ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 July 2018, ২১ আষাঢ় ১৪২৫, ২০ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চাটখিলে কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে

চাটখিল (নোয়াখালী) সংবাদদাতা: সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে চাটখিলে সরকারি, বে-সরকারি কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে। কলেজগুলোর দাবিকৃত টাকা দিয়ে গরিব ছাত্রÑছাত্রীদের পক্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তাদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাটখিল মাহবুব সরকারি ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকতৃ ছাত্রদের কাছ থেকে এক বছরের বেতনসহ ২০৭২ টাকা এবং ছাত্রীদের কাছ থেকে ১৮০৫ টাকা আদায় করা হচ্ছে। চাটখিল মহিলা ডিগ্রি কলেজে ফরম ফি ২০০ টাকা, রেজিষ্ট্রেশন ফি ২৮০ টাকা, উন্নয়ন ফি ৩২২০ টাকাসহ সর্বমোট একজন ছাত্রী থেকে ভর্তি বাবত ৩৭০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। সোমপাড়া কলেজে প্রতিজন ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ৩৫০০ টাকা। খিলপাড়া আবদুল ওয়াহাব ডিগ্ির কলেজে প্রতিজন ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ৩০০০ টাকা। এছাড়া ভীমপুর কারিগরি কলেজে কারিগরি বোর্ডের নির্ধারিত ১৫০ টাকা ফিসহ আদায় করা হচ্ছে ২৯০০ টাকা এবং শোল্যা কারিগরি কলেজে আদায় করা হচ্ছে প্রতিজন ছাত্র-ছাত্রী থেকে ২৫০০ টাকা।  এ ব্যাপারে চাটখিল মহিলা ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ফারুক সিদ্দিকী ফরহাদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, কলেজ পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্তে এই ফি ধার্য করা হয়েছে। সোমপাড়া কলেজের অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন জানান, ৩৫০০ টাকা ভর্তি ফি ধার্য করা হলেও গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে কম নেওয়া হচ্ছে।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষাবীদ বলেন, যেখানে সরকার সকলের জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়ে থাকে এবং সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বে-সরকারি সকল শিক্ষকদের বেতন ভাতা সরকার দিয়ে থাকে এরপরও এই সকল বেÑসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সারাদেশে এভাবে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করে ভাগ-ভাটোয়ারা করে নিচ্ছে। সরকারের উর্ধ্বতন মহলের এই ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এ ব্যাপারে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ রায়হানুল হারুনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, যারা বে-আইনিভাবে অতিরিক্ত ফি আদায় করছে তাদের ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ