ঢাকা, বুধবার 27 June 2018, ১৩ আষাঢ় ১৪২৫, ১২ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় প্রাথমিকের ডিডি ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা!

খুলনা অফিস : খুলনায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালকের (ডিডি) ভবন নির্মাণে জটিলতা কাটেনি। ভবনের নির্ধারিত স্থানে পুকুরে পাইলিং ব্যয় ইস্টিমিটে না থাকায় এরই মধ্যে ঠিকাদারের সাথে চুক্তিপত্র বাতিল করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। পরে নতুন করে ভবন নির্মানের নকশা প্রণয়ন হলেও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ভবনটি নির্মাণ করা যাচ্ছে না। নতুন অর্থবছরে নতুন প্রকল্পের আওতায় ভবনটি নির্মাণ করা হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

জানা যায়, খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের নিজস্ব কার্যালয় না থাকায় যাবতীয় কার্যক্রম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা ভবনের দোতলার কয়েকটি কক্ষে করা হয়। সরকারিভাবে ভবন নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ার পর এলজিইডি নকশা প্রণয়ন ও প্রাক্কলন তৈরি করে। ওই হিসেবে ভবন নির্মাণে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৩) প্রকল্পের আওতায় ২ কোটি ৮৪ লাখ ২৯ হাজার টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়। তবে ভবনের ওই স্থানে পুকুর থাকায় ঠিকাদার পাইলিং ছাড়া ভবন নির্মাণে আপত্তি জানায়। তাদের দাবি, ওই বরাদ্দের মধ্যে পুকুরের পাইলিং বাবদ ব্যয় ধরা হয়নি। এছাড়া পাইলিং না করে ভবন নির্মাণ করতে গেলে নির্মিত ভবনটি হেলে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে। যার কারণে ভবনের নির্ধারিত নকশা বাদে নতুন নকশার জন্য পুনরায় এলজিইডি’র প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। একই সাথে ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর ভবন নির্মাণের জন্য নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিয়াউল ট্রেডার্সের সাথে এলজিইডি পূর্বের চুক্তিপত্র বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে নতুন করে নকশা অনুমোদন হলেও ততদিনে পিইডিপি-৩ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে ভবন নির্মাণের জন্য পুনরায় পিইডিপি-৪ প্রকল্পের অর্থায়নের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক মেহেরুন নেছা বলেন, ভবনের নির্ধারিত স্থানে পুকুরের কারণে ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। কেননা পুকুরের পাইলিং করার জন্য কোন ইস্টিমেট ধরা ছিল না। সবকিছু সংশোধন করে দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের সময় শেষ হওয়ায় আগামী প্রকল্পের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পিইডিপি-৪ প্রকল্পে এ ভবনটি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি আশা করেন। উল্লেখ্য, ডিজাইন ইউনিটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভবনের স্থানে গভীরভাবে মাটি খনন করে লোড সেটেলমেন্ট পদ্ধতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র নির্বাহী প্রকৌশলী রকিবুল আলম বলেন, ওই ভবনটি পিইডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় হবে। হেড কোয়ার্টারের নির্দেশনা মোতাবেক তারা শুধুমাত্র কাজ করেন। প্রকল্পের অর্থ ফেরত গেছে কিনা তা হেড কোয়ার্টারের কর্মকর্তারা জানেন। সময় না থাকায় পিইডিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় এ ভবন করা হবে না এতটুকুই জানেন এ কর্মকর্তা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ