ঢাকা, শনিবার 30 June 2018, ১৬ আষাঢ় ১৪২৫, ১৫ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ঝালকাঠিতে পানিতে ডুবে নিহত স্কুলছাত্রী তৃষার পরিবারকে জেলা প্রশাসক’র আর্থিক সহায়তা

ঝালকাঠি সংবাদদাতা : ঝালকাঠিতে পানিতে ডুবে নিহত স্কুলছাত্রী তৃষার পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক । বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিহত তৃষার বাবা তাহাজ্জুত রাজার হাতে ২০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাহার মিয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালেহা খাতুন প্রমূখ। উল্লেখ্য গত বুধবার দুপুরে (২৭ জুন) বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা শেষে শাহী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা দলের খেলোয়ার তৃষা ও তাঁর সহপাঠীরা উপজেলা পরিষদের পুকুরে গোসল করতে নামে। এসময় তৃষা পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। তৃষাকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 
মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ : ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেনের বিরুদ্ধে এক মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলার রানাপাশা গ্রামের রানাপাশা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডো অমল চন্দ্র নট্ট’র মালিকানাধীন জমি কেটে জবর-দখল করছে বলে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ অভিযোগ করেছে। অভিযোগে জানাগেছে, ১২৮ নং বিএস খতিয়ানের, ৬৮ নং জেএল এর ৩৫৩ নং দাগে মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডো অমল চন্দ্র নট্ট’র প্রায় ২১ শতাংশ জমিতে অনুমতি না নিয়েই গত বুধবার জোরপূর্বক মাটি কেটে উঁচু ও চওড়া আইল তৈরি করছে ওই ইউপি চেয়ারম্যান। কামদেবপুর গ্রামের মৃত মৌজে আলী ফকিরের ছেলে মহসিন ফকির ও মৃত আশ্রাব আলী ফকিরের ছেলে দেলোয়ার ফকির এই জমিতে মাটি কাটছে। শ্রমিকরা বলেন, মোল্লারহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেনের নির্দেশে তারা এ কাজ করছেন। অমল নট্ট তার জমি পূর্বের অবস্থায় ফিরে পেতে এবং দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী করেছেন। এব্যাপারে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এব্যাপারে মোল্লারহাট ইউটি চেয়ারম্যান মো. কবির হোসেন বলেন, আমার জমির সীমানায় আমি ও আমার লোকজন কাজ করেছি। অমল চন্দ্র’র জমিতে আমি কোন কাজ করি নাই। আমার বিরুদ্ধে এসকল অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমাকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যে অভিযোগ করেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ