ঢাকা, রোববার 24 June 2018, ১০ আষাঢ় ১৪২৫, ৯ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় দফায়-দফায় বাড়ছে চালের দাম!

খুলনা অফিস : চালের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করে নিলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি চালের বাজার। ফের উর্ধ্বমুখি হয়ে উঠছে চালের বাজার। গেল রোজার মাসে বাজেট ঘোষণার কিছুদিন পর থেকে চালের বাজার অস্বাভাবিক হতে শুরু করে। আর বর্তমানে চালের দাম কেজি প্রতি প্রায় চার টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতীয় চালের পর্যাপ্ত আমদানি থাকার পরও চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে না আসার পেছনে মজুদদারদের সিন্ডিকেটকেই দায়ী করা হচ্ছে। চালের মূল্য বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়ছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের ভোক্তারা।       

নগরীর খুচরা বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, কেজি প্রতি মোটা চাল (স্বর্ণা) ৪২ টাকা, আটাশ বালাম (মাঝারি) ৪২-৪৪ টাকা, মিনিকেট (ভালো মানের) ৬০ টাকা, মিনিকেট (মাঝারি মানের) ৫২-৫৪ টাকা, বাসমতি ৬২-৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ ১০/১২ দিন আগে মোটা চাল (স্বর্ণা) ৩৮ টাকা, আটাশ বালাম (মাঝারি) ৪২-৪৩ টাকা, মিনিকেট (ভালো মানের) ৫৮-৫৯ টাকা, মিনিকেট (মাঝারি মানের) ৫২-৫৩ টাকা, বাসমতি ৬২-৬৩ টাকা দরে বিক্রি হয়।  

নগরীর বড় বাজারের চাল ব্যবসায়ী খায়রুল আলম বলেন, সদ্য বাজেট ঘোষণার কিছুদিন পর থেকেই চালের বাজার উর্ধ্বমুখি হতে শুরু করে। বাজারে ভারতীয় চালের পর্যাপ্ত আমদানি রয়েছে। এরপরও কয়েক দিনের ব্যবধানে মোটা চালের দাম কেজি প্রতি প্রায় চার টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাজেট ঘোষণার আগে মোটা চাল (স্বর্ণা) খুচরা বাজারে ৩৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বাজারে আসা খুচরা ব্যবসায়ী মো. লিয়াকত আলী বলেন, মোটা চালের দাম দিন দিন বাড়ছে। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে মোটা চালের দাম কেজি প্রতি সাড়ে তিন টাকা বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।  

নগরীর বড় বজারের বাবুল স্টোরের কর্মচারী মিজানুর রহমান বলেন, মোটা চালের দাম একটু বাড়তি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের কাছ থেকে মিল মালিকরা কম দামে ধান কিনে মজুদ করে রাখে। পরে কৃত্রিম সংকটের অজুহাত দেখিয়ে তারা ইচ্ছামত দাম বাড়িয়ে দেয়। বড় বাজারের মেসার্স সাগর ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুর রব বলেন, মিলারদের কারসাজির কারণেই চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই ভাবে মেসার্স দিনাজপুর ভাণ্ডারের এক কর্মচারী বলেন, চালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর মোটা চালের দাম একটু বেশি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ