ঢাকা, শুক্রবার 29 June 2018, ১৫ আষাঢ় ১৪২৫, ১৪ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

হলি আর্টিজান হামলার প্রতিবেদন সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে -ডিএমপি কমিশনার

 

স্টাফ রিপোর্টার : দুই বছর আগে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার অভিযোগপত্র আগামী দশ দিনের মধ্যে  দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। ১ জুলাই ওই জঙ্গি হামলার দ্ইু বছর পূর্তি সামনে রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

পুলিশ কমিশনার বলেন, “এই মামলাটির তদন্ত করতে গিয়ে কাউন্টার টেরিজম ইউনিট অনেক তথ্য পেয়েছে। এটা ছিল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তদন্ত একেবারে শেষ পর্যায়ে । সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হবে।”

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে কূটনীতিক পাড়া গুলিশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের ঠেকাতে গিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন। রাতভর উৎকণ্ঠার পর ২ জুলাই সকালে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানের মধ্য দিয়ে সঙ্কটের অভিযান ঘটে। হামলায় অংশ নেওয়া নব্য জেএমবির পাঁচ জঙ্গি ওই অভিযানে নিহত হয়। 

ওই ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, হত্যাকান্ড ও তথ্য গোপনের অভিযোগে তিনটি মামলা করে পুলিশ। এরপর সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একের পর এক অভিযানে গুলশান হামলায় সন্দেহভাজন অন্তত আট জঙ্গি নিহত হয়। সাতজনকে গ্রেপ্তার ও দুইজন পলাতক থাকার কথা জানায় পুলিশ। 

হলি আর্টিজান মামলার তদন্তে থাকা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম গতবছর ডিসেম্বরের মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া চেষ্টার কথা বললেও তা পারেন নি।

এ বিষয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, “এটি একটি অনেক বড় ঘটনা। তাই অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়ার আগে সবার নাম বিশদভাবে মিডিয়ায় আসা সমীচীন নয়।

ওই হামলার পেছনে কোনো রাজনৈতিক দলের ইন্ধন ছিল কিনা- এ প্রশ্নে পুলিশ কমিশনার বলেন, “রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বের করতে হলে অনেক সময়ের প্রয়োজন। ঘটনায় সরাসরি কারা জড়িত, এর পেছনে কারা জড়িত, অস্ত্র কীভাবে এসেছে, অর্থ কীভাবে এসেছে- এগুলো তদন্ত করে বের করে আনা হয়েছে।” তিনি বলেন, “মূলত তাদের উদ্দেশ্য ছিল দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং সরকারের পতন ঘটানো।”

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ