ঢাকা, শনিবার 30 June 2018, ১৬ আষাঢ় ১৪২৫, ১৫ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অবহেলিত জনপদ চরফ্যাশনের ঢালচর

এম,লোকমান হোসেন, চরফ্যাশন (ভোলা) থেকে : মেঘনা তেুতুলিয়া ও বুড়াগৌড়াঙ্গ নদী বেষ্টিত বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার বিছিন্ন ইউনিয়ন ৩১,৩১ বর্গকিলোমিটার এলাকার ১৭ হাজার মানুষের বসতির ব্লাক ডায়মন্ড ঢালচর।  অনুন্নত  যোগাযোগ ব্যবস্থা, প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত, নদী ভাঙ্গুলী পরিবারকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করার কারণে স্থানান্তরিত সহ নদী ভাঙ্গনের ফলে অবহেলিত এক জনপদে পরিনত হয়েছে। ভুগর্ভের অভ্যন্তরে থাকা  হাজার হাজার কোটি টাকার খনিজ সম্পদ থাকলেও সরকারী ভাবে উত্তোলনের কোন ব্যবস্থা না করার কারণে মুল্যবান সম্পদ সহ    সরকারী বেসরকারী স্থায়ী স্থাপনা এক তৃতীয়াংশ  নদী গর্ভে বিলীন হয়ে  এখন শুধু স্মৃতি হিসেবে রয়েছে।
ঢালচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতি জানান, ২০০৮ সালে অষ্ট্রেলিয়ার ভুগর্ভস্থ খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানী দল মাটি পরিক্ষা করে ব্লাক ডায়মন্ড (কালো হিরা) সহ মুল্যবান ১৭টি উপাদানের সন্ধান পেয়ে উত্তোলনের জন্য সরকারের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ না হওয়ার কারণে তা আজও মাটির নিচেই  রয়েছে।  অপার স¤া¢বনা থাকা সত্বেও মুল ভুখন্ডের সাথে উন্নত কোন যোগাযোগ না থাকার কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগময় কালীন অথবা বৈরী আবহাওয়ায় অসুস্থতাজনিত কারণে বিনা চিকিৎসায় থাকতে হয় এছাড়াও আইলা, সিডরে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর ঘটনা  ঘটেছে। তিনি আরও জানান, চরে মাত্র ১টি দাখিল মাদ্রাসা, ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩ টি সরকারী ২টি বেসরকারী  প্রাথমিক বিদ্যালয়,  ২টি এবতেদায়ী মাদ্রাসা সহ ৪টি হাফেজী ও কওমী মাদ্রাসা রয়েছে যা প্রয়োজনের তুলনায়  অপ্রতুল। নদী ভাঙ্গনের ফলে অনেক পরিবার ভিটে মাটি হারিয়ে অন্যত্র পাড়ি জমিয়েছে।  চর সত্যেন এ  ২৯৮২ একর জমি বসবাস ও চাষাবাদের  উপযুক্ত থাকলেও বনবিভাগের দাবীর কারণে সেখানে কোন বসতি স্থাপন বা চাষাবাদ করতে পারছেনা। চলতি সপ্তাহে উক্ত জমি উচ্চ আদালত ভুমি মন্ত্রণালয়কে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বনবিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে সহকারী কমিশনার ভুমি আশিষ কুমার জানান।  সহকারী কমিশনার ভুমি আশিষ কুমার আরো বলেন, উক্ত জায়গা ভুমি মন্ত্রণাালয়ের হলে হাজার হাজার মানুষের বসতির ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ