ঢাকা, বুধবার 27 June 2018, ১৩ আষাঢ় ১৪২৫, ১২ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শ্রীনগরে উধাও হয়ে গেলো সমবায় সমিতি পাওনাদারদের বিক্ষোভ

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা: মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগরে উধাও হয়ে গেলো সিংপাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড, পাওনাদাররা টাকা ফেরত না পাওয়া ফুঁসে উঠেছে। টাকার দাবিতে রবিবার তারা সিংপাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের অফিস ঘেরাও করে বিক্ষভ করেছে। উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের সিংপাড়া বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পরিচালক মোঃ তুহিন সমিতির ব্যানার ব্যবহার করে বাজারে অন্য ব্যবসাদারদের কাছে থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া অভিযোগ উঠেছে। 
সমিতির সদস্যরা জানান, সিংপাড়া এলাকার সায়েদ কাজীর ধর্ম পুত্র মোঃ তুহিন প্রায় ১০/১২ বছর পূর্বে সিংপাড়া বাজেরে সায়েদ কাজীর সহযোগিতায় একটি বহুমুখী সমবায় সমিতি গড়ে তোলে। অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে তিনি হাজারো সদস্যে কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। ঈদের কয়েক দিন আগে সমিতির মূল ভাগিদার সায়েদ কাজীর গোপন সহযোগিতায় মোঃ তুহিন ও তার পরিবার উধাও হয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি সমিতির সদস্যরা জানতে পেরে সায়েদ কাজীকে টাকার জন্য চাপ দেয়। এতে তারা টাকা ফেরত পাওয়ার প্রতিশ্রুতি না পেয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে পড়ে।
এ নিয়ে সিংপাড়া বাজারের ব্যবসাদারদের মাঝে টাকা ফেরৎ না পাওয়া কঠিন ক্ষোভ বিরাজমান করছে। সমিতির একাধিক সদস্য অভিযোগ করেন বলেন, সায়েদ কাজী আমাদের ভরসা দেওয়ায় আমরা সমিতিতে টাকা রেখেছি এখন কিনা বলেন ওনি কিছু জানেন, সায়েদ কাজী এলাকার স্থানীয় কাজী একই সাথে বেলতলী হাই স্কুলের শিক্ষক তাই তিনি আমাদের বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তি তার কথায় আমরা এখানে টাকা জমিয়েছি। এছাড়া সায়েদ কাজীর ছেলে মুন কাজী নিজে দোকানে দোকানে ঘুরে সমিতির পাশ বহি দ্বারা টাকা উত্তোলন করত। সমিতির একাধিক মহিলা সদস্য কান্নারত কন্ঠে প্রতিবেদকে জানান, আমাদের অনেক বুঝিয়ে এখানে টাকা রাখার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছে সায়েদ কাজী। তিনি বলেন আমি এই প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আছি, তোমরা টাকা রাখ কোন সমস্য নেই, কিছু হলে আমি দেখব। এ ব্যপারে বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তুহিন ও সায়েদ কাজী প্রায়ে বার বছর ধরে এই বাজারে এ সমিতির মাধ্যমে টাকা পয়সা লেন-দেন করতেছে। হঠাৎ কি কারণে তুহিন উধাও হয়ে গেলো আমি তা বোধগম্ভ নই। এ বিষয় উপজেলা সমবায় অফিসারের কাছে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে ফোন করলে তিনি ফোনটি তুলেনি। এব্যপারে সমিতির একাধিক সদস্যের গণস্বাক্ষরসহ পক্ষে বুলু বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। থানার অফিসার ইনর্চাজ এস এম আলমগীর হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিব।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ