ঢাকা, রোববার 1 July 2018, ১৭ আষাঢ় ১৪২৫, ১৬ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে দেশের বৃহত্তম মসজিদ বায়তুল মুকাররম

কামাল উদ্দিন সুমন : মসজিদ আল্লাহ’র ঘর। মুসলমানদের ইবাদতখানা। মুমিনদের মাথা নত করার সর্বোত্তম স্থান। ইসলাম হলো মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম। আর মুসলমানরা হলো ইসলামের ধারক ও বাহক। তাইতো মসজিদের সাথে মুসলমানদের অস্তিত্বের সম্পর্ক। আল্লাহ ভীতির চাক্ষুষ নিদর্শন পবিত্র ঘর মসজিদ। মসজিদের বাইরে রাজা-প্রজা, মালিক-শ্রমিক, উর্ধ্বতন-অধস্তন, গুরু-শিষ্য, শিক্ষক-ছাত্র, ধনী-গরীব, এতিম-মিসকিন ভিতরে সবাই এক আল্লাহর গোলাম বা দাস। নেই কোনো ভেদাভেদ, নেই সাদা-কালোর পার্থক্য। এক কাতারে দন্ডায়মান ঐক্যের প্রতিক। সকলের একটাই নাম মুসল্লি (নামাজ আদায়কারী)। এখানে কোনো ব্যক্তির ভয় কাজ করেনা। অন্য কারো কাছে কোনো চাওয়া নেই, নেই অর্থবৃত্তের চাহিদা। শুধু একটাই কামনা জীবনে ঘটে যাওয়া পাপ, অন্যায় ও পঙ্কিলতা থেকে মুক্তি। নেওয়া হয় আল্লাহ প্রদত্ত সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা:) প্রদর্শিত ইসলামের সুমহান আদর্শের পথে পরিচালিত হওয়ার শিক্ষা।  ইবাদতের মাধ্যমে চোখের পানি ফেলে সকলের একটাই চাওয়া মাফ করে দাও প্রভূ। এখানে আসলে চোর, ডাকাত, সন্ত্রাসী, মাদকসেবী, অপরাধী ও জুলুমবাজরাও হয়ে যায় নরম ও রহমদিলের অধিকারী। সমস্ত অন্যায়, অপকর্মের শোধনাগার হলো মসজিদ। মসজিদে আসলে আল্লাহ ও তার ঘরের সাথে বন্ধুত্বের সুবর্ণ সুযোগ মিলে। আর এটাই হলো মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বড় সফলতা।
কেননা মুসলমানদের উদ্দেশ্য এহকালীন শান্তি পরকালীন মুক্তি আর এ দুটিরই সম্মেলন ঘটে মসজিদে। তাইতো নগরজীবনের শত ব্যস্ততা ফেলে আত্মার প্রশান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য আল্লাহ হুকুম পাঁচওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম মসজিদ বায়তুল মুকাররমে ছুটে আসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। 
নামাজের উদ্দেশ্যে গেট দিয়ে প্রবেশ করে বায়তুল মুকাররমের দিকে তাকালেই যেন পৃথিবীর সব ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়ে যায়। পবিত্র কাবা শরীফের আদলে তৈরী মসজিদটির সৌন্দর্য সবার নজর কাড়ে। বায়তুল মুকাররমের সুচিন্তিত নকশা যে কোন স্থাপনাকে হার মানাতে বাধ্য। মসজিদটি তিন দিক থেকে তার হৃদয় বাড়িয়ে দিয়ে যেন বলতে চাইছে আমার দরজা পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য খোলা। আমার কাছে আসতে কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই। কেউ কোনো বাধা দিবে না। এখানে এসে বলো তোমার অন্তরের সমস্ত আকুতি। তোমরা যারা নিজেদের কল্যাণ চাও আমি তাদের সাদরে গ্রহণ করতে প্রস্তুত।
স্থপত্য শিল্পে বায়তুল মুকাররম: উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়াসহ ঐতিহাসিক বিভিন্ন উৎস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণকারী বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে- বায়তুল মোকাররম বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ। মসজিদটি ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এর স্থাপত্যশৈলী অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন। বিশ শতকের পঞ্চাশের দশকের শেষ দিক থেকে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ঢাকা নগরীর বিস্তৃতি ঘটছিল। এ সময় পাকিস্তানের বিশিষ্ট শিল্পপতি লতিফ ইব্রাহিম বাওয়ানি ও তার ভাতিজা ইয়াহিয়া বাওয়ানির উদ্যোগে ঢাকাতে একটি মসজিদ নির্মাণের পদক্ষেপ গৃহীত হয়। তবে আব্দুল লতিফ ইব্রাহিম বাওয়ানিই প্রথম ঢাকাতে বিপুল ধারণক্ষমতাসহ একটি গ্র্যান্ড মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন। ১৯৫৯ সালে ‘বায়তুল মুকাররম মসজিদ সোসাইটি’ গঠনের মাধ্যমে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। পুরান ঢাকা ও নতুন ঢাকার মিলনস্থলে মসজিদটির জন্য জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়। স্থানটি নগরীর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র থেকেও ছিল নিকটবর্তী। সিন্ধুর বিশিষ্ট স্থপতি টি. আব্দুল হুসেন থারিয়ানিকে মসজিদ কমপ্লেক্সটির নকশার জন্য নিযুক্ত করা হয়। পুরো কমপ্লেক্স নকশার মধ্যে দোকান, অফিস, লাইব্রেরি ও গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালের ২৭ জানুয়ারি এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এই মসজিদে একসঙ্গে ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের প্রধান কক্ষটি তিন দিকে বারান্দা দিয়ে ঘেরা। মিহরাবটি অর্ধ-বৃত্তাকারের পরিবর্তে আয়তাকার। আধুনিক স্থাপত্যে কম অলংকরণের একটি বৈশিষ্ট্য-যা এই মসজিদে লক্ষণীয়। এর অবয়ব অনেকটা পবিত্র কাবা শরিফের মতো হওয়ায় মুসলমানদের হৃদয়ে এই মসজিদটি আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।
মসজিদের প্রধান ভবনটিতে সাদা রংয়ের ব্যবহার ও প্রায় ‘কিউবিক’ আকৃতির অবকাঠামোসহ সমগ্র নকশাটিতে নির্মাণ সময়ের স্থাপত্যিক প্রভাব প্রতিফলিত হয়। মসজিদটির প্রধান কক্ষের ছাদের উপর গম্বুজের অনুপস্থিতি মসজিদ স্থাপত্যের একটি বিরল বৈশিষ্ট্য। প্রধান ভবনটি আট তলা এবং মাটি থেকে ৩০.১৮ মি. উঁচু। মূল নকশা অনুযায়ী মসজিদের প্রধান প্রবেশপথ পূর্ব দিকে হওয়ার কথা। পূর্বের সাহানটি ২৬৯৪.১৯ বর্গ মিটার এবং এর দক্ষিণ ও উত্তর পার্শ্বে উযুর জন্য জায়গা রয়েছে। প্রধান ভবনের উপর গম্বুজের অনুপস্থিতির অভাব ঘোচানো হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ দিকের প্রবেশ বারান্দার (portico) উপর দুটি ছোট গম্বুজ নির্মাণের মাধ্যমে।
মসজিদের প্রবেশ বারান্দাগুলিতে আবার তিনটি অশ্বখুরাকৃতি খিলানপথ রয়েছে, যার মাঝেরটি পার্শ্ববর্তী দুটি অপেক্ষা বড়। দুটি উন্মুক্ত অঙ্গন (patios) প্রধান নামাজ কক্ষে আলো ও বাতাসের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তিন দিকে বারান্দা দ্বারা ঘেরা প্রধান নামাজ কক্ষটির আয়তন ২৪৬৩.৫১ বর্গ মিটার এবং মধ্যবর্তী তলা (mezzanine) হলো ১৭০.৯৪ বর্গ মিটার। প্রধান নামাজ কক্ষের মিহরাবটি আয়তাকার। অলংকরণের আধিক্যকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে এ কারণে যে, আধুনিক স্থাপত্যে কম অলংকরণই একটি বৈশিষ্ট্য। টি আব্দুল হুসেন থারিয়ানির মূল নকশায় মসজিদের মিনারটি ছিল ভবনের দক্ষিণ পার্শ্বে আলাদা একটি কাঠামো। তবে বর্তমানের নতুন প্ল্যান অনুযায়ী দুটি নতুন মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। বায়তুল মুকাররম মসজিদটি স্থাপত্যিক রীতিতে আধুনিক। তবে এটি প্রচলিত মসজিদ স্থাপত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্যকে এড়িয়ে যায়নি। মসজিদটি উত্তর গেটে পূর্ব থেকেই কারুকার্যখচিত গেটের সমন্বয়ে নির্মিত। মসজিদটির দক্ষিণ চত্বর বর্তমানে অত্যাধুনিক ডিজাইনে নির্মিত তোরণের মধ্যে বিশাল উন্মুক্ত পরিসর, যা পূর্বে পানির ফোয়ারা ছিল। মসজিদটি পূর্বদিকে বিশাল চত্বর সুউচ্চ শেডে ঢাকা। এ স্থানটিতে বড় বড় অনুষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা, সেমিনার ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বর্তমানে এ মসজিদটির প্রধান আকর্ষণ হলো এর সুউচ্চ মিনার যা এ দেশে ইসলামী ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর এবং দক্ষিণ পাশের ‘আল্লাহু আকবার’ লেখাটি রাতে মসজিদের সৌন্দর্যকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
মসজিদের ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, বায়তুল মোকাররম মসজিদ নির্মাণের লক্ষ্যে ৮.৩০ একর জমি বরাদ্দ দেয় সরকার। মসজিদের আয়তন ৬০ হাজার বর্গফুট। বাইরে থেকে দেখলে বায়তুল মোকাররম মসজিদকে ‘কাবার’ মডেলের মতো মনে হবে। বায়তুল মোকাররম মসজিদটি প্রধানত ৮তলা। নীচতলায় বিপণী বিতান ও গুদামঘর, প্রথমতলা থেকে ষষ্ঠ তলা ভবন বা ইমারত। মেজেনাইন ফ্লোর বা ব্যালকুনি। এই হল আটতলা। কিন্তু সাধারণ ব্যবহৃত হচ্ছে ৬ তলা। মুসল্লিরা যে জায়গা বায়তুল মোকাররম মসজিদের ব্যবহার করে থাকে, তা হলো পুরুষদের নামাজের জায়গা ১ম তলা ২৬,৫১৭ বর্গফুট। মেজেনাইন ফ্লোর ১,৮৪০ বর্গফুট। দ্বিতীয় তলার আয়তন ১০,৬৬০ বর্গফুট। তৃতীয় তলার আয়তন ১০,৭২৩ বর্গফুট। চতুর্থ তলার আয়তন ৭৩৭০ বর্গফুট, পঞ্চম তলার আয়তন ৬,৯২৫ বর্গফুট এবং ষষ্ঠ তলার আয়তন ৭৪৩৮ বর্গফুট। জুমআ-ঈদ উপলক্ষে নামাজ পড়া হয় বাড়তি ৩৯,৮৯৯ বর্গফুট। মহিলাদের নামাজের জায়গা ৬,৩৮২ বর্গফুট। পুরুষদের ওজুখানার জন্য ব্যবহৃত হয় ৬,৪২৫ বর্গফুট। মহিলাদের ওজুখানার জন্য ব্যবহৃত হয় ৮৮০ বর্গফুট। সব মিলিয়ে মুসল্লিরা বায়তুল মোকাররম মসজিদের ১ লাখ ২৫ হাজার ৬২ বর্গফুট এলাকা ব্যবহার করে। মসজিদের প্রবেশ পথটি রাস্তা হতে ৯৯ ফুট উঁচুতে।
নির্মাণ পরবর্তী বিভিন্ন তথ্য উপাত্তে জানা যায়, ১৯৬৩ সালে বায়তুল মোকাররম মসজিদের প্রথম পর্বের নির্মাণ কাজ শেষ হয় (কোথাও কোথাও ১৯৬২ সালের কথা উল্লেখ আছে)। ১৯৬৩ সালের ২৫ জানুয়ারি শুক্রবার বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রথম জুমআর নামাজ আদায় করা হয়। আর তারাবীহ নামাজও হয় ২৬ জানুয়ারি শনিবার ১৯৬৩ সালে।
বায়তুল মোকাররম মসজিদের প্রথম খতিব ছিলেন মাওলানা আবদুর রহমান বেখুদ (রহ:)। তিনি ১৯৬৩ সালে এই মসজিদের খতিব হন। এরপরে খতিব হন মাওলানা ক্বারী উসমান মাদানী (রহ:)। তিনি এ মসজিদের খতিব ছিলেন (১৯৬৩-১৯৬৪) মাত্র এক বছর। পরবর্তী খতিব ছিলেন মুফতী সাইয়েদ মুহাম্মদ আমীমুল ইহসান। তিনি ১৯৬৪-১৯৭৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর এ মসজিদের খতিব হন মুফতী মাওলানা মুইজ (রহ:)। তিনি দায়িত্ব পালন করেন ১৯৭৪-১৯৮৪ সাল পর্যন্ত। এরপরে বায়তুল মোকাররম মসজিদের দায়িত্ব পালন করেন খতিব মাওলানা উবায়দুল হক (রহ:)। তিনি ছিলেন দেশ বরেণ্য আলেম। তিনি খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৮৪-২০০৯ সাল পর্যন্ত। তারপর ২৪ বছর যিনি এখানে ইমামের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সেই মুফতি মাও: নুরুদ্দীন সাহেব এক বছর ভারপ্রাপ্ত খতিবের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমানে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিবের দায়িত্বে রয়েছেন প্রফেসর মাওলানা মো: সালাহ্উদ্দিন। তিনি ৫ জানুয়ারি ২০০৯ সালে এ মসজিদের খতিব নিযুক্ত হন।
বায়তুল মোকাররম মসজিদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন। সরকারি বেতন স্কেল, পদমর্যাদা, পদবিন্যাস ইত্যাদি মসজিদের খেদমতে নিয়োজিত কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও সমান। বায়তুল মোকাররম মসজিদের বিভিন্ন পদে যারা নিয়োজিত আছেন তারা হলেন: খতিব ১ জন, ইমাম ৩ জন, মুয়াজ্জিন ২ জন, খাদেম ২০ জন, মাইক অপারেটর ১ জন, গার্ড ৫ জন। ১৯৭৫ সালের ২৮ মার্চ থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এই মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে।
প্রতি শুক্রবারে দূর-দুরন্ত থেকে অনেক মানুষ আসেন এই মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করতে। এই মসজিদে একসঙ্গে ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিক থেকে মসজিদে প্রবেশ করা যায়। আল্লাহর ৯৯ নাম লিখে মসজিদটি সজ্জিত করা হয়েছে। রমজান মাসে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ বায়তুল মোকাররমে ইফতার করেন। প্রতি ঈদে নামাজ পড়তে আসেন লাখো মানুষ। অনেক দেশী-বিদেশী পর্যটক প্রতিদিন বায়তুল মোকাররম মসজিদ দেখতে আসেন।
কীভাবে যাবেন: দেশের বিভিন্ন জেলা শহর থেকে সড়কপথে প্রথমে দুরপাল্লার বাসে রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী কিংবা যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল অথবা পানি পথে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলপথে কমলাপুর রেল স্টেশনে আসতে হবে। এরপর রাজধানীর যেকোনো পরিবহনে করে সরাসরি পুরানা পল্টন কিংবা গুলিস্তানে এসে নামতে হবে। এরপর পায়ে হেঁটে দুই মিনিটের পথ পাড়ি দিলেই চোঁখে পড়বে বিশ্বের বিখ্যাত ও দৃষ্টিনন্দন মসজিদগুলোর একটি ৫৮ বছরের বায়তুল মুকাররম মসজিদ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ