ঢাকা, শুক্রবার 29 June 2018, ১৫ আষাঢ় ১৪২৫, ১৪ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কবিতা

আষাঢ়ে পদাবলী

শাহিদ উল ইসলাম

 

এই আষাঢ়ে নড়েচড়ে উঠে

খাল বিল ঝিল নদী ও বৃক্ষ;

মরা নদীও পায় ফিরে যৌবন।

নড়েচড়ে উঠে মাচায় রাখা

জেলেদের জংধরা জাল;

গাবের কষে রঙ্গিন হয় স্বপ্নরা।

সবুজ রঙ মেখে বৃক্ষরা

ফিরে পায় নতুন এক জীবন

ডাঙ্গায় ঘুমিয়ে থাকা আহত

নাও ভেসে যায় নতুন জলে

মাছেদের পেট খালি করে ফুটে উঠে

জলতলে আগামীর ছানা-পোনা

কদম ফুলের ন্যায় দেখতে অবিকল

চড়ুইছানা কেঁদে উঠে ঘরের কোণে

শালিকের ছানারাও কোন এক বিকালে

মেলে ডানা বৃষ্টিস্নাত বাতাসে

আম কাঁঠালের মৌ গন্ধে

দিশেহারা সব মৌমাছি

ঝিলের জলে মাথা উঁচু করে

দাঁড়িয়ে থাকা শাপলাকুল

জামের কষে রঙ্গিন হয়ে ওঠা

শিশুদের মুখ

সবই কেবল বিত্ত বৈভবের

কথা বলে

আর তাই আমার আঙিনা জুড়ে আজ এক

উৎসব; আষাঢ়ে পদাবলী পাঠ করে।

 

শেখ সাদী (রহঃ)

নোমান সাদিক

 

আপনার কবিতায় অবাক না হয়ে পারি না

কিভাবে নিষ্পাপ শব্দগুলো পরস্পর এভাবে বাধেন

গুলিস্তাঁ, ফেরদৌস, হারুনারশিদ আর  হরিণের নাভী,

ভুমিষ্ঠ শিশুর গান,শহীদের পবিত্র শোণিত

মক্কা মদিনার পথ, কোহেস্তান, বাগদাদ, হৃদয়ের শত অলিগলি

বিস্তৃত গভীর রাতে মরুদ্যানে খর্জুরের শাখা আর 

সুর্মাময় ছড়ানো পাথর

ঠিক এরই মধ্যখানে মোজেজার উটনী যেন আপনি হাঁটলেন

কিংবা কাশ্মিরী বালক আনলেন দুহাতে সহজে

একঢোক নহরের জল আর এক থোকা রক্তিম আঙুর

 

আমিওতো বারবার সমান হাতড়ে বেড়াই

বাস্কেটের মতো এই মগজ হৃদয়কে উল্টিয়ে মেঝেতে

বারবার জোরে আছড়াই

কিন্ত ওরকম কিছুই বেরোয় না আর

কেবল পুরোনো ব্লেড, কয়েকটি কাগজের কুচি

যাতে কিছু বিচ্ছিন্ন শব্দ আর শব্দের বিচ্ছিন্ন হাত পা

আর কিছু সর্দিকাশি অতিরিক্ত তেল মোছা টিস্যু ছাড়া।

 

নিশানবাহী আকাশ নাবিক

শাহাদাৎ সরকার

 

সাত সাগরের মাঝি তুমি নিলে নাকো বিশ্রাম

ডেকে গেলে তুমি হেরার পথেই আমাদের অবিরাম

তোমার সে ডাকে জেগে উঠেছিলো ঘুমের সকল পাড়া

রাতের ডাহুক বুঝেছিল সেই ডাকের ইশারা।

সিন্দাবাদের অসীম সাহস বুকের মধ্যে নিয়ে

‘নিশানবাহীর’ ‘আকাশ নাবিক’ আসলে এগিয়ে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ