ঢাকা, মঙ্গলবার 26 June 2018, ১২ আষাঢ় ১৪২৫, ১১ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বহু প্রতিভার অধিকারিণী নীলিমা ইব্রাহীম

রহিমা আক্তার মৌ : মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন হবার পর অনেকেই দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাদের সাথে তিনিও ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধে হানাদার কর্তৃক নির্যাতিত নারীদের পুনর্বাসন ও তাদের বেঁচে থাকার প্রেরণা যোগাতে যিনি নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। নিজ উদ্যোগে অনেক বীরাঙ্গনা নারীকে সদ্য স্বাধীন দেশে সম্মানের সাথে বসবাসের জন্য প্রতিষ্ঠিত করেন। মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান ও শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মান যার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফসল। বলছি তাঁরই কথা যিনি নির্যাতিতা নারীদের নিয়ে লিখেছেন তাঁর জীবনের অন্যতম কালজয়ী প্রামাণ্য গ্রন্থ ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি।’ হ্যাঁ আমাদের সকলের মহীয়সী নারী  সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী নীলিমা ইব্রাহিম। তাঁকে আমরা   নীলিমা ইব্রাহিম নামে চিনলেও আগে তাঁর নাম ছিলো নীলিমা রায় চৌধুরী।
বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে ১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন নীলিমা রায় চৌধুরী। পিতা প্রফুল্লকুমার রায় চৌধুরী এবং মাতা কুসুমকুমারী দেবী। মেয়েবেলায় খুব দুরন্ত ও চঞ্চল প্রকৃতির হলেও লেখাপড়ায় বরাবরই মেধাবী ছাত্রী হিসাবে ছিলেন নীলিমা রায় চৌধুরী।
তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে। খুলনা করোনেশন গার্লস্ স্কুল হতে ১৯৩৫ সালে প্রথম বিভাগে মেট্রিক পাশ করে ভর্তি হন কলকাতার বিখ্যাত ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশনে। সেখান থেকেই ১৯৩৭ সালে উচ্চমাধ্যমিক ও ১৯৩৯ সালে অর্থনীতিতে অনার্স সম্পন্ন করেন। অর্থনীতিতে এম.এ.পড়া শুরু করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে । কিন্তু মায়ের অসুস্থতার জন্যে সে বছর আর এম. এ. করা হয়ে উঠেনি। অত:পর স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বি.টি. সম্পন্ন করেন। মনে মনে এম.এ পাসের অদম্য ইচ্ছাটা রয়েই যায়। বি.টি করার পর এম.এ করার জন্যে আবার ভর্তি হলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায়, এখানে থেকেই ১৯৪৩ সালে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। ১৯৪৫ সালে তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম ‘বিহারীলাল মিত্র গবেষণা’ বৃত্তি লাভ করেন।
নীলিমা রায় চৌধুরীর পিতৃকুল আভিজাত্য ও অর্থনৈতিক দিক থেকে ছিল সমৃদ্ধ একটি বংশ। এ পরিবারে ব্রিটিশ বিরোধিতা ও স্বাদেশিক আন্দোলনের যে প্রভাব ছিল নীলিমা রায় চৌধুরীও তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। পরিবারে রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য চর্চার প্রভাব ধারণ করে নিজের জীবন গঠনে অগ্রসর হয়েছিলেন।
প্রেমসুত্রে জড়িয়ে পড়েন ইন্ডিয়ান আর্মি মেডিকেল কোরের ক্যাপ্টেন ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম এর সাথে। পারিবারিক আপত্তি থাকা সত্বেও  ১৯৪৫ সালে তারা বিয়ে করেন। পরের বছর তিনি স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় এসে বসবাস করতে থাকেন। ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বিয়ের পর থেকে তিনি নীলিমা ইব্রাহিম নামেই পরিচিত হয়ে উঠেন।
পাঁচ কন্যার জননী ছিলেন নীলিমা ইব্রাহিম, কোনো পুত্রসন্তান না হওয়ায় তার মনে একটা খেদ ছিল। এ জন্য তিনি তার ছোট মেয়েকে ছেলেদের প্যান্ট-শার্ট পরিয়ে রাখতেন।
১৯৪৬-১৯৫৪ সাল পর্যন্ত নয়টি বছর তিনি পুরোপুরি সংসারী হয়ে পড়েন। বিয়ের পর ঢাকায় এসে শ্বশুরবাড়ী গেন্ডারিয়ায় থাকতে শুরু করে। এখানেই তাঁর প্রথম সন্তান খুকুর জন্ম হয়। স্বামীর চাকরির কারণে তাকে পিরোজপুর, যশোর, বরিশাল, খুলনায় অনেকদিন থাকতে হয়। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও লেখাপড়ায় কিছু ব্যাঘাত ঘটে।
নীলিমা ইব্রাহিমের কর্মজীবন শুরু হয় কলকাতার লরেটো হাউসে। ১৯৪৩-৪৪ সালে লেকচারার হিসেবে চাকরি করেন। এরপর ১৯৪৪-৪৫ তিনি ভিক্টোরিয়া ইন্সটিটিউশনের লেকচারার হিসাবেও ছিলেন। ১৯৫৬ সালে তিনি আবারও পড়াশোনা শুরু করেন এবং ঐ বছর জুন মাসেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।
নীলিমা ইব্রাহিম বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী উন্নয়ন সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমীর ফেলো এবং বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি, বাংলাদেশ রেড ক্রস সমিতি ও বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির আজীবন সদস্য ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসাবে যোগদানের পর উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামে দেশের জন্য, দেশের স্বাধীনতার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন নীলিমা ইব্রাহিম। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্যাম্পাসেই ছিলেন। নিজ চোখে দেখেছেন পাকিস্তানি নরঘাতক সেনাদের তান্ডব। ২৭ তারিখ ক্যাম্পাস ছেড়ে নারিন্দায় গেলেন, ৩০ মার্চ ঢাকা ছাড়েন। আবার আগস্টে ফিরে আসেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অর্থ সংগ্রহ, প্রচারপত্র বিলিসহ ছাত্র-ছাত্রীদের সংঘবদ্ধ করে মুক্তিসংগ্রামে প্রেরণের জন্য কাজ করেছেন। অবশ্য এজন্য তাকে তৎকালীন সামরিক শাসক টিক্কা খানের বিরাগভাজন হতে হয়েছে। তাকে টিক্কা খান তার অন্তর্ঘাতী কর্মকান্ডের জন্য কঠোর ভাবে হুশিয়ার করে সতর্কপত্র দেন যা জাতীয় যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নীলিমা ইব্রাহিম আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে যান।
যুদ্ধপরবর্তী সময়ে নীলিমা ইব্রাহিম নারী পুনর্বাসন বোর্ডের সদস্য হিসাবে বিভিন্ন নারী পুনর্বাসন কেন্দ্রে ঘুরে বেড়িয়েছেন, বীরাঙ্গনাদের বেঁচে থাকতে উৎসাহ দিয়েছেন অবিরাম। এভাবেই তার সুযোগ হয়েছিল বীরাঙ্গনা নারীদের সাথে কথা বলার। তিনি বিভিন্ন সময়ে অনেক বীরাঙ্গনাদের সাথে কথা বলে জেনেছেন তাদের নির্যাতনের ইতিহাস। কতটা নিষ্ঠুর ও অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তারা। তিনি এ সমস্ত বীরাঙ্গনাদের মাত্র কয়েকজনের ঘটনা সংকলন করেছেন “আমি বীরাঙ্গনা বলছি” নামক স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থে।
১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু তাঁকে বাংলা একাডেমির দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সরাসরি প্রস্তাব দেন, শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে বললে তিনি সবিনয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেন। অবশেষে তাঁকে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক পদে জোর করে নিয়োগ দেয়া হয়। একই সাথে তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ এর দায়িত্বও দেয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি অধ্যাপক নুরুল মোমেন, আসকার ইবনে শাইখ, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতার সঙ্গে নীলিমা ইব্রাহীম যুক্ত হয়ে পড়েন নাট্যচর্চায়। এই নাট্যচর্চার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে নবগঠিত বুলবুল একাডেমীতে ক্লাশ নিতেন নাটকের উপর। এক সময় নাটকও লিখেছেন তিনি। তাঁর লেখা প্রথম নাটক ‘মনোনীতা’ যা মঞ্চস্থ হয় বুলবুল একাডেমীর ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে। ১৯৬২-৬৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘রঙ্গম’ নামের একটি নাট্য সংস্থা। এ সময় তিনি রেডিও টেলিভিশনের জন্য ও প্রচুর নাটক লিখেছেন।
নয় মাসের মুক্তির সংগ্রামে আমাদের স্বাধীনতা আসে, এই স্বাধীনতা সংগ্রামে আমাদের বীর নারীরা কত কি হারিয়েছে তার অনেক কিছুই উঠে এসেছে নীলিমা ইব্রাহীম এর জীবনের অন্যতম  কালজয়ী প্রামাণ্য গ্রন্থ ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’ বইতে। তিনি আরো প্রকাশ করেছেন কীভাবে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী স্বাধীন বাঙলাদেশের সমাজ একাত্তরের অমর আর অজেয় বীরাঙ্গনাদের অবদান অস্বীকার করেছে। শুধু সমাজ নয়, বীরাঙ্গনাদের পরিবারও তাঁদের গ্রহণ করতে রাজি হয়নি। অস্বীকার করেছে বাবা, অস্বীকার করেছে স্বামী। ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি।’ যেখানে ফুটে উঠেছে স্বাধীনতা যুদ্ধের বীরাঙ্গনাদের উপর ঘটে যাওয়া নারকীয় বর্বরতার বাস্তব কাহিনী।
শরৎচন্দ্র, মাইকেল, মধুসূদন, বেগম রোকেয়া, বাংলা নাটক ও অন্যান্য বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেন তিনি। প্রবন্ধ-গবেষণা, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, অনুবাদ, ভ্রমণকাহিনী ও আত্মকথাথ প্রতিটি ক্ষেত্রেই সার্থকতা লাভ করেন।  শিক্ষাজীবনেই সাহিত্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পরে সাহিত্যকর্মে গভীরভাবে মনোনিবেশ করেন।
সাহিত্য রাজনীতির পাশাপাশি অনেক সংগঠন এর উচ্চ আসনে ছিলো তাঁর কাজ। তিনি বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সভানেত্রী এবং কনসার্নড উইমেন ফর ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের বোর্ড অফ গভর্নরসের চেয়ারপারসন হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইন্টারন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অফ উইমেনের সভানেত্রী এবং অ্যাসোসিয়েটেড কান্ট্রি উইমেন অফ দি ওয়ার্ল্ড-এর সাউথ ও সেন্ট্রাল এশিয়ার এরিয়া প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
একটা পরিচয়ের চেয়ে আরেকটা পরিচয়,তাঁর ক্ষেত্রে কোনটাই কোনটার চেয়ে কম নয়, তিনি  বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সমাজসেবী, সংস্কৃতিবিদ, সংস্কৃতিসেবী, নারী সংগঠক ও মুক্তবুদ্ধির চিন্তক। সত্য ও ন্যায়ের প্রতি স্থির, অবিচল ছিলেন তিনি  জ্ঞান ও প্রজ্ঞাকে সম্বল করে। এ মানুষটি দেশ, জাতি, সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি ইত্যাদি যাবতীয় ধারণাকে নিজের মতো করে বিশ্লেষণ করেছিলেন। নিজের কণ্ঠকে উচ্চারিত করেছিলেন স্বতন্ত্রভাবে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থেকে বিদেশে সেমিনারে অংশগ্রহণ, প্রবন্ধ উপস্থাপন ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন নিষ্ঠার সঙ্গে। ১৯৬৮ সালে তিনি বার্লিন, মিউনিখ ও ফ্রাংফুর্টে অনুষ্ঠিত ‘আন্তর্জাতিক বিশ্ব সমবায় সম্মেলন’-এ পূর্ব পাকিস্তান প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এবং ১৯৭৩-এ নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘আন্তর্জাতিক ওয়ান এশীয় সম্মেলন’-এ অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি বাংলাদেশের একমাত্র নারী প্রতিনিধি হিসেবে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নারী কংগ্রেসে যোগদান করেন।
নীলিমা ইব্রাহিম বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো : গবেষণা শরৎ-প্রতিভা, বাংলার কবি মধুসূদন,ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি সমাজ ও বাংলা নাটক, বাংলা নাটক : উৎস ও ধারা, বেগম রোকেয়া, বাঙ্গালীমানস ও বাংলা সাহিত্য, সাহিত্য-সংস্কৃতির নানা প্রসঙ্গ, ছোটগল্প রমনা পার্কে, উপন্যাস বিশ শতকের মেয়ে, এক পথ দুই বাঁক , কেয়াবন সঞ্চারিণী , বহ্নিবলয়, নাটক দুয়ে দুয়ে চার, যে অরণ্যে আলো নেই, রোদ জ্বলা বিকেল, সূর্যাস্তের পর, কথানাট্য আমি বীরাঙ্গনা বলছি, অনুবাদ এলিনর রুজভেল্ট,  কথাশিল্পী জেমস ফেনিমোর কুপার, বস্টনের পথে, ভ্রমণকাহিনী শাহী এলাকার পথে পথে, আত্মজীবনী বিন্দু-বিসর্গ  ইত্যাদি। যোগ্যতার পুরস্কার ও পেয়েছেন তেমনি। বাংলা একাডেমী পুরস্কার, জয়বাংলা পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন পুরস্কার, লেখিকা সংঘ পুরস্কার,  বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী স্মৃতিপদক, অনন্য সাহিত্য পুরস্কার, বেগম রোকেয়া পদক, বঙ্গবন্ধু পুরস্কার,  শেরেবাংলা পুরস্কার, থিয়েটার সম্মাননা পদক  ও একুশে পদক।
এই মহীয়সী নারী ২০০২ সালের ১৮ জুন ঢাকায় নিজ বাস-ভবনে মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুর পর তাঁকে শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে সমাহিত করা হয়। মুক্তবুদ্ধি, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও উদার মানবিকতা ছিল তাঁর জীবনদর্শন। নীলিমা ইব্রাহিম বেঁচে থাকতে যেমন মানুষের শুভ ও কল্যাণ চেতনায় আস্থাশীল ছিলেন। মৃত্যুর পর ও ঠিক তাই আছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ