ঢাকা, বৃহস্পতিবার 28 June 2018, ১৪ আষাঢ় ১৪২৫, ১৩ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুটের সি-বোট দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষাপেল ১৮ যাত্রী

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশপথ বলে খ্যাত শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুটের পদ্মা নদীটি বুধবার সকাল থেকেই উত্তাল রয়েছে এবং নদীতে রয়েছে প্রচন্ড ঢেউ । আর এতে করে এ নৌ-রুটটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরে। বাধ্য হয়ে সকাল ৯ টার দিকে লঞ্চ, সি-বোট চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিএ ও নৌ-পুলিশ। তবে সকাল ৮টার দিকে কয়েকটি ফেরি যানবাহন ও যাত্রীসহ শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর আবার পুনরায় তা ঘাটেই চলে আসে, পরে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ ১ ঘণ্টার মতো ফেরী সার্ভিস বন্ধ রাখে।এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের টার্মিনাল সুপারেন্টেট মো: মেহেদি হাসান জানায় প্রায় ঘন্টা খানেক সময় ফেরী বন্ধ রাখার পর সকাল ১০টা থেকে রোরো ফেরী শাহ মকদুম,বীর শেষ্ট জাহাঙ্গীর,এনায়েতপুরী ও ৬ টি কে-টাইফ ফেরী বিরামহীনভাবে চলাচল করছে ।তবে লঞ্চ ও সি-বোট বন্ধ থাকায় ঘাটে প্রচুর যাত্রীর চাপ রয়েছে।অপর দিকে সকাল পৌনে ৯টায় ৩ নং  ফেরীঘাটের কাছে ঘাট থেকে ১৮জন যাত্রী নিয়ে নিয়ে ছেড়ে যাওয়া একটি সি-বোটের তলা ফেটে যায়, এসময়ে তাতক্ষনিক ভাবে শিমুলিয়া ঘাট থেকে অন্য সি-বোট ও ট্রলার গিয়ে বোটে থাকা সবযাত্রীদের উদ্বার করে নিয়ে আসার পরে তারা যে যার মতোকরে তাদের গন্তব্যে চলে যায়। পুলিশের একটি সূত্র মতে সকালের দিকে মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এটিএসআই নারায়ন চক্রবর্তীর সি-বোট ঘাটে ডিউটি ছিলো সে নদীর আবস্থা খারাপ জেনেও সি-বোট ছেড়েছে বিধায় এ দূঘটনাটি ঘটেছে বলে ঘাট সুত্রে জানা যায় ।পরে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাড়ীর ইন্সপেক্টর মো. আরমান হোসেন সকাল ৯ টার দিকে সকল প্রকার সি-বোট চলাচল বন্ধ করে দেন ।এ সময়ে তিনি জানান আবুল হাসনাত লিটন,আশ্রাফুন বেগম,আলমঙ্গীর হোসেন সহ ১৮ জন যাত্রীকে উদ্বার করা হয়েছে ।তবে কেউ আহত হয়নি, সবাই পানিতে ভিজে গেছে বলে দাবী করেন নৌ-পুলিশের এ কর্মকর্তা ।অপরদিকে এ নৌ-রুটে মোট ৯ টি ফেরী চলাচল করলেও ঘাটে প্রচুর যাত্রী থাকায় পরিবহনের সংখ্যা কমিয়ে দিয়ে বেশিবেশি যাত্রী পারাপার করছে ফেরীগুলো। সরেজমিনে ঘাটে গিয়ে দেখা যায় প্রায় ১৬টি বাস, ১৫টি ছোট গাড়ী ও ১৫০টির মত পন্যবাহী ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায়  রয়েছে। তবে যাত্রীর চাপ কমে গেলে এ যানবাহনগুলো খুব তারাতারি পার হতে পারবে বলে জানালেন টিসির এক কর্মকর্তা। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত দুপুর (৩টা পর্যন্ত) লঞ্চ ও সি- বোট চলাচল শুরু করেনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ