ঢাকা, মঙ্গলবার 26 June 2018, ১২ আষাঢ় ১৪২৫, ১১ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রূপসা ঘাটে নোংরা পানিতে সয়লাব ভোগান্তিতে দর্শনার্থীরা

খুলনা অফিস : বিনোদনপ্রেমীদের মনোযোগ আর্কষণ করছে রূপসা ঘাট। সে কারণে কেসিসি’র পক্ষ থেকে ঘাটের পাড় বেঁধে দেয়া হয়েছে। দর্শনার্থীদের বসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে বসতে পারছে না দর্শনার্থীরা। এ বাঁধে কোন ধরনের ড্রেন বা পানি বের হওয়ার ছিদ্র না থাকায় বৃষ্টির পানি জমছে সেখানে। ফলে এখানে শুধু ব্যয় হয়েছে কিন্তু দর্শনার্থীদের কোন লাভ হয়নি বলে মনে করছেন আগত দর্শনার্থীরা।
শহরের কোলাহল এবং যান্ত্রিক জীবনে কিছুটা প্রশান্তি পেতে মানুষ ভিড় করছে রূপসা ঘাট এলাকায় এবং দিন দিন দর্শনার্থীর আনাগোনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এর পক্ষ থেকে তৈরি করা হয়েছে বাঁধ এবং দর্শনার্থীদের বসার স্থান। যেখানে বসে সহজে দর্শনার্থীরা রূপসা নদী পাড়ের নির্মল বাতাস উপভোগ করতে পারে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের সামান্য একটু অসচেতনতার কারণে সেখানে বসতে পারছে না দর্শনার্থীরা। এ বাঁধের ভেতরে প্রতিনিয়ত বৃষ্টির পানি জমছে। নোংরা পানির কারণে বসার জায়গাগুলোতে যেতে পারছে না মানুষ।
কেসিসি ব্যয় করেছে কিন্তু মানুষের কোনো উপকারে আসেনি বলে মনে করেন খুলনা বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র মো. সাফায়েত উল্লাহ। তিনি জানান, গতকাল বৃষ্টি হয়েছে বলে এখানে দুর্গন্ধ এবং মশা কম।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. সাদিক জানান, এখানে প্রায়ই আসি। কিন্তু বসার স্তম্ভগুলোর পাশে যেতে নোংরা পানি পাড়ি দিতে হয়। কেসিসি কাজটা করলো কিন্তু পানি সরানোর পথ রাখলনা কেন বুঝলাম না।
নতুন বাজার এলাকার মো. রাফি জানান, মানুষ প্যান্ট তৈরি করলেতো চেনের জায়গা রাখে কিন্তু কেসিসি বাঁধ এবং বসার জায়গা তৈরি করলো কিন্তু পানি সরানোর ব্যবস্থা রাখেনি।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, টাকা খরচ করেছে কেসিসি কিন্তু সামান্য খেয়ালের অভাবে এতো সমস্যা। একটু খেয়াল করলে দর্শনার্থীদের কত ভাল হতো।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের এস্টেট অফিসার মো. নূরুজ্জামান তালুকদার জানান, বিষয়টা সরেজমিনে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে প্রাথমিকভাবে আমি দেখেছি খুব শিগগিরই ড্রেন তৈরি করে পানি সরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ