ঢাকা, রোববার 1 July 2018, ১৭ আষাঢ় ১৪২৫, ১৬ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি পোশাক রফতানি বাড়াতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার : মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে তৈরি পোশাক রফতানি বাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। আর এজন্য রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের ( বিজিএমইএ) আরও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনটি।
এফবিসিসিআইয়ের স্ট্যান্ডিং কমিটি রিলেটিং টু মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স (এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক) এক সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। রাজধানীর মতিঝিলের এফবিসিসিআই সভাকক্ষে গতকাল শনিবার সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় এফবিসিসিআর স্ট্যান্ডিং কমিটির ডাইরেক্টর ইনচার্জ সারিতা মিল্লাত কমিটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদি আলি সভায় সভাপতিত্ব করেন। এফবিসিসিআই পরিচালক খন্দকার রুহুল আমিন এবং হাফেজ হারুণ অর রশিদ আলোচনায় অংশ নেন। এছাড়াও বিভিন্ন খাত থেকে আসা কমিটির সদস্যরা আলোচনায় অংশ নেন।
সভায় ব্যবসায়ীরা রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং বিজিএমইএ এর সহায়তায় বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পোশাক রফতানি বাড়ানোসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিপুল শ্রমশক্তির যে চাহিদা রয়েছে, সেই সুযোগ গ্রহণে কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
 দেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকের পাশাপাশি হস্তশিল্প, লুঙ্গি ও অন্যান্য পণ্যের রফতানি বাড়াতে ব্যবসায়ী নেতারা এসব খাতের উদ্যোক্তাদের যথাযথ সহযোগিতা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
সভায় ব্যবসায়ী নেতারা এশিয়ার সম্ভাবনাময় দেশগুলোতে বাংলাদেশী কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে পাঠানোর বিষয়টি তুলে ধরেন। দেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকের পাশাপাশি হস্তশিল্প, লুঙ্গি ও অন্যান্য পণ্যের রফতানি বাড়াতে ব্যবসায়ী নেতারা এসব খাতের উদ্যোক্তাদের যথাযথ সহযোগিতা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
ব্যবসায়ী নেতারা বলেছেন, তেরি পোশাকের রফতানি আয় বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে নতুন বাজার খুজে বের করতে হবে। তা না হলে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে বাংলাদেশের জন্য।
তারা আরও জানান মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে আমাদের বাজার খুবই সংকুচিত। এই বাজারকে আরও প্রসারিত করতে হবে। তা না হলে ইউরোপের বাজার দিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে। এ জন্য আমরা এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছি। এ বাজারে প্রবেশ আমাদের সময়ের দাবি মাত্র।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ