ঢাকা, মঙ্গলবার 26 June 2018, ১২ আষাঢ় ১৪২৫, ১১ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চট্টগ্রামে পাহাড়ের ক্ষয়রোধে “বিন্নাঘাস” প্রকল্প উদ্বোধন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বাংলাদেশ সরকার থাইল্যান্ডের রাজতন্ত্র ও থাইল্যান্ড সরকারের রাজ পরিবারের সাইপাতানা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় সমূহের ক্ষয়রোধ কল্পে বিন্না ঘাস প্রকল্প বাস্তাবায়ন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাস, বাটালীহিল মিঠাপাহাড়ের পাদদেশে ৩০ মে   সকালে ভেটিভার গ্রাস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার “বিন্না ঘাস” প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়।
 থাইল্যান্ডের রাজকন্যা মহাচক্রী সিরিনধরণ বিন্না ঘাস রোপন ও বিন্নাঘাস প্রদর্শনী অবলোকন করে এ প্রকল্পের  উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র   আ জ ম নাছির উদ্দীন স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এতে   বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী এমপি,সাইপাতানা ফাউন্ডেশনের ডেপুটি সেক্রেটারী গৎ. খধষরঃ ঞযধহড়সংরহম, বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত গরংং চধহঢ়রসড়হ ঝঁধিহহধঢ়ড়হমংব বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে ভেটিভার রিসোর্স একটিভিটি এবং ভেটিভার সেন্টার বাংলাদেশের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বিন্না ঘাস প্রকল্পের নানা দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে রাজকন্যা উপস্থিত হলে সিটি মেয়র তাঁকে ফুলের শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন এবং বাংলাদেশের জামদানী শাড়ী এবং হাতির প্রতিকৃতি উপহার দেন। রাজকন্যা  মেয়র, মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের হাতে বিন্না ঘাস তুলে দেন।
এতে  স্বাগত বক্তব্যে  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র   আ জ ম নাছির উদ্দীন  থাইল্যান্ডের রাজকন্যাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ একটি দেশ। জলবায়ুর প্রভাবের কারণে এদেশে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, অতিবৃষ্টি ও ভূমিধস সহ নানা দুর্যোগে প্রাণহানির পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সম্পদের ক্ষতি হয়।
দেশের কৃতী সন্তান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম  এর পাহাড়ের ক্ষয়রোধ কল্পে উদ্ভাবিত বিন্নাঘাস বা জাদুর ঘাস থাইল্যান্ডে সাফল্য আনার পর বাংলাদেশের চট্টগ্রামে সাইপাতানা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় ভেটিভার গ্রাস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার আজ স্থাপিত হলো।
এখান থেকে গবেষণার মধ্য দিয়ে নগরীর বিভিন্ন পাহাড়ে পরিবেশ ও বন বিভাগের সহযোগিতায় পাহাড়ের ক্ষয়রোধে বিন্নাঘাস প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আশা করেন, এ প্রকল্পটি আরো সম্প্রসারিত করা হবে। ভূমিধস ঠেকাতে বিন্নাঘাস প্রকল্প সুফল বয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মেয়র। মেয়র আরো বলেন, মুষলধারে বৃষ্টির কারণে গত বছরের ১১ জুন নগরে ১২৮ জন মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। এ ধরণের প্রাণহানি থেকে ভেটিভার গ্রাস প্রকল্প পাহাড়ের ধস রোধ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ