ঢাকা, মঙ্গলবার 26 June 2018, ১২ আষাঢ় ১৪২৫, ১১ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

জয়ের লক্ষ্যে আজ মাঠে নামবে  ফ্রান্স ও  ডেনমার্ক

স্পোর্টস ডেস্ক : সি-গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে আজ মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও ডেনমার্ক। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। অন্যদিকে  এক জয় ও এক ড্র নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকা ডেনমার্ক  এক পয়েন্ট পেলেই পরবর্তী রাউন্ডে উঠে যাবে। আজকের ম্যাচে প্রথম একাদশে ফিরতে চান ফ্রান্সের বায়ার্ন মিউনিখ মিডফিল্ডার কোরেনটিন টলিসো। অস্ট্রেলিয়ার  বিপক্ষে ফ্রান্সের ২-১ গোলে জয়ের প্রথম ম্যাচটিতে ৭৮ মিনিট  মাঠে ছিলেন টোলিসো। কিন্তু পেরুর বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচটিতেই ব্লেইস মাতোদির কাছে তাকে মূল একাদশের জায়গা ছেড়ে দিতে হয়েছে। মস্কোতে অনুষ্ঠিত গ্রুপের শেষ ম্যাচে অবশ্য আবারো দলে ফিরে আসার ব্যাপারে আশাবাদী টোলিসো। এ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজের পারফরমেন্স আমি পর্যবেক্ষণ করেছি। ব্লেইস আসার পরে যে পার্থক্য হয়েছে সেটাও আমি ধরতে পেরেছি। তাকে খেলানোর যৌক্তিকতা আছে। যে কারণে পেরুর বিপক্ষে আমি খেলতে পারিনি। কিন্তু এখনো আমার বিশ্বকাপে খেলার আশা আছে। আবারো সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা দিব।’

আজকের ম্যাচে সুযোগের অপেক্ষায় ড্যানিশ স্ট্রাইকার কাসপার ডলবার্গ। ড্যানিশ সমর্থকদের প্রত্যাশা ফ্রান্সের বিপক্ষে তরুণ এই স্ট্রাইকার যেন মাঠে নামার সুযোগ পায়। ২০ বছর বয়সী ডলবার্গও  অবশ্য কোচ আজে হারেইদির সমালোচনা করা থেকে বিরত থেকেছেন। ড্যানিশ গণমাধ্যমে তিনি বলেছেন, ‘ম্যাচ খেলতে সুযোগ না পেলে অবশ্যই সকলে হতাশ হবে। বিষয়টা এমন নয় যে আন্দ্রেস করনেলিয়াসের থেকে মূল একাদশে সুযোগ পাওয়াটা আমার প্রাপ্য ছিল। অবশ্যই আমি সুযোগের অপেক্ষায় আছি।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দারুণ এক গোল করার পাশাপাশি পেরুর বিপক্ষে একমাত্র গোলে এসিস্ট করে ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন আবারো ডেনমার্কের হয়ে জ্বলে ওঠার অপেক্ষায় আছে। ফ্রান্সের শক্তিশালী মধ্যমাঠ এরিকসেনকে কিভাবে প্রতিহত করে সেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। টটেনহ্যামের এই তারকা ডেনমার্কের হয়ে শেষ ২০ ম্যাচে ১৭ গোল করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ফ্রেঞ্চ মূল একাদশে ছিলেন না চেলসি তারকা অলিভার জিরুদ। কিন্তু পেরুর বিপক্ষে আক্রমণভাগের মূল দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ডেনসের বিপক্ষে ফ্রান্সের সর্বশেষ তিনটি গোলের তিনটিই করেছেন জিরুদ। এর আগে বিশ^কাপে দুইবার মুখোমুখি হয়েছেন ডেনমার্ক ও ফ্রান্স। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স ২-১ ব্যবধানে জিতলেও ২০০২ সালে ডেনমার্ক জিতেছিল ২-০ গোলে। ১৯৮৪ ইউরো, ১৯৯২ ইউরো, ১৯৯৮ বিশ্বকাপ, ২০০০ ইউরো ও ২০০২ বিশ্বকাপের পরে এই নিয়ে ষষ্ঠ বড় কোন টুর্নামেন্টে এই দুই দেশ একে অপরের মোকাবেলা করছে। এর আগে পাঁচটি টুর্নামেন্টের তিনটিতেই জয়ী হয়েছিল ফ্রান্স। ডেনমার্কের বিপক্ষে শেষ সাতটি ম্যাচের মধ্যে ৬টিতেই জয়ী হয়েছে ফ্রান্স। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ