ঢাকা, রোববার 24 June 2018, ১০ আষাঢ় ১৪২৫, ৯ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় সর্বোচ্চ মিনারের তালাবওয়ালা মসজিদ

খুলনা : তালাবওয়ালা জামে মসজিদ (পুরাতন তাবলিম মসজিদ) এর মিনার

রানা : ‘আধ্যাত্মিক সম্রাট’ হযরত খাজা খানজাহান আলী (র.) এর পদস্পর্শে ধন্য খুলনা। আর এ খুলনা মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রে ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘জামিআ ইসলামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসা’।
মাদরাসার মসজিদটির নাম তালাবওয়ালা জামে মসজিদ (পুরাতন তাবলিম মসজিদ)। আর এ মসজিদটিতে রয়েছে খুলনা বিভাগের সর্বোচ্চ মিনার, যার উচ্চতা দুইশ’ ২৬ ফুট।
মসজিদ ও মিনারটির পুরোটাই সাদা টাইলস দিয়ে তৈরি।
দূর দূরান্ত থেকে এ মিনারটি দেখতে দর্শনার্থীরা এখানে আসেন। মসজিদের তিন পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় সর্বোচ্চ এবং অন্যতম সুন্দর মিনার দেখে মুগ্ধ হন সবাই।
একটি মিনার ছাড়াও মসজিদটিতে রয়েছে চারটি গম্বুজ। এ মিনার থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে এলে মুসল্লিরা ইবাদত বন্দেগীর নুরানি জগতে প্রবেশ করতে ছুটে আসেন তালাবওয়ালা জামে মসজিদে।
খুলনা মহানগরীর মুসলমানপাড়ায় অবস্থিত জামি’আ ইসলামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসার তালাবওয়ালা জামে মসজিদের প্রধান গেইটকে বলা হয় ‘তালাবওয়ালা শাহী গেইট’।
মসজিদ ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা এ অঞ্চলের বিখ্যাত দানবীর মরহুম আব্দুল হাকীম জমাদ্দার।
ইসলামের সৌন্দর্যবোধ ও সৌকর্যকে অনুসরণ করে নির্মিত খুলনার জামি’আর জামে মসজিদ। এ মসজিদের সামনে ও পেছনে রয়েছে অসংখ্যা সুপারি ও নারিকেল গাছ।
প্রকৃতির এ সৌন্দর্য ও গাছের ছায়া মুসল্লিদের মনে বইয়ে দেয় প্রশান্তির সুবাতাস। রাতে তালাবওয়ালা শাহী গেইট দিয়ে প্রবেশ করতে বর্ণিল আলোকচ্ছটার বিকিরণ নজর কাড়ে সবার।
 আঁধারে আলোর রৌশনিতে জামি’আর জামে মসজিদের চারপাশ এক মোহনীয় পরিবেশ তৈরি করে। দুইশ’ ২৬ ফুট সুউচ্চ মিনারে রাতে একটিমাত্র উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক বাতি দূর-দূরান্ত থেকেও সবার মন ছুঁয়ে দেয়।
মসজিদটিতে পবিত্র রমযানে দুই ধরনের তারাবির নামাজ হয়।
এক হলো ৬ দিনে খতম তারাবি; দুই হলো ২৭ দিনে খতম তারাবি।
এ ব্যাপারে মসজিদের খতিব ও ইমাম মাওলানা মোশাররফ হোসেন জানান, প্রায় দুই হাজার মুসল্লি এখানে নামাজ আদায় করতে পারেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ