ঢাকা, সোমবার 2 July 2018, ১৮ আষাঢ় ১৪২৫, ১৭ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অবৈধভাবে গ্যাস পাম্প চালানোর দায়ে বাঞ্ছারামপুরে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে অবৈধভাবে গ্যাস পাম্প স্থাপন ও তা থেকে অটোরিকশায় বিক্রির দায়ে দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার  দুপুরে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আলমগীর হোসেন উপজেলা সদরের জগন্নাথপুর মোড় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ৩০০ গ্যাস সিলিন্ডারসহ দুটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাস ধরে উপজেলার জগন্নাথপুর মোড় এলাকায় “বাঞ্ছারামপুর জুয়েল সিভিজি গ্যাস স্টেশন” নামের একটি পাম্প স্থাপন করেন আছাদনগর গ্রামের মমিন মিয়া নামের এক ব্যক্তি। এতে তরলীকৃত রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে বোতলে মজুদ করে বিক্রি করা হয়। প্রতিটি কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে ১৫০টি সিলিন্ডারে গ্যাসের মজুদ করা। গাড়ি থেকে এ গ্যাস পাইপের মাধ্যমে কম্প্রেসার ব্যবহার করে অটোরিকশায় দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার পাম্পে গ্যাসের চাপ ১৫০০ থেকে ১৮০০ পিএসআই থাকার প্রমাণ পায় কর্তৃপক্ষ। রূপান্তরিত গ্যাস পাম্পে সাধারণত গ্যাসের চাপ ১০০-১৫০ পিএসআই থাকে আর বায়োগ্যাসের পিএসআই মাত্র ৩০, যা দিয়ে কোনোভাবেই অটোরিকশায় সরবরাহ সম্ভব নয়।
এ ব্যাপারে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ভিজিল্যান্সের ব্যবস্থাপক আবু জাফর বলেন, এখানে গ্যাসের যে চাপ পাওয়া গেছে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক। যেকোনো সময় এসব  সিলিন্ডারের বিষ্ফোরণ ঘটতে পারে আর তা ঘটলে এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এখানে কোনো বায়ো গ্যাস নাই, এখানে মিথেন গ্যাস (রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস) রয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আলমগীর হোসেন বলেন,  গ্যাস পাম্প স্থাপনের বৈধ কোনো কাগজপত্র তাদের কাছে নেই। গ্যাস পাম্পের মালিকদের দাবি অনুযায়ী এখানে কোনো বায়োগ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং কাভার্ড ভ্যান দুটি জব্দ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ