসপাতালে এনেই খালেদা জিয়াকে নেয়া হয় আগে থেকে প্রস্তুত করে রাখা কেবিন ব্লকের ৫১২ নম্বর কেবিনে। কিন্তু সেখানে সর্বক্ষণ তাকে ঘিরে রেখেছিলেন পুলিশ ও কারা কর্মকর্তারা। তিন চিকিৎসককে তার কেবিনে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হয় প্রায় ২০ মিনিট পর। কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের পরিষ্কার জানিয়ে দেন সরকারি মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ীই তার পরীক্ষা নিরীক্ষা হবে। এখানে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের মতামত দেয়ার সুযোগ নেই। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় তারা তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের মতামত নিতে পারবেন না।
৭ এপ্রিল বিকালে দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়াকে জোর করে গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রিজভী বলেন, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে সম্পূর্ণ অপ্রস্তুতভাবে আনা হয়েছে। কারাগারে তাঁর কক্ষের কাছে গিয়ে বারবার তাগিদ দিতে থাকে কারাকর্মকর্তাসহ ৭-৮ জন কারারক্ষী। একজন মুসলিম ধর্মপ্রাণ নারী হিসেবে ৩০-৩২ বছর ধরে তিনি শাড়ির উপরে চাদর বা ওড়না পরিধান করেন। এ সরকার এতো হীন এবং কুৎসিত মনোবৃত্তির যে, একজন বয়স্ক নারী যিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাঁকে চাদর বা ওড়না পরিধান করার সুযোগ পর্যন্ত দেয়া হয়নি। একরকম জোর করেই তাকে গাড়িতে উঠিয়ে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে পিজি (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের ৫১২ নম্বর কক্ষে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু চিকিৎসার নামে পিজি হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রহসনেরই নামান্তর। কারণ সেখানে কোনো চিকিৎসাই তাঁকে দেয়া হয়নি। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের কোনো পরামর্শের সুযোগ দেয়া হয়নি। আইনেও আছে একজন বন্দি পূর্বে যেসব চিকিৎসকের চিকিৎসা নিতেন কারাগারেও তাদের চিকিৎসা নিতে পারবেন। ৫ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে খালেদা জিয়াকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকের দ্বারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে প্রধান কারারক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। অথচ এর কোনো প্রতিফলন আজকে দেখা যায়নি।
 রিজভী বলেন, খালেদা জিয়া ১৫-২০ বছর ধরে যে ব্যক্তিগত চিকিৎসকের চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের চিকিৎসা প্রদানের কোনো সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। একজন মানুষ হিসেবে বেগম জিয়ার যে চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার সেটাকেও হরণ করতে সরকার বিষ দাঁত লুকাতে পারছেন না। অথচ নিজেকে সাধু দেখানোর জন্য বেগম জিয়ার চিকিৎসার নামে নাটক করেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাড়াহুড়ো করে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এতকিছুর পরও সরকারের উদ্দেশ্য যে অশুভ নয় এটা আমরা কিভাবে বুঝবো। তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ছুটে গেলে সেখানে তাদের পর্যন্ত দেখা করতে দেয়া হয়নি। বেগম জিয়াকে বহনকারী গাড়ি হাসপাতালে পৌঁছলে একরকম টানা হেঁচড়া করে ওপরে উঠানো হয়। গাড়ি থেকে নামার জন্য সিঁড়ি পর্যন্ত দেয়া হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত বাড়াবাড়িতে হাসপাতালে ধাক্কাধাক্কির মতো পরিস্থিতিতে অপমানজনকভাবে তাঁকে হাসপাতালে ওঠানো-নামানো হয়েছে।
রিজভী বলেন, আওয়ামী রাজত্বে সরকারি হাসপাতালে বিরোধী দলের সেবা পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সেই সুযোগ ও অধিকারহীনতার শিকার হলেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর চিকিৎসা বিষয়ে সরকার আজ যে বায়োস্কোপ দেখালো তার নিন্দা করার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। সরকারের উদ্ভট আচরণের তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। এ সময় তিনি বলেন, সুচিকিৎসার অভাবে খালেদা জিয়ার কোনো ক্ষতি হলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে। বেগম জিয়ার অগ্রযাত্রায় বলপূর্বক প্রতিহত করে কোনো লাভ হবে না। কোনোভাবেই তাঁকে টলানো যাবে না।
আবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ৭ এপ্রিল এক জনসভায় বলেছেন, খালেদা জিয়ার দণ্ড, কারাবাস সবই হচ্ছে আদালতের সিদ্ধান্তে। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থাও হচ্ছে ‘জেলকোড’ বা কারাবিধি অনুযায়ী। ওবায়দুল কাদের আরো বলেছেন, অসুস্থতার ধরন দেখে চিকিৎসকরা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে ঠিক সেভাবেই তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে। আর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৭ এপ্রিল বরিশালে এক জনসভায় বলেছেন, চিকিৎসার নামে খালেদা জিয়াকে হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে যে কারাগারে রাখা হয়েছে সেখানে আর কোনো বন্দি রাখা হয় না। স্যাঁতসেঁতে একটি কারাগারে তাঁকে রাখা হয়েছে।
২১ এপ্রিল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও চিকিৎসা নিয়ে সরকার নোংরা রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, কারাগারে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আমরা খবর পাচ্ছি। আর এতে কেবল আমরাই নই, সারা দেশ ও জাতি উৎকণ্ঠিত। কিন্তু সরকার তার সুচিকিৎসার উদ্যোগ না নিয়ে উল্টো নোংরা রাজনীতি করছে। এ বিষয়ে সরকারের মন্ত্রীদের মন্তব্য ও কটূক্তি সকল শিষ্টাচারবহির্ভূত এবং চক্রান্তের বহিঃপ্রকাশ। সরকার দেশনেত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, বেগম জিয়াকে রাজনীতি ও আসন্ন নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায়।
মির্জা আলমগীর বলেছেন, আমরা সরকারকে বলবো-এখনো সময় আছে অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিয়ে তাকে তার পছন্দনীয় চিকিৎসকের ও বিশেষায়িত হাসপাতাল ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। কারাগারে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব পুরোটাই সরকারকে বহন করতে হবে। আমরা নোংরা রাজনীতি বাদ দিয়ে সরকারকে সোজা পথে তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
মির্জা আলমগীর বলেছেন, সংবাদপত্র সূত্রে জানতে পেরেছি সরকার গঠিত মেডিকেল টিম দেশনেত্রীকে পরীক্ষা করতে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে প্রফেসর ডা. মালিহা রশিদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি মেডিকেল টিম তাকে দেখতে যান। খালেদা জিয়া বেশকিছু ব্যাধিতে আক্রান্ত। এর মধ্যে এক্যুইট রিউমেটিক আর্থারাইটিস তাকে বেশ কষ্ট দিচ্ছে। তিনি বলেন, চিকিৎসকরা যে পরীক্ষাগুলো করেছেন সেখানে এমআরআই ও অন্যান্য যেসব বিশেষায়িত পরীক্ষাগুলো করা দরকার তা করা হয়নি। মাঝখানে তাকে একবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল, যেখানে তার এক্স-রে করানো হয়েছে।
মির্জা আলমগীর বলেছেন, চিকিৎসকরা যে পরামর্শ দিয়েছেন সে অনুযায়ী তার একটা বিশেষ ধরনের এমআরআই (স্পাইনাল) করা জরুরি। এছাড়া তার হোল এবডুমিনের আল্টাসোনোগ্রাফি করা প্রয়োজন। তার রক্তের বিভিন্ন রকমের পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সে জন্য তারা (চিকিৎসকরা) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দেখানোর জন্য সুপারিশ করেছেন। সেগুলো হচ্ছে-ইমুটোলজিস্ট, অর্থালমোজিস্ট চোখের জন্য (তার চোখ লাল হয়ে গেছে), ফিজিক্যাল মেডিসিন, নিউরো মেডিসিন এবং ইন্টারন্যাল মেডিসিন। খালেদা জিয়াকে এসব বিশেষজ্ঞ দেখানো জরুরি। মির্জা আলমগীর বলেন, চিকিৎসকরা অতি দ্রত খালেদা জিয়ার বিশেষ এমআরআই করার জন্য বলেছেন। তারা অবিলম্বে তার পছন্দনীয় ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য সুপারিশ করেছেন। অথচ এ ব্যাপারে কারা কর্তৃৃপক্ষ কোনো বক্তব্য আমাদের কাছে ও জাতির সামনে দেননি। চিকিৎসকরা কারাগারে দেশনেত্রীর জন্য যে অর্থোপেডিক বেড-এর সুপারিশ করেছেন তাও সরবরাহ করা হয়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ