ঢাকা, রোববার 24 June 2018, ১০ আষাঢ় ১৪২৫, ৯ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিএনপি অক্টোবরে মাঠে নামবে : তার আগেই খালেদা জিয়ার মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে

আমরা আগেই বুঝতে পেরেছিলাম যে, আগামী  ইলেকশনের আগে বেগম খালেদা জিয়াকে জেল থেকে ছাড়া হবে না। আমরা বুঝলে কি হবে, বিএনপির ঢাকার হাই কমান্ড সেটা বুঝতে পারেন নি। তাই তাদের শীর্ষস্থানীয় প্রায় সমস্ত আইনজীবী বলেছিলেন যে, আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমেই তাকে মুক্ত করে আনবো। শুধু তাই নয়, জামিনের একেকটি তারিখ পড়ে আর বিএনপির এডভোকেটরা বলেন যে এবারেই বেগম জিয়ার জামিন হবে। বেশি দিন লাগলো না, অন্যান্য পত্রপত্রিকাও বলতে লাগলো যে, ইলেকশনের আগে তাকে ছাড়া হবে না। মনে হচ্ছে অবশেষে বিএনপির ঢাকা হাই কমান্ডের বোধোদয় হয়েছে। বিলম্বিত বোধোদয়। এখন মওদুদ সাহেব নিয়মিত বিভিন্ন আলোচনা সভায় বলছেন যে, আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে বেগম জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব নয়। রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই তাকে মুক্ত করে আনতে হবে।
আমরা গভীর দুঃখের সাথে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, বিএনপির আইনজীবীদের মাঝে চিন্তাধারার ঐক্য নাই। তাই যদি না হবে তাহলে এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের মতো একজন সিনিয়র আইনজীবী কীভাবে আবেদন করেন যে, বেগম জিয়াকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হোক। এরা কি বাংলাদেশের রাজনীতির অতীত বর্তমান সম্পর্কে কোনো কিছুই ওয়াকিফহাল নন? তার তো মনে থাকার কথা যে, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন অখ- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান রাজনৈতিক সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার জন্য লাহোরে সমস্ত রাজনৈতিক দলের একটি গোল টেবিল বৈঠক ডাকেন। তখন শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে ছিলেন। শেখ মুজিব ছাড়া তো ঐ বৈঠকের কোনো অর্থ হয় না। সুতরাং সরকারের তরফ থেকে বলা হলো যে, প্রস্তাবিত বৈঠকে যোগদানের জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হবে। শোনা যায় যে, সেই সময় শেখ মুজিবের প্রধান আইনজীবী ড. কামাল হোসেন নাকি শেখ মুজিবের প্যারোলে মুক্তি দেওয়াকে সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের র‌্যাংক এ্যান্ড ফাইল এমনকি বেগম মুজিবও মুজিবের প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করেন। সেই সময়ের চার ছাত্র নেতা সিরাজুল আলম খান, আসম আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ এবং আব্দুল কুদ্দুস মাখন প্রকাশ্যে বলেন যে, বঙ্গবন্ধু যদি প্যারোলে লাহোর গোলটেবিল বৈঠকে যান তাহলে শুধুমাত্র তার পলিটিক্যাল ক্যারিয়ারই শুধু শেষ হবে না, রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগও শেষ হয়ে যাবে। দলের সর্বস্তরের তীব্র বিরোধিতার মুখে শেখ মুজিব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, তিনি প্যারোলে মুক্তি নেবেন না। তারপর তার মুক্তি আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হলে আইয়ুব সরকার তাকে নিঃশর্তে মুক্তি দিতে বাধ্য হন। মুক্ত মানব হিসাবে শেখ মুজিব লাহোর বৈঠকে যোগদান করেন।
এতবড় একটি নজির সামনে থাকা সত্ত্বেও খন্দকার মাহবুব প্যারোলের কথা কেমন করে বললেন, সেটা ভেবে আমরা আশ্চর্য হই। এটি যদি বিএনপির অফিসিয়াল স্ট্যান্ড হতো তাহলে  আওয়ামী লীগ ঐ প্রস্তাবটি লুফে নিতো। সুখের বিষয়, বিএনপির তরফ থেকে বলা হয়েছে যে, প্যারোল সংক্রান্ত বক্তব্যটি খন্দকার মাহবুবের ব্যক্তিগত। বিএনপির সাথে ঐ বক্তব্যের কোনো সম্পর্ক নাই।
আবার ফিরে আসছি বেগম জিয়ার মুক্তি প্রসঙ্গে। সরকার পক্ষ বা বিএনপি উভয় পক্ষেরই পলিটিক্যাল রেটোরিক  যাই হোক না কেন, বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য আমাদেরকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে গ্রহণ এবং বিবেচনা করতে হবে। পবিত্র ঈদের পর গত ২১ জুন বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাক্তার এফ এম সিদ্দিকী বলেন যে, চিকিৎসার অভাবে কারাগারে বেগম জিয়ার জীবন শঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
॥দুই॥
দিনের পর দিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবা না পাওয়ায় বেগম জিয়ার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা পূর্ণাঙ্গ স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে বলছেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী। বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ট্র্যানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক (টিআইএ) হয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন গত ৫ জুন পাঁচ মিনিট সময় অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। অধ্যাপক সিদ্দিকী বলেন, কিন্তু টিআইএ-র শিকার রোগীকে যদি দ্রুত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং চিকিৎসা না করা হয় তাহলে তার স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি থাকে সর্বোচ্চ ৭০% এবং সেটা যে কোনো সময়ে ঘটতে পরে বলে তিনি জানান। ‘তার চিকিৎসক হিসেবে আমি খুবই উদ্বিগ্ন এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তার শারীরিক পরীক্ষাগুলো না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের উদ্বেগ বা শঙ্কা কাটছে না,’ বলেছেন অধ্যাপক সিদ্দিকী।
‘আমরা তাকে দেখতে গিয়েছিলাম ৯ই জুন। সে সময় বিস্তারিতভাবে তার চেক আপ করি, বলেছেন অধ্যাপক সিদ্দিকী। ‘সে সময় পেশেন্টের অন্য সব শারীরিক লক্ষণ স্বাভাবিক দেখা গেলেও তার কথা সামান্য জড়িয়ে যাচ্ছিল বলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে। তিনি বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) যে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গিয়েছিলেন সেই ঘটনার কথাও খালেদা জিয়া মনে করতে পারছিলেন না। অধ্যাপক সিদ্দিকী জানান, স্ট্রোকের ঝুঁকির বাইরে, খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস এবং হাইপার টেনশনের শিকার। তার রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসও রয়েছে। কারাগারে তার রক্তচাপের ওপর নিয়মিতভাবে নজর রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সেটাও ঝুঁকির মাত্রা বাড়াচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ওনার একটা কন্সট্যান্ট পেইন আছে। ঘাড় থেকে বাঁ হাত বেয়ে ব্যথাটা পায়ের দিকে নেমে যায়।
এটা একটা নিউরোলজিকাল পেইন। এই ব্যথাটা এতই অসহ্য যে উনি অনেকক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকতে পারেন না। এই সমস্যা কিন্তু আগে ছিল না। তিনি বলেন, এই সমস্যা অতি সম্প্রতি তৈরি হয়েছে। সিএমএইচ-এর মতো প্রথম শ্রেণির হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে কেন আপত্তি, বিবিসির এই প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক সিদ্দিকী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার কারণে এখানে একটি আস্থার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এটা শুধু খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেই না, এই আস্থার প্রশ্নটি অন্য যে কোন রোগীর ক্ষেত্রেই ঘটে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
খালেদা জিয়ার অবনতিশীল স্বাস্থ্যের কথা উল্লেখ করে ডা. এফএম সিদ্দিকী জানান, এই মুহূর্তে খালেদা জিয়ার সবচেয়ে যেটা প্রয়োজন তা হলো ডপলার টেস্ট এবং বিশেষ ধরনের এমআরআই - যে মেশিনটি শুধু ইউনাইটেড হাসপাতালে রয়েছে।
ডাক্তার এফ এম সিদ্দিকীর বিশেষজ্ঞ মতামতে জানা গেল যে, বেগম খালেদা জিয়া মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। যে কোনো সময় তার জীবনে বড় বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। বোঝাই যাচ্ছে যে সরকার এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মোটিভ নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। তাই তারা তাকে ইউনাইটেডে না পাঠানোর জন্য ধনুর্ভঙ্গ পণ করেছেন। অনেকে তো এমন কথা বলতে চান যে, বেগম জিয়ার অকস্মাৎ বড় কিছু যদি ঘটে যায় তাহলে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় যাওয়ার পথের কাঁটা দূর হবে। কিন্তু জনগণের মনে আজ প্রশ্ন: এক্ষেত্রে বিএনপি কি করছে? খালেদা জিয়ার একটা কিছু ঘটে গেলে কি তারা রাস্তায় নামবে? কবে সেই অক্টোবর মাস আসবে, কবে নির্বাচনী তফসিল ঘোষিত হবে এবং কবে সরকার তার কঠোর অবস্থান শিথিল করবে, ততদিন কি বিএনপি বসে থাকবে? এর মধ্যে যদি ম্যাডামের বড় কিছু ঘটে যায় তখন কি হবে?
॥তিন॥
বিএনপি চিন্তাভাবনা করছে যে, অক্টোবরে তারা মাঠে নামবে। কিন্তু এর মধ্যে সরকার ঠিক করেছে যে, ইলেকশনের আগেই খালেদা জিয়ার অর্ফানেজ ট্রাাস্টের মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হবে। সেই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে সর্বোচ্চ আদালতে। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায় যে,  সরকার তার অন্তত ৪ টি মামলা ইলেকশনের আগেই নিষ্পত্তি করার জন্য অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যেই হাই কোর্টকে এই মামলার আপিল চূড়ান্তভাবে ফয়সালা করতে হবে। আজ রবিবার ঐ মামলাসহ আরো ৪ টি মামলা হাইকোর্টে শুনানির জন্য সরকার পক্ষ এবং দুদক হাইকোর্টে আবেদন জানাবে। খবরে আরো প্রকাশ, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অর্ফানেজ ট্রাস্ট মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছেন সেই নির্দেশ রিভিউ করা বা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাবে বিএনপি। সুপ্রিম কোর্ট বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যরিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন যে, এই ধরনের নির্দেশ দেওয়ার কোনো নজির সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে নাই। বিএনপি রিভিউ বা পুনর্বিবেচনার  জন্য যে আবেদন জানিয়েছে সেই আবেদন যদি গ্রাহ্য না হয় তাহলে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যেই বেগম জিয়ার রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাবে। যদি নি¤œ আদালতের সাজা বহাল থাকে তাহলে আগামী ৫ বছর তাকে কারাগারেই থাকতে হবে। এছাড়া তিনি নির্বাচনের অযোগ্য হবেন। অন্যদিকে দুদক উচ্চ আদালতে একটা নতুন মামলা করেছে। ঐ মামলায় বলা হয়েছে যে, নি¤œ আদালত বেগম জিয়াকে যে ৫ বছরের সাজা দিয়েছেন সেই সাজাটি অপ্রতুল। তাই এই সাজা বৃদ্ধির জন্য তারা হাইকোর্টে আর একটি আপিল দায়ের করেছেন।
যেখানে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বেগম জিয়ার রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ করতে চায় আওয়ামী লীগ সেখানে তাকে ৩১ জুলাইয়ের পূর্বেই জামিন দেওয়ার প্রশ্ন অবান্তর। তাই তার মাথার ওপর ৩৭ টি মামলার খড়গ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। একটিতে জামিন পেলে বা খালাস পেলে আর একটি। আর একটিতে জামিন বা খালাস পেলে ফের আরো একটি।  এইভাবে তার মাথার ওপর যে ৩৭ টি মামলার তরবারি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সেগুলোকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে।
॥চার॥
ইউনাইটেড হাসপাতালে বেগম জিয়ার ট্রিটমেন্টের ব্যাপারে সরকার কারাবিধির দোহাই দিচ্ছে। অথচ এই সরকার নিজেই ঐ সব কারাবিধি ভঙ্গ করেছে। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর একটি বিবৃতি থেকে জানা যায় যে, বর্তমান প্রধান মন্ত্রী কারাবন্দি থাকাকালীন স্কয়ার হাসপাতালে তিনবার চিকিৎসা নিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম আব্দুল জলিল ল্যাব এইডে, বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম ল্যাব এইডে, আ’লীগের প্রেসিডিয়াম  সদস্য শেখ সেলিম বারডেমে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাহলে এ সমস্ত আওয়ামী লীগ নেতা কোন  কারাবিধির বলে উল্লেখিত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন, সেসব প্রশ্নের কোনো জবাব নাই। তবে এসব ব্যাপারে বিএনপির বক্তব্যে যেমন দৃঢ়তা নাই, তেমনি তারা সমস্বরে এই কথাগুলো বলে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন সাব জেলে ছিলেন তখন তিনি কারাবন্দি থাকা অবস্থায় কানের চিকিৎসা নেওয়ার জন্য আমেরিকা গিয়েছিলেন। তখন আমেরিকায় রাষ্ট্রদূত ছিলেন জনাব হুমায়ুন কবির, যিনি এখন নিয়মিত টকশোতে আসেন। ঐ রাষ্ট্রদূত এবং তার অফিস শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল দিয়েছিলেন, যদিও তখন তিনি কাগজ-কলমে কারাবন্দি। এই সব কথা বিএনপি বলতে পারে না। আর বললেও মিনমিন করে বলে।
সারা দেশের মানুষ  এখন আওয়ামী লীগ বিরোধী। গণবিস্ফোরণ বা গণঅভ্যুত্থানের পরিস্থিতি বিরাজমান। প্রেইরী বনে দাবানল সৃষ্টি করার জন্য একটি গাছের একটি পাতাতে আগুন জ্বালানোই যথেষ্ট। গণঅভ্যুত্থান জনগণের অধিকার। আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল। বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের বিরুদ্ধেও গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল এবং সেই অভ্যুত্থানেই তার পতন ঘটেছিল। এখন বেগম জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন, নির্বাচনের আগে পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেওয়া- এসব দাবি আদায় করতে হলে প্রবল গণআন্দোলন ছাড়া আর কোনো পথ দেখা যাচ্ছে না। বিএনপি এবং ২০ দল কি সেই পথে যাবে? নাকি নির্বাচনের সহজ সরল গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেবে?

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ