ঢাকা, বুধবার 27 June 2018, ১৩ আষাঢ় ১৪২৫, ১২ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

এরদোগানকে নূর হোসাইন কাসেমীর অভিনন্দন

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর মহাসচিব শায়খুল হাদীস আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী তুরস্কের জাতীয় নির্বাচনে রজব তায়্যিব এরদোগান এবং তাঁর দল একে পার্টি তৃতীয় বারের মতো তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পদ ও সংসদে বিজয়ী হওয়ায় আন্তরিক অভিন্দন ও মুবারকবাদ জানিয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার এক বার্তায় আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীর বহুমুখী ষড়যন্ত্র আর চক্রান্ত উপেক্ষা করে এরদোগানকে বিপুল ভোটে পুনঃনির্বাচিত করায় তুরস্কের সাধারণ জনগণকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, এরদোগানকে আমরা মুসলিম বিশ্বের একজন বিচক্ষণ ও সাহসী নেতা মনে করি। তিনি তরুণ প্রজন্মের মুসলমানদের মধ্যে সাম্রাজ্যবাদি গোষ্ঠীর নানা ষড়যন্ত্রের ফলে সৃষ্ট বিপর্যয়ের হতাশাবোধ কাটিয়ে হারানো বীরত্ব ফিরে পেতে পথ দেখানোর পাশাপাশি উৎসাহ ও সাহসে গতি সঞ্চার করে চলেছেন। মুসলিম বিশ্বের তরুণ-যুবারা এরদোগানের দক্ষ, বিচক্ষণ ও সাহসী নেতৃত্বে সকল জালেম ও আগ্রাসী অপশক্তিকে পদানত করে মুসলমানদের গৌরবগাঁথা হারানো নেতৃত্ব ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখেন। বিশ্ব মুসলিম এরদোগানকে শক্তিশালী নেতৃত্বের ভূমিকায় দেখতে আগ্রহী। এরদোগানের দক্ষ নেতৃত্বে নানা সমস্যায় জর্জরিত ও বিভক্ত মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের মাঝে বৃহত্তর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ, উম্মাহ’র প্রতি শক্তিশালী দরদী মনোবল তৈরী হবে বলে আমরা আশাবাদী। বিগত দিনে আরাকান, ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতিত মুসলমানদের পক্ষে তিনি বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য ব্যাপক আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছেন। এরদোগানের নেতৃত্বে আমরা উৎসাহবোধ করছি।
আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী এরদোগানের সফলতা ও কল্যাণ কামনা করে বলেন, পরম করুণাময় আল্লাহ তাঁকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখুন এবং দীর্ঘজীবি করুন। আমরা আশাবাদী তিনি শুধু তুরস্ককেই হারানো গৌরবময় ঐতিহ্য ও সুশাসনের সঠিক ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনবেন না, বরং তিনি ভেঙে পড়া মুসলিম বিশ্বের ঐক্যকে গড়ে তুলতে এবং ওআইসি’র ভূমিকাকে দায়িত্বশীল করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
জমিয়ত মহাসচিব সম্প্রতি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাহাথির মুহাম্মদের নির্বাচিত হওয়াকে স্মরণ করে বলেন, এশিয়ার পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে আমরা দুইজন দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়ক পেয়েছি। আমরা জোর আশাবাদী, মুসলিম বিশ্বের সংকট নিরসন এবং সম্ভাবনা নিয়ে তাঁদের দক্ষ নেতৃত্ব ও সম্মিলিত উদ্যোগ ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। পাশাপাশি ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরশাসনের যাঁতাকলে জর্জরিত মুসলিম দেশসমূহের জনগণের মধ্যেও তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার জনগণের ঐক্যবদ্ধ, সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রেরণা যোগাবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ