ঢাকা, রোববার 24 June 2018, ১০ আষাঢ় ১৪২৫, ৯ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নেত্রকোনা কলমাকান্দায় ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ খুন ॥ আটক ২

নেত্রকোনা সংবাদদাতা : নেত্রকোনা কলমাকান্দার গৃহবধূ ময়না আক্তার মনিকে (৪২) ছুকিাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ময়না আক্তার মনি কৈলাটী ইউনিয়নের কুনিয়া চারিয়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২১ জুন)  রাতে ছুকিাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে স্থানীয় সিধলী তদন্ত ফাঁড়ির পুলিশ শুক্রবার দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জেলার কলমাকান্দার কুনিয়া চারিয়া গ্রামের গৃহবধূ ময়না আক্তার মনি প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার রাতের খাবার খেয়ে স্বামী সাইফুল ইসলামের সাথে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ওই ঘরে প্রবেশ করে উপর্যুপরি ছুকিাঘাত করে। এ সময় স্বামী সাইফুল ইসলাম জেগে উঠে ডাক চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এতে গৃহবধূ ময়না আক্তার মনি ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
এলাকাবাসী জানান, ময়না আক্তার মনির এটি দ্বিতীয় বিয়ে। আগের স্বামী আলাল উদ্দিন, সেখানে তার পাঁচটি সন্তান রয়েছে। পুলিশ হত্যাকান্ডের পর ময়না আক্তারের স্বামী সাইফুল ইসলামসহ দুইজনকে ঘটনাস্থল থেকে শুক্রবার বিকেলে আটক করেছে।
 সিধলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সিরাজুল ইসলাম খান জানান, মহিলার বুকে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ভোগান্তিতে শতশত যাত্রী : নেত্রকোনা জেলা বাস টার্মিনাল গণপরিবহনে যাত্রীদের জিম্মি করে বেশি ভাড়া আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার  সরজমিনে গিয়ে দেখা মিলল হযরত শাহাজালাল গাড়ির কাউন্টার বন্ধ, টিকিটের অপেক্ষায় বসে আছে শতশত যাত্রী।
যাত্রীদের একজন আশিক জানায়, কাউন্টার বন্ধে রেখে ২৫০ টাকার ভাড়া বাহির থেকে যাত্রী উঠিয়ে ৬০০ টাকা করে নিচ্ছে হযরত শাহাজালাল পরিবহন।
অতিরিক্ত ভাড়া দিতে অস্বীকার করায় বাসের হেলপার ও কনডাক্টরের হাতে লাঞ্চিত হচ্ছেন যাত্রীরা। ভাড়া নৈরাজ্য করে বাস চলাচলের কারণে যাত্রীরা এ রোদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকেও গাড়ি টিকিট পাচ্ছে না। একই দূরত্বে একেক বাসে একেক হারে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। কেই নিচ্ছে ৪০০ টাকা, কেই নিচ্ছে ৫০০ টাকা আবার কেউ কেউ ৬০০ টাকা যাত্রী উঠাচ্ছে।
বাসের গায়ে সিটিং সার্ভিস ও গেইটলক লিখে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার দ্বিগুণ,পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রীও বহন করা হচ্ছে। সিটিং বাসে দাঁড়িয়ে যাত্রী বহনের কারণে যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের সাথে প্রায়শ বচসা, হাতাহাতি-মারামারি ঘটনাও ঘটছে। প্রশাসন, মালিক, শ্রমিক সংগঠন ও পুলিশ কারো কোন সহযোগিতা না পেয়ে এই নৈরাজ্যর কাছে যাত্রীরা আত্মসমর্পণ করে বেশি বাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
 জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফ খান জনান, কিছু বাসের হেলপাররা এই ধরনে কাজ করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। আমি নিজে বাস টামিনালে থেকে এখন  তদারকি করছি। তবে এখন বন্ধ আছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ