ঢাকা, বৃহস্পতিবার 28 June 2018, ১৪ আষাঢ় ১৪২৫, ১৩ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বেগম জিয়ার সু-চিকিৎসা : মৌলিক এবং মানবিক অধিকার

মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান : কোদাল হাতে খাল খনন। ধান ক্ষেতে কৃষকের সাথে কোলাকুলি। উদ্বেলিত জনতা নতুন করে মাথা উঁচু করে দাড়াবার জন্য বাংলাদেশ-জিন্দাবাদ শ্লোগান ধ্বনি দিয়ে যাকে বরণ করেছিলো- তিনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আততায়ীর হাতে নিহত হওয়ার পর তাঁর জানাজায় অগণিত জনতার উপস্থিতি জানান দিয়েছিলো কতো ভালোবাসে জনতা তাঁকে। ভালোবাসার ব্যারোমিটার মেপে তাঁরই জীবন সঙ্গীনীকে রাজনীতিতে অভিষেক জানিয়েছিলো জনতা। রাজনীতিবিদ নয়, ছিলেন নিরেট গৃহবধু। গৃহবধু থেকে আপোষহীন নেত্রী, দেশনেত্রী, অতঃপর প্রধানমন্ত্রী। জনগণের ভালোবাসা তাকে দিয়েছে অনেক। দেশের সবেচেয়ে বেশী আসন থেকে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার কৃতিত্ব একমাত্র তারই। তিনি বিনা চিকিৎসায় কারাগারে অস্থির সময় পার করছেন। মানবতাবাদী আর নারীবাদীরা আজ বড়ই নিশ্চুপ। যেনো এ দেশে কোনো কিছুই ঘটছে না। রাজনীতি এবং কারাগার খুব কাছাকাছিই অবস্থান করে। এ দেশ-ই নয়, পৃথিবীর নানান দেশেই রাজনীতিবিদদের কারাবারণের নজির যেমন আছে, তেমনি আছে রাজনীতিবিদদের উপর নির্মম আর নিষ্ঠুর নির্যাতনের ইতিহাস। যে সকল স্বৈরশাসক আর চরম নিষ্ঠুর শাসকরা বিরোধী রাজনীতিবিদদের উপর নির্মম নির্যাতন করেছে তারা কেউই গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের তোয়াক্কা করতেন না। বর্তমান শাসকদের এ ব্যতিক্রম দেখা যায় না, তদুপরি তারা যেহেতু নিজেদেরকে গণতান্ত্রিক সরকার বলে দাবী করে তাই তাদের কাছে জনগণের পক্ষ থেকে কিছু দাবী জানাতেই পারি।  বেগম খালেদা জিয়া যে মামলায় কারাগারে আটক আছেন, সে মামলাগুলোর পর্যালোচনা বাদ দিয়ে এতোটুকু নির্দ্বিধায় বলা যায়, তাঁর আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা সরকারের কাছে এক বড় আতঙ্কের বিষয়। প্রতিহিংসার অনলে তাকে অনেক জ্বালানো হয়েছে। একজন রাজনীতিবিদকে কতোটুকু নিষ্ঠুরতার অনলে দহন করা হলে প্রতিহিংসার অনল নির্বাপিত হবে তা আমাদের বোধের অগম্য। একদলীয় বাকশাল হতে গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের কারণেই জিয়াউর রহমান সেনা ব্যারাক থেকে আসার পরেও  পেয়েছিলেন জনগণের অগণন ভালোবাসা। তারই সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি স্বামী হারিয়ে অকাল বৈধব্যের জীবন পার করেছেন। এক সন্তান শাসক গোষ্ঠীর নির্মম নিষ্ঠুর নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন। আর এক ছেলে চিকিৎসার জন্য বিদেশ গিয়ে আর দেশে ফিরতে পারছেন না। বেগম জিয়াকে তাঁর বাড়ি থেকে বিতারিত করেই ক্ষান্ত হয়নি। তার জীবনের আবগে, অনুভূতি ও ভালোবাসার সাথে জড়িত সেই বাড়িটিকে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেনা সরকারের দায়ের করা মামলায় তাকে কারাগারে অবরুদ্ধ করা হলেও রাজনীতিবিদ ও আইনজ্ঞদের বক্তব্য হচ্ছে এ মামলায় জামিন এবং তাঁর কারামুক্তিতে কোনো সমস্যার কথা নয়। অদৃশ্য সূতোর টানে সব ভাবনা-চিন্তাই এলোমেলো। একটি মামলায় হাইেেকার্টে তার জামিন হচ্ছে তো আর একটি মামলার খড়গ ঝুলিয়ে দেয়া হচ্ছে। সত্তোরোর্ধ্ব এ নারী নানা জাটিল রোগে আক্রান্ত। তিনি শুধু একজন  সাধারণ নারীই নন। তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক প্রেসিডেন্টের স্ত্রী, স্বাধীনতার ঘোষকের স্ত্রী, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলের চেয়ারপারসন। তিনি কারগারে বিনা চিকিৎসকায় মৃত্যু ঝুকি নিয়ে দিন পার করছেন। আজকের (২১.০৬.১৮) সকল জাতীয় দৈনিকেই তার চিকিৎসকের বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর চিকিৎসক অজানা আতঙ্ক ও শঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন। 
বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। এ সময় নানান জটিল রোগ দেখা দেয়াটাই স্বাভাবিক।  দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার কারণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্তাবধান না পাওয়ায় তাঁর রোগগুলো জটিল আকার ধারণ করেছে। বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে বেগম জিয়ার চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী বলেছেন, ট্র্যানজিয়েন্ট এ্যাটাক হয়ে বি এন পি চেয়াপারসন গত ৫ জুন ৫ মিনিট অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। এতে করে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা পূর্ণাঙ্গ স্ট্রোকের ঝুকি তৈরী হয়েছে। মস্তিষ্কে  রক্ত চলাচলের সাময়িক বাধার কারণেই এটা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন। এ ধরণের রোগীদের দ্রুত পরীক্ষা নিরিক্ষা করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অধীনে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করলে স্ট্রোকের ঝুকি থাকে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ। 
অধ্যাপক ডাক্তার এফ. এম. সিদ্দিকী বলেন, ‘তার চিকিৎসক হিসেবে আমি খুবই উদ্বিগ্ন। এবং যতোক্ষণ পর্যন্ত তাঁর শারীরিক পরীক্ষাগুলো না হচ্ছে ততোক্ষণ পর্যন্ত আমাদের উদ্বেগ বা শঙ্কা কাটছে না।’
 বেগম খালেদা জিয়া শুধু মস্তিস্কে রক্তক্ষরণের আশংকার মধ্যেই কারাবাস করছেন না। তিনি রিউমেটয়েড আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিক ও হাইপারটেনশনের রোগী। এ সকল কারণে তাঁর শরীরে আরো নানবিধ উপসর্গ দেখা দিতে পারে। একটির সাথে আর একটি ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে রোগ প্রতিরোধক সেলগুলো দুর্বল হয়ে পরে। যাদের ডায়াবেটিক, হাইপারটেনশন ইত্যাদি আক্রমণ করে তাঁদের জন্য বার্ধক্যে এ বিষয়গুলো আরো বেশী ভয়ংকর হয়ে দেখা দেয়। কোনো ক্ষেত্রে শরীরের এন্টি ডিজেজ সেলগুলো উপকারী বন্ধুর চেয়ে বরং শত্রুর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। তখন একে একে কিডনি, হার্ট, লিভার ইত্যাদি আক্রমণ করে। সংবাদ মাধ্যমে জানতে পেরেছি তার পায়ে পানি জমেছে, আঙ্গুল কালো হয়ে গেছে। এটি বার্ধক্যে উপনীত ব্যক্তির জন্য আরো বেশী ভয়ংকর; এ থেকে অন্ধত্বসহ নানান সমস্যা সৃষ্টি হওয়া আশংকা বৃদ্ধি করে।
অধ্যাপক ডাক্তার এফ.এম সিদ্দিকী বেগম জিয়ার আরো কিছু রোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ওনার একটা কন্সট্যান্ট পেইন আছে। ঘাড় থেকে বাঁ হাত বেয়ে ব্যথাটা পায়ের দিকে নেমে যায়। এটা একটা নিউরোলজিক্যাল পেইন। এই ব্যথাটা এতোই অসহ্য যে উনি অনেকক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকতে পারেন না।’- এই সমস্যা কিন্তু আগে ছিলো না। এই সমস্যা অতি সম্প্রতি  তৈরি হয়েছে।’
ডাক্তার এফ এম সিদ্দিকীর ভাষ্যমতে বোঝা যায়, কারাগারে থাকা ও নিয়মিত চিকিৎসার অভাবে বেগম জিয়া আশংকার মধ্যে আছেন। কারাগারে তার রক্তচাপের ওপর নিয়মিতভাবে নজর রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সেটাও ঝুঁকির মাত্রা বাড়াচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।। তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়ো দলের চেয়ারপারসন এমন ঝুকি এবং আশংকার মধ্যে থাকার পরেও কেন তাঁর চিকিৎসা নিয়ে এতো তালবাহানা? তা বোধগম্য নয়।
 বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার সুপারিশ করলেও জেলকোডের বিধির অজুহাত দেখিয়ে তার সুচিকিৎসার পথকে আটকে দেয়া হয়।  সরকারের তরফে প্রথমে বলা হলো বি.এস.এম.এম.ইউতে (পিজি) চিকিৎসা দেয়া হবে। বি এন পির পক্ষ থেকে সরকারের এ প্রস্তাব নাকচ হয়ে যাবার পর সরকারের তরফে আবার বলা হলো সি.এম.এইচে চিকিৎসা দেয়া হবে। বেগম জিয়া যখন সি.এম.এইচে চিকিৎসার ব্যাপারে অনাগ্রহ দেখালেন তখন সরকারের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি ওবায়দুল কাদের সাহেব নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রসঙ্গ টেনে এনে বললেন, ‘নির্বাচনে সেনা চাইলে- সেনা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আপত্তি কোথায়? তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ১/১১-র সময় আমরা সি.এম.এইচে সূযোগ পেলে শেখ হাসিনাকে স্কয়ারে চিকিৎসা করাতাম না।’
ওবায়দুল কাদের সাহেব নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সাথে চিকিৎসার মিল দেখিয়ে কি বোঝাতে চাচ্ছেন? চিকিৎসা এবং নির্বাচনে সেনা মোতায়েন কি এক বিষয় ?
তারপরেও সিএমএইচ-হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আপত্তি কেন ? বিবিসিতে এই প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক এফ. এম. সিদ্দিকী বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার কারণে এখানে একটি আস্থার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এটা শুধু খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেই না, এই আস্থার প্রশ্নটি অন্য  যে কোনো রোগীর  ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।
খালেদা জিয়ার অবনতিশীল স্বাস্থ্যের কথা উল্লেখ করে ডা. এফ.এম সিদ্দিকী জানান, এই মুহূর্তে খালেদা জিয়ার সবচেয়ে  যেটা প্রয়োজন তা হলো ডপলার টেস্ট এবং বিশেষ ধরনের এমআরআই - যে মেশিনটি শুধু ইউনাইটেড হাসপাতালে রয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ জেল কোডের বিধানের কথা বলছেন, কিন্তু অতীত কি বলে ? ১/১১-র সেনা শাসনামলে অনেক রাজনীতিবিদ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আমরা একটু পেছনে তাকালে দেখতে পাই : বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কারাবন্দী অবস্থায় স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। তৎকালীন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল এবং বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ল্যাব এইড হাসপাতালে তাঁদের পছন্দের ডাক্তারের অধীনে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। শেখ ফজলুল করিম সেলিম বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। তখন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য কারা কর্তৃপক্ষ ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার অনুমতি নিয়ে রেখেছিলেন, যদিও পরবর্তীতে তাঁকে সেখানে চিকিৎসার জন্য নিতে হয়নি। এতো ভুরি ভুরি নজির থাকার পরেও বার বার কেনো কারাবিধির উল্লেখ করে একজন অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসা পাবার মৌলিক ও মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে? তাঁর চিকিৎসা মৌলিক এবং মানবিক অধিকার। তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে এভাবে চিকিৎসাহীন অবস্থায় ফেলে রেখে ভয়াবহ দুসংবাদের আশঙ্কাকে প্রবল করা হচ্ছে। রাজনীতি মানবতার জন্য, রাজনীতি মানবিকতার জন্য, মানবাধিকার এবং মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। রাজনীতি করার কারণেই যদি তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পছন্দ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে এভাবে শঙ্কার মধ্যে জীবন পার করতে হয় তবে অন্য সব সাধারণ নাগরিকদের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাড়াবে? বেগম জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে যে রাজনৈতিক ডামাডোল তৈরী করা হচ্ছে তা আদৌ কোনো রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। যতো আইন এবং বিধির অজুহাত দেয়া হোক না কেনো, আইন বিধি সবই মানুষ এবং মানবতার কল্যাণে তৈরী করা। এরপরও আইন এবং বিধির কথাই যদি ধরা হয়, তাতেও দেখা যায় অতীতে রাজনীতিবিদরা কারাগারে থেকে পছন্দ অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়ার বেলায় এসে বার বার কেন বিধির কথা বলা হচ্ছে ? তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেয়া হয় যে বিধিতে মেলে না, তবে তা বলবে আদালত অথবা কারা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু যখন সরকারি দলের নেতাদের সভা-সমাবেশ থেকে বক্তব্য আসে তখন আর কারো বোঝতে বাকী থাকে না। বিধির সুতো কোন জায়গায় বাঁধা আছে।
রাজনীতি নদীর ভাঙ্গনের মতো। নদীর এপার ভাঙ্গে ওপার গড়ে। ৪ তারিখ রাতে দম্ভ ভরে ঘোষণা দেয়া ক্ষমতা ছেলের হাতের মোয়া নয়- যে জিরো পয়েন্টে উড়িয়ে দেবো। তিনিই ৬ তারিখে প্রেসিডেন্ট পদবীর পরিবর্তে কারাগারে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। জনাব ওবায়দুল কাদেরের ভাষায় রাজনীতি প্রেম, ভালোবাসা, দয়া-মায়ার জায়গা যদি না-ও হয়ে থাকে; রাজনীতির ব্যাকরণে যার যা প্রাপ্য তা তাকে দিতে আপত্তি বাধালে কিংবা বিপত্তি ঘটালে শেষ হিসেবে নিজের বা প্রতিপক্ষের কারও জন্যই শুভ হয় না।
দয়া-মায়া ভালোবাসার কথা বাদই দিলাম, রাজনীতি মানবিকতা ও মানবতার জন্য। মানবতা ও মানবাধিকারের প্রশ্নে যদিও বর্তমান সরকারের অবস্থান তলানীতে। তারপরও যেহেতু তারা বিনা ভোটের সরকার হবার পরেও নিজেদেরকে গণতন্ত্রী দাবী করে- তাই বিনা ভোটের সরকার হবার পরেও অন্তত এবারে নিজেদেরকে গণতান্ত্রিক দাবী করার স্বার্থে হোক কিংবা রাজনীতির মহান স্বার্থে হোক বেগম জিয়ার পছন্দ অনুযায়ী তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ