ঢাকা, বৃহস্পতিবার 28 June 2018, ১৪ আষাঢ় ১৪২৫, ১৩ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সর্বাধিক বিশ্বকাপ খেলা খেলোয়াড়রা

মাহাথির মোহাম্মদ কৌশিক : একজন ফুটবলারের আজন্ম স্বপ্ন বিশ্বকাপে খেলা। সেটা কারো পূরণ হয়, আবার কেউ কেউ সারাজীবনের জন্য হতাশায় পোড়েন। বিশ্বসেরা হওয়ার আসর বিশ্বকাপ ফুটবলে আলো ছড়ানো খেলোয়াড়ের সংখ্যা খুব বেশি থাকেনা। তবে ফুটবল যে সার্বজনীন খেলা সেটা বিশ্বকাপ এলে প্রমাণিত হওয়ার সুযোগ বেশি থাকে। পৃথিবীতে জাতিসংঘের সদস্য যতগুলো দেশ, তার চেয়ে বেশি সদস্য রয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফায়। ফুটবলের আবেদন ও জনপ্রিয়তা বোঝাতে এই একটি তথ্যই যথেষ্ট। আর এই আবেগে জোয়ার তুলতে চার বছর পর আবার বসেছে ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ‘ফিফা বিশ্বকাপ’। ৮৮ বছরের ইতিহাসে এটা বিশ্বকাপের ২১তম আয়োজন, এবছরের ১৪ জুন যা শুরু হয়ে শেষ হবে ১৫ জুলাই। আর প্রথমবারের মতো রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের আসর। বিশ্বকাপ ফুটবলে এক আসর থেকে পরবর্তী আসরের মাঝে ব্যবধান থাকে ৪ বছরের। অনেক ফুটবলারেরই প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলার পর চার বছর পরের আয়োজনে খেলার সৌভাগ্য হয়না। কিন্তু ইতিহাসে কয়েকজন এমন খেলোয়াড় আছেন যারা ১৬ বছর সময়ের ব্যাপ্তিকাল নিয়ে খেলেছেন বিশ্বকাপ। এই সময়ের সবগুলো আসরে যে তাদের অংশ নেয়া হয়েছে বিষয়টি এমনও নয়। কিন্তু ১৬ বছর সময়ের ব্যাপ্তি নিয়ে বিশ্বকাপ মূলপর্বে খেলে তারা নিজেদের নাম তুলে রেখেছেন রেকর্ডের পাতায়। তাদেরকে নিয়ে এবারের প্রতিবেদন।
আন্তোনিও কারভাহাল, মেক্সিকো
১৯৫০ থেকে ১৯৬৬ সাল, এই ১৬ বছরে বিশ্বকাপের ৫টি আসরে অংশ নিয়েছেন মেক্সিকোর এই গোলরক্ষক। এসময় ১১ ম্যাচ খেলে তিনি ২৫ গোল হজম করেছিলেন। তিনিই প্রথম ফুটবলার হিসেবে পাঁচ বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড গড়েন। এই রেকর্ড স্পর্শ করতে পারলেও এখনও ছাড়িয়ে যেতে পারেননি অন্য কোন ফুটবলার।
লোথার ম্যাথাউস, জার্মানী
এই জার্মান কিংবদন্তিই এখন পর্যন্ত একমাত্র খেলোয়াড় যিনি কারভাহালের পাঁচ বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড স্পর্শ করেছেন। ১৬ বছরে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব, কারভাহালের পাশাপাশি যা করেছেন লোথার ম্যাথাউস। এসময় তিনি ২৫টি ম্যাচও খেলেছেন, যা বিশ্বকাপে কোন ফুটবলারের সর্বোচ্চ ম্যাচের রেকর্ডও বটে। ম্যাথাউস ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলেছেন। এসময়ে তিনটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছিল তার দল। জিতেছিল ১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপ। সেবার অধিনায়ক ম্যাথাউস ৪ গোল করে দলের ট্রফি জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন।
এলিয়াস ফিগেরোয়া, চিলি
চিলির সর্বকালের সেরা এবং বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার মানা হয় এলিয়াস ফিগেরোয়াকে। ‘ডন এলিয়াস’ নামে পরিচিত এই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার ১৯৬৬ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ১৬ বছর চিলি জাতীয় দলের হয়ে ৩টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন। এর চেয়ে বেশি আসরে তার খেলা হয়নি কারণ এই সময়ের মধ্যে চিলি শুধু এই তিন আসরের (১৯৬৬, ১৯৭৪ ও ১৯৮২) মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। ১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানিতে আয়োজিত বিশ্বকাপে তিনি সেরা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার ছিলেন। এছাড়া সেবার বিশ্বকাপের অল-স্টার দলেও ছিলেন এলিয়াস।
হুগো সানচেজ, মেক্সিকো
হুগো সানচেজের ভাগ্য অনেকটা এলিয়াসের মতই। এই ফরোয়ার্ড ১৯৭৮ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ১৬ বছরে মেক্সিকোর হয়ে ৩টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন। এই সংখ্যা আরো না বাড়ার কারণ ১৯৮২ সালে দলটি বাছাইপর্ব উতরাতে পারেনি এবং ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে দলটি নিষিদ্ধ হয়েছিল। মেক্সিকোর সর্বকালের সেরা এই খেলোয়াড়ের বিশ্বকাপে গোল মাত্র একটিই, ১৯৮৬ সালে নিজেদের মাটিতে। সে বিশ্বকাপে দলটি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছিল। এটাই এখন পর্যন্ত দলটির সর্বোচ্চ সাফল্য।
জুসেপ্পে বেরগমি, ইতালী
ইতালির সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ডিফেন্ডার ১৯৮২ সালে স্পেনে প্রথমবারের মত খেলেন বিশ্বকাপে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলেছেন ১৯৮৬ ও ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপেও। দেশের মাটিতে ১৯৯০ এর আসরে তিনি ইতালির অধিনায়ক ছিলেন। সেই টুর্নামেন্টে তৃতীয় হয়েছিল তার দল। সেবার ৭ ম্যাচের ছয়টিতেই জিতেছিল ইতালি। যার প্রথম পাঁচটি টানা জয় এবং বেরগমিরা কোন গোল খাননি এই পাঁচ ম্যাচে। মাঝখানে অনেকদিন দলের বাইরে ছিলেন। কিন্তু ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের আগে হুট করেই ডাক পান বেরগমি। ১৬ বছরে নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপে সেবার অংশ নেন তিনি।
রিগোবার্ট সং, ক্যামেরুন
মাত্র ১৭ বছর বয়সে ১৯৯৪ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ক্যামেরুন দলে ডাক পান ডিফেন্ডার রিগোবার্ট সং। সেবার থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ১৬ বছরে ৪ বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলেছে ক্যামেরুন। আর এই চারবারই দলের সদস্য ছিলেন সং।
ফারিদ মনদ্রাগন, কলম্বিয়া
কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ফারিদ মনদ্রাগনের রেকর্ড সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে মাঠে নামার সময় তার বয়স ছিল ৪৩ বছর ৩ দিন। এর ১৬ বছর আগে ফ্রান্সে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ দিয়ে তার এই বিশ্বমঞ্চে অভিষেক হয়। এ সময়টিতে মাত্র দুইটি বিশ্বকাপের (১৯৯৮, ২০১৪) মূলপর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছিল কলম্বিয়া। এর প্রতিটিতেই খেলেছেন মনদ্রাগন।
স্যামুয়েল ইতো, ক্যামেরুন
ক্যামেরুনের সাবেক এই স্ট্রাইকারের প্রথম বিশ্বকাপ ফ্রান্সে, ১৯৯৮ সালে। মাঝখানে ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে দল বাছাইপর্ব পেরোতে পারেনি। এছাড়া ২০১৪ সাল পর্যন্ত ১৬ বছরে ৪টি বিশ্বকাপে খেলেছেন ইতো। এসময়টিতে ক্যামেরুন কখনই গ্রুপপর্ব পেরোতে পারেনি।
আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, স্পেন
স্পেন বিশ্বকাপ জিতেছে একবার। ২০১০ সালের সেই ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয়সূচক একমাত্র গোলটি ইনিয়েস্তার। দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের সকার সিটি মাঠে অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন তিনি। ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে স্পেন দলে সুযোগ হয় বার্সা তারকার, বিশ্বকাপে অভিষেক সৌদি আরবের বিপক্ষে। এরপর থেকে স্পেন দলের মিডফিল্ড জেনারেল তিনি। এখন তার বয়স ৩৪, তারপরও রাশিয়া বিশ্বকাপে তার ঝলক দেখার অপেক্ষায় স্প্যানিশ ভক্তরা। খেলছেন টানা চতুর্থবারের মতো বিশ^কাপ ফুটবলে। ক্লাবে শুরু ২০০২ সালে। মোট ম্যাচ খেলেছেন ৪৪২ টি গোল ৩৫টি।
জাভিয়ের মাসচেরানো, আর্জেন্টিনা
২০০৬ থেকে ২০১৪ বিশ্বকাপ, প্রতি আসরে আর্জেন্টিনা দলে প্রতি ম্যাচে পুরো সময় মাঠে ছিলেন। আর্জেন্টিনার সাবেক ক্যাপ্টেন অল্পের জন্য গত বিশ্বকাপের ট্রফিতে হাত ছোঁয়াতে পারেননি। এবার এ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের শেষ সুযোগ রাশিয়া বিশ্বকাপে দলকে চ্যাম্পিয়ন করানো। ২০০৬ সালে আইভরিকোস্টের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া মাসচেরানোর বর্তমান বয়স ৩৩। এবারও রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্ব তার কাঁধেই। ক্লাবে ২০০৩ সাল থেকে শুরু করে খেলেছেন ৩৭৫ ম্যাচ।
রাফায়েল মারকুয়েজ, মেক্সিকো
২০০২ বিশ্বকাপে মেক্সিকোর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মারকুয়েজ, এরপর টানা চার বিশ্বকাপ খেলা হয়ে গেছে তার।  সাবেক বার্সেলোনা ডিফেন্ডার এখন নাম লিখিয়েছেন এলিট ক্লাবে। এখন তার বয়স ৩৯ বছর। মূলত অভিজ্ঞতার জন্যই তাকে দলে নেওয়া। ২০১০ সালে তার গোলেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সমতা এনেছিল মেক্সিকো। ১৯ বছর বয়স হওয়ায় ১৯৯৮ ফ্রান্স বিশ্বকাপ দলে সুযোগ হয়নি তার। তিনি মেক্সিকোর প্রথম খেলোয়াড়, যার আছে টানা চার বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দেওয়ার কৃতিত্ব। ক্লাবের হয়ে ১৯৯৬ সালে খেলা শুরু করে খেলেছেন ৫০৪ টি ম্যাচ।
টিম ক্যাহিল, অষ্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ার ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তারকা ক্যাহিল। গত তিন বিশ্বকাপেই তার গোলও আছে। সব মিলিয়ে গোল ৫টি। সকারুজদের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এভারটনে খেলা স্ট্রাইকারের। রাশিয়া বিশ্বকাপে একাদশে সুযোগ পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার হয়ে গেছেন। ২০০৬ জার্মান বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে করেন প্রথম গোল। ৩৮ বছর বয়সি ক্যাহিলের এটা যে শেষ বিশ্বকাপ বলার অপেক্ষা রাখে না। ক্লাবে  ১৯৯৮ সালে ক্যারিয়ার শুরু করে মোট ম্যাচ খেলেছেন ৫৮৮ টি। গোল করেছেন ১৪৮টি। জাতীয় দলে প্রথম খেলেছেন ২০০৪ সালে। মোট ম্যাচ ১০৬টিতে গোল করেছেন ৫০টি।
লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনা
আর্জেন্টাইন সুপারষ্টার লিওনেল মেসিকে বলা হয়ে থাকে নান্দনিক ফুটবলের ধ্রুপদী শিল্পী। যেখানেই খেলেন সেখানেই গড়ছেন একটার পর একটা রেকর্ড। ২০০৬ সালে তরুণ মেসির অভিষেক হয়েছিল বিশ্বকাপে সার্বিয়ার বিপক্ষে মাচ দিয়ে। এই ম্যাচে গোল করে দেশের হয়ে সর্বকনিষ্ট গোলদাতার রেকর্ডও করেন এই খুদে যাদুকর। এরপর আরো দুটি বিশ্বকাপ খেলে এবার নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছেন এলএম টেন। সর্বশেষ লিগে স্প্যানিশ লা লিগায় ৩৩ গোল করার পাশাপাশি ১২টিতে সহায়তা করেছেন গোল করাতে। ৩০ বছর বয়সী এই ষ্ট্রাইকার লা লা লিগায় ৩৮২ গোল করার পাশাপাশি গোলে সহায়তা করেছেন ১৪৯টিতে। এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৫০ গোল করার রেকর্ডও রয়েছে তার। এছাড়া এক ইউরোপিয়ান মৌসুমে ৭৩ এবং এক বছরে ফুটবলে রেকর্ড ৯১ গোলও এসেছে তার পা থেকে। ক্লাব দল বার্সেলোনায় ১৪ বছর কাটিয়ে ৩২টি ট্রফি জিতেছেন। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে এখনো বড় কোন শিরোপা জিততে পারেননি মেসি।
ক্রিশ্চিয়ানা রোনালদো, পর্তুগাল
লিওনেল মেসির মতোই তার পায়ে এসে লুটোপুটি খায় একটার পর একটা রেকর্ড। চলতি বিশ্বকাপের আগে ১৩ ম্যাচ খেলে মাত্র ৩ গোল করেছিলেন পর্তুগালের সুপারষ্টার ক্রিশ্চিয়ানা রোনালদো। রাশিয়া বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে ৪ গোল করে পেছনের সব ব্যর্থতাকে ঝেড়ে ফেলেছে। বর্তমানে তার সাথে যারা খেলছেন তারা সবাই উচ্চতায় অনেক বেশি। শিল্পচর্চার মতো ফুটবল খেলেন তিনি। মাথায় বুদ্ধিদীপ্ত লড়াই করে থাকেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ষ্ট্রাইকার। ২০০৮ সাল থেকে মেসির সাথে যে দ্বৈরথটা শুরু তাতে তৃতীয় কেউ এই জায়ঘায় আসতে পারেননি। তাদের দুজনের একজনের সাথে তুলনা করা অনর্থক। দুজন দুজনার জায়গায় সেরা হয়েছেন। ২০০৮, ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ ব্যলন ডি অর জয়ী। ২০১২ ও ২০১৭ লা লিগা জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রিয়ালের হয়ে এ বছরে ৪৩৬ স্যাচে ৪৪৯ গোল করেছেন। লা লিগায় ২৯৯ ম্যাচে করেছেন ৩১০ গোল। চলতি মৌসুমে ৪২ ম্যাচে ৪৩ গোল করেছেন। ২০০৬ সালে প্রথম বিশ্বকাপে খেলা শুরু। এরপর দুটি বিশ্বকাপ শেষে এবার চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছেন তিনি।
গুইলার্মো ওচোয়া, মেক্সিকো
৩২ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের এটি চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছেন। ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে একাই রুখে দিয়েছিলেন। সেলেসাদের দ্বিতীয় ম্যাচে ম্যাচটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ১৪ বার শট নিয়ে একটি গোলও করতে পারেনি ব্রাজিল। ৯০ মিনিট খেলেও গোল কোন গোল হজম করেননি। ২০১৪ সালের ১৪ জুন সেই ম্যাচে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও পেয়েছিলেন ওচোয়া। তারপর তাকে ‘মেক্সিকান জেসাস’ নামে ডাকা শুরু হয়। ২০০৬, ২০১০ বিশ্বকাপেও খেলেন। মেক্সিকোর এই গোলরক্ষকের এটি চতুর্থ বিশ্বকাপ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ