ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 July 2018, ২১ আষাঢ় ১৪২৫, ২০ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের দিকে তাকিয়ে নওয়াজ ও ইমরান

৪ জুলাই, বিবিসি:  চলতি মাসের শেষে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের পিএমএলএন পার্টির সাথে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে ইমরান খানের দল পিটিআইএর। এ নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের ফলাফল। পাঞ্জাব পিএমএলএন পার্টির পরিচিত থাকলেও সেখানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে ইমরান খানের পার্টি পিটিআইয়েরও।

বিবিসির এক প্রতিবেদন উঠে এসেছে এমনই একটি তথ্য। সেখানে দেখা যায়, নির্বাচনের দুদলের প্রধান চিন্তা পাঞ্জাব প্রদেশ নিয়ে। নির্বাচনের মোট আসনের অর্ধেকের বেশি অবস্থিত পাঞ্জাবে। প্রথাগতভাবে পাঞ্জাব পিএমএলএনের শক্ত ঘাটি। নির্বাচন পূর্ববর্তী বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী এই প্রদেশে এগিয়ে রয়েছে তারাই। তবে পিটিআইও বেশ কিছু আসনে জয় পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাওয়াল পিন্ডিতে এমন বেশ কয়েকটি আসন রয়েছে, যেখানে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাওয়াল পিন্ডির দুজন ভোটার বলছিলেন, তাদের দলের সমর্থনের কারণ। তারা বলেন, তারা নওয়াজ শরীফকে ভোট দিবেন। কারণ একমাত্র তিনিই দেশের অবকাঠামো পরিবর্তন করেছেন। ইমরান দেশের বিভিন্নখাতের দুর্নীতি প্রকাশ করেছেন আমাদের সামনে। আমরা সবাইকেই দেখেছি। এবার পরিবর্তন চাই।

এদিকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়ে গত বছর অযোগ্য ঘোষিত হয় পিএমএলএনের নেতা ও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ। দুর্নীতির অভিযোগে বর্তমানে তার বিচার চলছে। পিএমএলএনের নেতৃত্বে আছেন তার ভাই শাহবাজ শরীফ। তবে এসব অভিযোগ থাকলেও পাকিস্তানে এখনও নওয়াজ শরীফের দারুন জনপ্রিয়তা রয়েছে। তার সমর্থকরা মনে করেন, সেনাবাহিনী সৃষ্ট রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী দল পিটিআইয়ের সমর্থকরাও মনে করে দুর্নীতির দায়ে নওয়াজ শরীফকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা পাকিস্তানের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক তাহির মালিকের মতে, এখনও পাঞ্জাবের মানুষের কাছে নওয়াজ শরীফের পক্ষে বড় সমর্থন রয়েছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবের শহুরে এলাকায়। তিনি বলেন, নওয়াজ শরীফ লাহোরের অধিবাসী। তাকে মধ্যবিত্ত শ্রমিক শ্রেণি সবাই নিজেদের কাছের মানুষ মনে করেন। আর তিনি প্রতিষ্ঠা ভিত্তিক রাজনৈতিক ধারা বিরোধী, যেটা মানুষ পছন্দ করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ