ঢাকা, রোববার 24 June 2018, ১০ আষাঢ় ১৪২৫, ৯ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনা-সাতক্ষীরা রুটে বাস যাত্রীদের সীমাহীন ভোগান্তি

খুলনা অফিস : খুলনা থেকে সাতক্ষীরা রুটে বাস যাত্রীদের ভোগান্তির কমতি নেই। একদিকে বেহাল রাস্তা আর অন্যদিকে বাস চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদের স্বেচ্ছাচারিতা। এছাড়া এক শ্রেণির দালালদের দৌরাত্ম্য রয়েছেই।

ঈদ উল ফিতর শেষে গ্রাম থেকে শহরে ফিরছে শহুরে মানুষেরা। সাতক্ষীরা থেকে খুলনায় যাতায়াতের জন্য রয়েছে বাস সেবা। এছাড়া ইজিবাইক, মাহেন্দ্রার মতো পরিবহণ রয়েছে খ-খ- যাত্রার জন্য। কিন্তু কেউ ইচ্ছে করে আর সময় অপচয়ের কথা চিন্তা করে তাতে চড়তে চায় না। কিন্তু বসে থেকে লাভ কি? বাসগুলোও চলছে তাদের সুবিধামতো। সাতক্ষীরা থেকে গাড়িতে ওঠাতে পারলেই যেন যাত্রীরা গাড়ি সংশ্লিষ্টদের নিয়ন্ত্রণে। কারও কিছু করার নেই। এদিকে সিট দেয়ার কথা বলে গাড়িতে তুলতে পারলে আর যেন তার ভাগ্যে জোটেনা সিট। দাঁড়িয়ে কষ্ট করে পাড়ি দিতে হয় সাতক্ষীরা থেকে খুলনা ৫৭ কিলোমিটার পথ। বাসের ভেতরে সুপারভাইজারদের সাথে কথা বলেও যেন কোনো লাভ হয় না। এদিকে গাড়িতে তোলার জন্য অনেকজন থাকলেও গাড়ি ছাড়ার পরে আর তাদের পাওয়া যায় না। এছাড়া অনেক যাত্রী ভাড়ার কথা চুক্তি করে উঠলেও সংশ্লিষ্ট বাসের সুপারভাইজার চিনতে না পারলে লাভ নেই। পরিশোধ করতে হয় সম্পূর্ণ ভাড়া। কারও ভাড়া ৯০ টাকা, কারও ৮০ আর কারও কাছ থেকে ৭০ টাকাও নেয়া হয়। এদিকে সময়ের ব্যাপারেও রাতের বেলা খুব বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় না। যাত্রীদের কথা বলাও যেন বৃথা হয়ে যায়।

সাতক্ষীরা থেকে গাড়িতে ওঠা তাছলিমা বেগম বলেন, তিনি কাউন্টার থেকে গাড়িতে উঠেছেন। সেখান থেকে খুলনা রোডে এসে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা। কাউন্টার থেকে টিকিট দেয়া হলেও বাকি পথে যাত্রী ওঠালে আর টিকিট দেয়া হয় না। ভাড়াও বিভিন্ন রকম নেয়া হয়।

আব্দুর রহমান নামের এক যাত্রী বলেন, সিট আছে বলে একবার গাড়িতে ওঠাতে পারলেই আর কোনো খোঁজ থাকে না। ভাড়াও কম নেয় না। ভাড়া কম দেয়ার কথা চুক্তি করে কেউ ওঠালে ওই সুপারভাইজার তা মানতে চায় না।

আব্দুল কাদের নামের এক সুপারভাইজার বলেন, ভাড়া সকলের কাছ থেকে একই রকম নেয়া হয়। গাড়িতে ওঠানোর আগে অন্য কেউ চুক্তি করে কিনা তা তারা বলতে পারেন না।

সোহরাব হোসেন নামের এক বাস চালক বলেন, তারা তাদের সমিতির নির্ধারিত সময় মোতাবেক যাতায়াত করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ