ঢাকা, বৃহস্পতিবার 28 June 2018, ১৪ আষাঢ় ১৪২৫, ১৩ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

জামানত বাজেয়াপ্তসহ ডিলারশীপ বাতিলের সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের

খুলনা অফিস: টিসিবি পণ্য উত্তোলনে ব্যর্থতায় জামানত বাজেয়াপ্তসহ ডিলারশীপ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। গেল বছর টিসিবি পণ্য উত্তোলনে ব্যর্থ হওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্তসহ ৩৫ জনের ডিলারশীপ বাতিল করা হয়। অপর দিকে টিসিবি’র খোলাবাজারে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলমান থাকলেও বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়েনি বাজারে। পণ্যমূল্য বাজারের তুলনায় বেশি হওয়ায় আগ্রহ হারায় ডিলার ও ভোক্তারা। টিসিবি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুন থেকে শুরু হওয়া সংস্থাটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যতদিন ছোলা মজুদ থাকবে ততোদিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। টিসিবি’র গুদামে ২৫০ টন ছোলা, দেড় লাখ লিটার সয়াবিন তেল (পুষ্টি),  ২২০ টন মশুর ডাল (অস্ট্রেলিয়া) ও ২২০ টন চিনি (তীর) মজুদ রয়েছে। বন্ধের দিন ব্যতীত ছয়টি ট্রাকে করে প্রতিদিন নগরীর ১৫টি স্পটে (টিসিবি) পণ্য বিক্রি করার কথা থাকলেও সেখানে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ছয়টি স্পটে। এসব স্পটগুলো হচ্ছে নগরীর জেলা পরিষদের সামনে, নতুন বাজার, শান্তিধাম মোড়, ময়লাপোতা মোড়, নিউ মার্কেটের সামনে ও খালিশপুর বিআইডিসি রোডের শিল্পাঞ্চল এলাকা। এছাড়া বাকি স্পটগুলোতে টিসিবি পণ্য বিক্রি না হওয়ায় সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে এসব এলাকার মানুষ।
সূত্রটি জানায় পণ্য উত্তোলন না করায় জামানত বাজেয়াপ্তসহ ডিলারশীপ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে প্রত্যেক ডিলার ৪০০ কেজি চিনি, ৪০০ কেজি ছোলা, ৩০০ কেজি মশুর ডাল ও ৪০০ লিটার সয়াবিন তেল উত্তোলন করার সিদ্ধান্ত হয়। প্রতিকেজি চিনি (তীর) ৫৫ টাকা, ছোলা ৬৫ টাকা, মশুর ডাল (অস্ট্রেলিয়া) ৫৫ টাকা, সয়বিন তেল (পুষ্টি) প্রতিলিটার ৮৫ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
টিসিবি খুলনার অফিস প্রধান মো. রবিউল মোর্শেদ বলেন, মাত্র ছয় ডিলার দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। নগরীর ছয়টি স্পটে ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। টিসিবি পণ্যের গুণগতমান খুবই ভালো। যেসব ডিলার টিসিবি পণ্য উত্তোলন করেননি তাদের জামানত বাজেয়াপ্তসহ ডিলারশীপ বাতিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ