ঢাকা, শুক্রবার 22 June 2018, ৮ আষাঢ় ১৪২৫, ৭ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দুর্যোগ মোকাবেলায় ১৬শ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক - সংসদে অর্থমন্ত্রী

 

সংসদ রিপোর্টার: দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংক গত এক দশকে চার প্রকল্পে ১৬০০ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

মুহিত বলেন, সিডরের পরে দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংক ‘ইমারজেন্সি সাইক্লোন রিকভারি এ- রেস্টোরেশন প্রজেক্টে ৩০৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়। যা শুরু হয় ২০০৮ সালে এবং আগামী ৩০ জুন শেষ হবে। এর অগ্রগতির হার ৯৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

দ্বিতীয়ত: ‘এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম ফর দা পুয়োরেস্ট’ শীর্ষক প্রকল্পে ১৫০ মিলিয়ন ডলার, যা ২০১১ সালে শুরু হয় এবং ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হয়েছে।

তৃতীয়ত: সেফটি নেট সিস্টেম ফর দা পুওরেস্ট প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়েছে, যা শেষ হবে ২০১৯ সালের ৩০ জুন। এ প্রকল্পের অগ্রগতি ৮৯ শতাংশ, আবার এর এডিশনাল প্রকল্পে পুনরায় ২৪৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে, যার অগ্রগতি ৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

শেষ প্রকল্পটি হলো ‘কোস্টাল এমবার্কিং ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট, ফেস-১ এ ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে, যা জুন ২০২০ সালে শেষ হবে। এর অগ্রগতি ১৯ শতাংশ।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বেগম উম্মে রাজিয়া কাজলের প্রশ্নের জবাবে মুহিত জানান, বিশ্বব্যাংক ‘লো-ইনকাম কমিউনিটি হাউজিং সাপোর্ট’ প্রকল্পে সোয়া ৪০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ৫০ মিলিয়ন ডলার বা ৫ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে। ২০১৬ সালের ৩০ জুন বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে এ সংক্রান্ত ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তিনি জানান, এ প্রকল্পের আওতায় দুই সিটি কর্পোরেশন ও একটি পৌরসভায় ১৯ কমিউনিটিতে দরিদ্র বস্তিবাসীদের জন্য আবাসন সুবিধা তৈরিতে সহায়তা, বিদ্যুৎ পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ প্রভৃতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বস্তিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

জাতীয় পার্টির সদস্য সালমা ইসলামের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে ৭৩৩টি চুক্তি হয়েছে। এরমধ্যে ২৬৩টি ঋণ চুক্তি এবং ৪৭০টি অনুদান চুক্তি। এসব চুক্তির সঙ্গে জড়িত অর্থের পরিমাণ ৫৫ হাজার ৬৮৪ দশমিক ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ঋণ ৫০ হাজার ৩৬১ দশমিক ৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ও অনুদান ৫ হাজার ৩২২ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ