ঢাকা, শনিবার 30 June 2018, ১৬ আষাঢ় ১৪২৫, ১৫ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

হাইব্রিড ধানের জাত উদ্ভাবন কাজে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি

গাজীপুর সংবাদদাতা : বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) নতুন উদ্ভাবিত পিতৃ ও মাতৃ সারি ব্যবহার করে দেশীয় আবহাওয়া উপযোগী উন্নত গুণমান সম্পন্ন হাইব্রিড ধানের জাত উদ্ভাবন কাজে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। প্রত্যাশিত এ জাতের ফলন হবে হেক্টর প্রতি ১০ টন। এর দানা চিকন, জীবনকাল ১৪০-১৪৫ দিন এবং চালে অ্যামাইলোজের পরিমাণ শতকরা ২৫ ভাগের বেশি। এছাড়া বোরো মৌসুমের উপযোগী ৪৬৮টি পরীক্ষামূলক হাইব্রিড থেকে সম্ভাবনাময় ১৭টি হাইব্রিড কম্বিনেশন বাছাই করা হয়েছে এবং এদের বীজ উৎপাদনের সক্ষমতা বিবেচনার জন্য বীজ উৎপাদনের পরীক্ষা করা হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে দু’টি স্বল্প জীবনকালীন জাত রয়েছে যাদের ফলন প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করার মতো। বৃহষ্পতিবার গাজীপুরস্থ ব্রি’র ভিআইপি কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট (ব্রি)-এর ভৌত সুবিধাদি ও গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ে এবং হাইব্রিড ধান গবেষণা দক্ষতা বৃদ্ধি শীর্ষক প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব সনৎ কুমার সাহা। ব্রি-র মহাপরিচালক ড মো: শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রি-র পরিচালক (প্রশাসক ও সাধারণ পরিচর্যা) ড মো: আনছার আলী, পরিচালক (গবেষণা) ড. তমাল লতা আদিত্য, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারী। কর্মশালা দু’টিতে পাওয়ার প্ল্যান্ট উপস্থাপন করেন যথাক্রমে প্রকল্প পরিচালক ড. মো. হুমায়ুন কবীর ও ড. মো: জামিল হাসান। কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ১২০ জন বিজ্ঞানী, গবেষক ও কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। হাইব্রিড ধান গবেষণা দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের পরিচালক ড. জামিল হাসান জানান, প্রকল্পের আওতায় আউশ মওসুমের সম্ভাবনাময় সারি যাচাই বাছাই করে উপযুক্ত বিবেচনায় বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীতে নিবন্ধন করা হয়েছে যা জাতীয় হাইব্রিড ধানের ফলন পরীক্ষায় (এসসিএ ট্রায়াল ২০১৮) প্রথম বছর মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূল্যায়নের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে আগামী আউশ ২০১৯ সালে এটি ব্রির নতুন হাইব্রিড জাত হিসাবে অবমুক্ত হওয়ায় সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বোপরি এ প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্রির হাইব্রিড ধান গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ